প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার জামালপুর ইউনিয়নের কাপাইশ গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মাঝি, যিনি তার বন্ধু হাবিবুরের চিকিৎসার জন্য কলকাতা গিয়েছিলেন, চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার পথে বুকে ব্যাথার শিকার হন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
বিল্লালের মৃত্যুর পর পরদিন হাবিবুর রহমানও মারা যান। বর্তমানে তাদের দুজনের মরদেহ কলকাতার একটি স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা মরদেহ দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এ ঘটনার ফলে এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
বিল্লাল মাঝির বয়স ৫০ বছর এবং তিনি কাপাইশ গ্রামের করম আলী মাঝির ছেলে। অপরদিকে হাবিবুর রহমান ৫৭ বছর বয়সী এবং তিনি কাপাসিয়া থানার ফুলবাড়িয়া গ্রামের আসাম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, বিল্লাল মাঝি ২৫ দিন আগে বন্ধু হাবিবুর রহমানকে চিকিৎসায় সহায়তা করতে কলকাতায় যান। কলকাতার ঠাকুর পুকুর ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করার পর ৯ আগস্ট তারা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য রওনা হন। কিন্তু কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিল্লাল মাঝির হঠাৎ বুকে ব্যাথা ওঠে।
এসময় বিল্লাল মাঝিকে এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন হাবিবুর রহমানও মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে দুজনের মরদেহ এম আর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালেই রয়েছে। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনতে সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বিল্লাল মাঝির মেয়ে আফরোজা আক্তার শোকাহত হয়ে বলেন, ‘দুই বন্ধুর একসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে। তাদের দেশের মাটিতে দাফন করার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’
এ প্রসঙ্গে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম বলেন, ‘লাশ দুটি দেশে আনতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া এ বিষয়ে জানান, ‘এই সময়ে তাদের পরিবারের কাছ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তারা যোগাযোগ করলে আইন অনুসারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন