বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৫০ এম
গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার জামালপুর ইউনিয়নের কাপাইশ গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মাঝি, যিনি তার বন্ধু হাবিবুরের চিকিৎসার জন্য কলকাতা গিয়েছিলেন, চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার পথে বুকে ব্যাথার শিকার হন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
বিল্লালের মৃত্যুর পর পরদিন হাবিবুর রহমানও মারা যান। বর্তমানে তাদের দুজনের মরদেহ কলকাতার একটি স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা মরদেহ দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এ ঘটনার ফলে এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
বিল্লাল মাঝির বয়স ৫০ বছর এবং তিনি কাপাইশ গ্রামের করম আলী মাঝির ছেলে। অপরদিকে হাবিবুর রহমান ৫৭ বছর বয়সী এবং তিনি কাপাসিয়া থানার ফুলবাড়িয়া গ্রামের আসাম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, বিল্লাল মাঝি ২৫ দিন আগে বন্ধু হাবিবুর রহমানকে চিকিৎসায় সহায়তা করতে কলকাতায় যান। কলকাতার ঠাকুর পুকুর ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করার পর ৯ আগস্ট তারা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য রওনা হন। কিন্তু কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিল্লাল মাঝির হঠাৎ বুকে ব্যাথা ওঠে।
এসময় বিল্লাল মাঝিকে এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন হাবিবুর রহমানও মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে দুজনের মরদেহ এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালেই রয়েছে। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বিল্লাল মাঝির মেয়ে আফরোজা আক্তার শোকাহত হয়ে বলেন, ‘দুই বন্ধুর একসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে। তাদের দেশের মাটিতে দাফন করার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’
এ প্রসঙ্গে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম বলেন, ‘লাশ দুটি দেশে আনতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া এ বিষয়ে জানান, ‘এই সময়ে তাদের পরিবারের কাছ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তারা যোগাযোগ করলে আইন অনুসারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভাঙ্গায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর গ্রামের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার নুরপুর মহল্লায় মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে তারেক মাসুদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় সেখানে তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ করে তারেক মাসুদের বৃদ্ধা মা নুরুন্নাহার মাসুদও উপস্থিত ছিলেন।
তারেক মাসুদের মা নুরুন্নাহার মাসুদ এই উপলক্ষে বলেন, ‘আমার মনে বড় কষ্ট। আমি চেয়েছিলাম তারেকের নামে গ্রামের বাড়িতে একটি জাদুঘর হবে। জাদুঘরটি আমি নিজ হাতে সাজাবো। এটাই আমার একমাত্র চাওয়া পাওয়া। সরকারের কাছে আর কিছুই চাই না। আমার তারেক খাইয়া না খাইয়া ছবি তৈরি করেছে।’
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও ভাঙ্গা সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসায়েদ হোসেন ঢালী। এই সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিঞা বেনজীর আহমাদ, সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের শিক্ষক মো. সরোয়ার হোসেন, ভাঙ্গা উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আবু বকর, ভাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সুভাষ মন্ডল, তারেক মাসুদের ভাই সাঈদ মাসুদ প্রমুখ।
তাদের মধ্যে মোসায়েদ হোসেন ঢালী বলেন, তারেক মাসুদ যা চেয়েছিলেন, তা আমরা কোনো কিছুই পাইনি। আজ সংস্কৃতি জগৎ দখল করেছে নানা অপসংস্কৃতি, সংস্কৃতির সুস্থ চর্চার বিপরীতে। চলচ্চিত্র নির্মাতারা যদি তারেক মাসুদের চিন্তা চেতনাকে অনুসরণ করেন, তবেই আমাদের সার্থকতা আসবে। তিনি ভাঙ্গা গোলচত্বরের নামকরণ তারেক মাসুদের নামে করার দাবি করেন।
স্মরণসভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মিঞা বেনজীর আহমাদ বলেন, আমাদের অনেক আশা ছিল তারেক মাসুদের গ্রামের বাড়িতে একটি অডিটোরিয়াম হবে, চলচ্চিত্র পাঠশালা হবে। তবে আজও পর্যন্ত আমরা কিছুই করতে পারিনি এবং তারেক মাসুদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি।
ভাঙ্গা সরকারি কাজী মাহবুব উল্লাহ কলেজের শিক্ষক মো. সরোয়ার হোসেন সরকারের কাছে দাবি জানান, তারেক মাসুদের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর গ্রামের বাড়িতে যেনো চলচ্চিত্র জাদুঘর নির্মাণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৫৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ভাঙ্গার নুরপুর গ্রামে তারেক মাসুদ জন্মগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের সিনেটের প্রেসিডেন্ট পেড্র রোলান ওজেডার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানায় স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস।
সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি খুবই প্রয়োজন।
তিনি একটি দ্বিপক্ষীয় পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানান, যা দুই দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দিকে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের উচ্চমূল্য সংযোজন, দক্ষতা উন্নয়ন, জনশক্তি বিনিময় এবং নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন তিনি।
স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রশংসা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশটির বড় বড় কোম্পানিগুলি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে গত কয়েক দশকের অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের বিষয়েও আলোচনা হয়। সিনেট প্রেসিডেন্ট স্পেনে কর্মরত বাংলাদেশিদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে তাদের “বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত” হিসেবে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংসদীয় বিনিময় বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
স্পেনের সংসদ সদস্যদের বাংলাদেশে ব্যবসা, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি স্পেনের নতুন নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও গুরুত্ব দেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটন, আতিথেয়তা, কৃষি, আবাসন, নৌপরিবহন, সামুদ্রিক খাত এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা খাতে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীরা স্পেনের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠক শেষে দুই দেশের রাজনৈতিক পর্যায়ে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১১ দলীয় ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দলের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল করতে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে, তারা শেরেবাংলানগরের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে যান।
১১ দলীয় ঐক্যজোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মনোনয়নপত্র দাখিল করে।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন, আব্দুল বাতেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ইঞ্জি. রাশেদ প্রধান এবং মোস্তফিজুর রহমান ইরানসহ জোটে শরিক সমস্ত দলের শীর্ষ নেতারা।
পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসন্ন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেলেগু চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান সুপারস্টার জুনিয়র এনটিআরের কাঁধে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সেকেন্দরাবাদের কিমস হাসপাতালে বিশেষজ্ঞদের নিকট তত্ত্বাবধানে তার এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর জুনিয়র এনটিআর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) তার ভক্ত, বন্ধু এবং পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। তিনি জানান, তিনি বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন এক বার্তায় জুনিয়র এনটিআর লেখেন, "আপনারা সবাই যে ভালোবাসা ও প্রার্থনা পাঠিয়েছেন, তাতে আমি অভিভূত। অস্ত্রোপচার অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আমি এখন ভালো আছি। কিমস হাসপাতালের চিকিৎসকদের অসাধারণ টিমকে আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।" তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, "আমার সকল বন্ধু, পরিবার ও ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলছি; আপনাদের সমর্থন আমাকে প্রতিদিন শক্তি জোগায়। খুব শিগগিরই আবার দেখা হচ্ছে।"
বুধবার কিমস হাসপাতালের পক্ষ থেকে জারি করা এক স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, জুনিয়র এনটিআর কিছুদিন আগে কাঁধে আঘাত পেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ নিরাময় নিশ্চিত করতে আর্থ্রোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, "আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে অস্ত্রোপচার পুরোপুরি সফল হয়েছে এবং এন. টি. আর ভালো আছেন।" চিকিৎসকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এখন থেকে জুনিয়র এনটিআর একটি নির্দিষ্ট পুনর্বাসন কর্মসূচি বা রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম শুরু করবেন। আমাদের চিকিৎসকরা আশা করছেন তিনি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ও কাজে ফিরে আসতে পারবেন।
অস্ত্রোপচারের আগেই চিকিৎসকরা জুনিয়র এনটিআরকে প্রাথমিক আঘাতের কারণে অন্তত ছয় থেকে আট সপ্তাহের জন্য পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সফল অস্ত্রোপচারের পর এখন তিনি আগামী কয়েক সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনায় শরীরের কার্যক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য কাজ করবেন।
বর্তমানে জুনিয়র এনটিআরের ভক্তরা তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রহর গুনছেন। সুস্থ হয়ে উঠেই তিনি প্রশান্ত নীল পরিচালিত পরবর্তী বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র 'ড্রাগন'-এর শুটিংয়ে যোগ দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ