বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৫৮ এম
তেলেগু চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান সুপারস্টার জুনিয়র এনটিআরের কাঁধে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সেকেন্দরাবাদের কিমস হাসপাতালে বিশেষজ্ঞদের নিকট তত্ত্বাবধানে তার এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর জুনিয়র এনটিআর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) তার ভক্ত, বন্ধু এবং পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। তিনি জানান, তিনি বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন এক বার্তায় জুনিয়র এনটিআর লেখেন, "আপনারা সবাই যে ভালোবাসা ও প্রার্থনা পাঠিয়েছেন, তাতে আমি অভিভূত। অস্ত্রোপচার অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আমি এখন ভালো আছি। কিমস হাসপাতালের চিকিৎসকদের অসাধারণ টিমকে আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।" তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, "আমার সকল বন্ধু, পরিবার ও ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলছি; আপনাদের সমর্থন আমাকে প্রতিদিন শক্তি জোগায়। খুব শিগগিরই আবার দেখা হচ্ছে।"
বুধবার কিমস হাসপাতালের পক্ষ থেকে জারি করা এক স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, জুনিয়র এনটিআর কিছুদিন আগে কাঁধে আঘাত পেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ নিরাময় নিশ্চিত করতে আর্থ্রোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, "আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে অস্ত্রোপচার পুরোপুরি সফল হয়েছে এবং এন. টি. আর ভালো আছেন।" চিকিৎসকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এখন থেকে জুনিয়র এনটিআর একটি নির্দিষ্ট পুনর্বাসন কর্মসূচি বা রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম শুরু করবেন। আমাদের চিকিৎসকরা আশা করছেন তিনি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ও কাজে ফিরে আসতে পারবেন।
অস্ত্রোপচারের আগেই চিকিৎসকরা জুনিয়র এনটিআরকে প্রাথমিক আঘাতের কারণে অন্তত ছয় থেকে আট সপ্তাহের জন্য পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সফল অস্ত্রোপচারের পর এখন তিনি আগামী কয়েক সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনায় শরীরের কার্যক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য কাজ করবেন।
বর্তমানে জুনিয়র এনটিআরের ভক্তরা তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রহর গুনছেন। সুস্থ হয়ে উঠেই তিনি প্রশান্ত নীল পরিচালিত পরবর্তী বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র 'ড্রাগন'-এর শুটিংয়ে যোগ দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনাক্রমে ঢাকা মহানগরী মোহাম্মদপুরে ট্রাকের চালক হোসেন হত্যার মামলায়, ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ৪ নম্বর বিশেষ জজ রবিউল আলমের আদালতে এই অভিযোগ গঠনের শুনানির কথা রয়েছে।
এছাড়া, গত ২৫ জুন আদালতে আসামিরা অনুপস্থিত থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ চার্জ গঠন শুনানির জন্য একটি সময়ের আবেদন পেশ করেছে, ফলে শুনানি এক দফা পিছিয়েছে। এরপর ২৬ জুলাই আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সময়ের আবেদনের কারণে অভিযোগ গঠনের শুনানি দ্বিতীয় দফায় পিছিয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলি চালিয়ে মো. হোসেনকে হত্যা করা হয়। তিনি পেশায় ট্রাকচালক ছিলেন এবং সেদিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখেই বাসায় ফিরছিলেন। কিন্তু চাঁদ উদ্যান এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহতের মা রীনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় হত্যার মামলা করেন।
এরপর ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু, তোফায়েল সিদ্দিক ওরফে তুহিন, রহমান মিয়া ওরফে এ কে এম অহিদুর রহমান, পলাশ, ওলিউর রহমান, খলিলুর রহমান, ইমন, এস এম রিয়াজুল হক তামিম, মাসুদুর রহমান বিপ্লব, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া ওরফে এম এ সাত্তার, পারভেজ ওরফে গোল্ডেন পারভেজ, সুমন মিয়া ওরফে কাইল্লা সুমন, মিলন হোসেন, সোহেল ওরফে ভূইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল, সলিম উল্লাহ সলু, ইরফান, মুহাম্মদ বদিউল আলম ওরফে বদিউজ্জামান, ফুরকান হোসেন, শাহজাহান খান, সাজ্জাদ হোসেন, ফারুক হোসেন অভি এবং নাইমুল হাসান রাসেল। কিছু আসামিকে পলক, সাদেক, ফুরকান ও শাহজাহানকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তাদের কারাগারে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার ওপর নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে। বুধবার স্থানীয় সময় দেওয়া এক ঘোষণায় গোষ্ঠীটি জানায়, লোহিত সাগরে একটি সামরিক পরিবহন জাহাজ এবং ইয়েমেনের ভেতরে সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্রের দাবি, এসব হামলায় বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইয়েমেনের মোচা এলাকা এবং মারিব প্রদেশের তাদাউইন শিবিরে সৌদি সমর্থিত সেনাদের অবস্থান, অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হুথিদের দাবি, হামলাগুলো নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এতে সৌদি নাগরিকসহ কয়েক ডজন মানুষ হতাহত হয়েছেন।
তবে হতাহতদের সঠিক সংখ্যা বা হামলায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র বলেন, ইয়েমেন দখল এবং সেখানে উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করছে- এমন সৌদি সেনা অবস্থানগুলোতে তারা অভিযান চালিয়ে যাবে।
হুথিরা তাদের বিরোধীদেরও সতর্ক করেছে। গোষ্ঠীটির অভিযোগ, ইয়েমেনের কিছু মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে তাদের ‘শত্রুদের’ সঙ্গে সহযোগিতা করছে।
এসব ব্যক্তিকে সৌদি আরবের সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে হুথিরা। একই সঙ্গে তারা যেসব কর্মকাণ্ডকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে উল্লেখ করেছে, সেসব থেকে সরে আসতে বলেছে। হুথিদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি আরো জটিল হওয়ার আগে তাদের এই অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে।
হুথিদের হামলার ঘোষণার পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশীপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি হুথিদের লড়াই বন্ধ করে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সাবার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে আল-আলিমি বলেন, হুথিদের কোনো কর্মকাণ্ডের জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাদের কোনো কর্মকাণ্ডই নজরদারির বাইরে থাকবে না। তিনি আরো বলেন, হুথিদের সামনে এখনো রাজনৈতিক পথে ফেরার সুযোগ রয়েছে। তাদের অস্ত্র নামিয়ে রেখে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়া এবং অন্য ইয়েমেনিদের মতো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।
লোহিত সাগরের বাব আল-মানদেব প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে পরপর দুই দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক দিন পর হুথিদের নতুন এই হামলার ঘোষণা এলো। ওই হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন সূত্র। ইয়েমেন সরকার এ হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হুথিদের দায়ী করেছে। ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবহনকারী ছোট কার্গো জাহাজ ‘তিহামাহ’কে লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুথিরা। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। এতে চারজন নাবিক নিহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন পাকিস্তানি এবং একজন ইন্দোনেশীয় নাগরিক ছিলেন। এ ছাড়া আরো চারজন নাবিক ও একজন উদ্ধারকর্মী আহত হন বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম হামলার পর জাহাজটির যাত্রী ও নাবিকদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়। তখন হুথিরা জাহাজটিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায়। মন্ত্রণালয় এই হামলাকে জাহাজে থাকা মানুষ এবং উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে। পরে ইয়েমেনের কোস্টগার্ড জানায়, নিহতদের মধ্যে দুজন উদ্ধারকর্মীও ছিলেন। জাহাজটির মালিকানা নিয়েও প্রথমে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ইয়েমেনের কর্মকর্তারা এবং সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা মারিস্কস জানিয়েছিল, সৌদি মালিকানাধীন একটি জাহাজে হামলা হয়েছে। তবে মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ‘তিহামাহ’ তানজানিয়ার পতাকা নিয়ে চলছিল। জাহাজটির মালিক ছিল মিসর ও ইয়েমেনে নিবন্ধিত কয়েকটি কোম্পানি।
এর আগে গত ৯ আগস্ট দক্ষিণ-পশ্চিম ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের আল-মোখা বন্দরে বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছিল হুথিরা। আল জাজিরা ইয়েমেন টুডে টিভি ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সাবা টিভির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওই হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়। আল-মোখা বন্দরটি ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার ভিতরে অবস্থিত। হামলার পর হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, তাদের বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই সমুদ্রবন্দরে বড় পরিসরে এবং নির্ভুলভাবে অভিযান চালিয়েছে। লোহিত সাগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজে একের পর এক হামলার ঘটনায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কন্টিনজেন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে র্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে এই সচেতনতা র্যালিটি শুরু হয় এবং শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। বিএনসিসি হেডকোয়ার্টার ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই র্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। এই কর্মসূচির আওতায় ক্যাডেটরা ক্যাম্পাসের ভেতরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে, ক্যাম্পাসে চলাচলকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে কি করতে হবে, সে সম্পর্কে অবহিত করা হয়। সচেতনতামূলক এই র্যালিতে নেতৃত্ব দেন বিএনসিসি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কন্টিনজেন্টের নৌ শাখার প্লাটুন কমান্ডার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন ভূঁঞা। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির সেনা, নৌ ও বিমান শাখার ক্যাডেট, সামরিক প্রশিক্ষক এবং বিএনসিসির অফিস স্টাফরা অংশগ্রহণ করেন। এর আলাবা, ঢাকা কলেজ বিএনসিসি সেনা শাখার ক্যাডেটরা ব্যান্ড পার্টিসহ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে র্যালিটিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিচার প্রার্থীদের সময়, অর্থ ও হয়রানি কমানোর লক্ষ্যে চতুর্থ ধাপে দেশের আরও ১২ জেলায় ইলেকট্রনিক জামিননামা বা ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজন করা একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
নতুন করে ই-বেইলবন্ড সিস্টেমে যুক্ত হওয়া ১২টি জেলা হলো— টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, চাঁদপুর, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আগে একটি জামিননামা আদালত থেকে কারাগার পর্যন্ত পৌঁছাতে এবং আসামি মুক্ত হতে ১২টি জটিল ধাপ পার হতে হতো। এখন আইনজীবীরা তাদের চেম্বার বা যেকোনো স্থানে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে এক ক্লিকে ই-বেইলবন্ড জমা দিতে পারবেন। সাথে সাথেই মোবাইলে ওটিপি ও কনফার্মেশন চলে আসবে।’
তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে প্রথম পরীক্ষামূলক চালুর পর দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৮টি জেলা এবং তৃতীয় ধাপে বগুড়াসহ আর ৭টি জেলা নিয়ে মোট ১৬টি জেলায় ইতোমধ্যেই ই-বেইলবন্ড সফলভাবে চালু করা হয়েছে। এসব জেলায় ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার ই-বেইলবন্ড নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
নতুন ১২টি জেলা যুক্ত হওয়ার ফলে এ সুবিধার আওতায় আসার পাশাপাশি বিচারিক গতি বহুগुण বাড়বে বলে তিনি জানান।
মামলা জট নিরসনে বিচারকদের উৎসাহিত করে মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে যেসব জেলা জুডিশিয়াল অ্যাক্টিভিজম ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে পারবে, আইন মন্ত্রণালয় থেকে এর জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।
অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সভাপতির বক্তব্য রেখেছেন। স্বাগত বক্তব্য রেখেছেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদেমুল কায়েস।
এছাড়া অনুষ্ঠানে পটুয়াখালীর সিনিয়র জেলা ও বিষয়ক জজ মো. শহিদুল্লাহ, কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিউল আযম, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম এবং ঠাকুরগাঁও কারাগারের জেল সুপার মো. মাসুদুর রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের বিষয়ে বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, এ যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী অঞ্চলের বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। পাশাপাশি বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ