ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
যুবলীগ নেতা!

নতুন পরিচয়ে ও ভিন্ন কায়দায় নতুন করে চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা


নতুন পরিচয়ে ও ভিন্ন কায়দায় নতুন করে চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা

বিগত সরকারের সময় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত আবুল হাসান ওরফে হাসান নামে পরিচিত শীর্ষ চাঁদাবাজ অভিযোগ করা হচ্ছে যে তিনি নতুন পরিচয়ে ও ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে আবুল হাসান ওরফে হাসান তাঁর পুরোনো ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট নিয়ে মতিঝিল, গুলিস্তান ও পল্টন অঞ্চলে নতুনভাবে চাঁদাবাজির জাল বিছিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ওই পরিস্থিতি যে কোনো সময় বড় সংঘর্ষ বা দ্বন্দ্বে রূপ নিতে পারে, এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থাৎ, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন ঘটলেও যুবলীগ নেতা আবুল হাসান ওরফে হাসান দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর জেল থেকে জামিন নিয়ে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে তিনি মতিঝিল বিমান অফিস গলিতে নতুন করে তার আধিপত্য বিস্তার করার জন্য আস্তানা গেড়ে বসেছেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা হিসেবে পরিচিত আবুল হাসান কিছুদিন গা-ঢাকা দেওয়ার পর ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের সময়ে মতিঝিল এলাকায় তার নেতৃত্বে পুরোনো চাঁদাবাজি চক্র আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাইকোর্ট, গুলিস্তান, পুরানা পল্টন ও মতিঝিল এলাকায় পরিচিত পেশাদার চাঁদাবাজ আবুল হাসান বিগত ১৭ বছর ধরে মতিঝিলে একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা সাবেক এমপি ফারুক খান ও এমপি শেখ সেলিমের সহযোগিতায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিগত ৫ই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী সরকারের পতনের সঙ্গে সাথে আবুল হাসান ও তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক খোলস ব্যবহার করে এবং স্থানীয় এক জামায়াত নেতার প্রশ্রয় নিয়ে তিনি তার পুরোনো সন্ত্রাসী বাহিনীকে মাঠে নামাতে সক্ষম হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

মতিঝিলের বিশাল এলাকায় ফুটপাতগুলোতেও প্রতিদিন চাঁদা সংগ্রহের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে। এ চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে আবুল হাসান ওরফে হাসানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। কিন্তু বিগত পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী যুবলীগের পরিচয়ের কারণে তিনি সবসময় পার পেয়ে গেছেন।

মতিঝিল এলাকায় একজন দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা ভেবেছিলাম ৫ই আগস্টের পর শান্তিতে ব্যবসা করতে পারব, কোনো জুলুম থাকবে না। কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি মাত্র মানুষের মুখ বদলেছে, অত্যাচারের নিয়ম বদলায়নি। আবুল হাসান ওরফে হাসান ও তার লোকজন আবার চাঁদার টাকা তোলা শুরু করেছে। প্রতিবাদ করলে মারধর ও উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।"

অন্য একজন ব্যবসায়ী জানান, অতীতে আবুল হাসান ওরফে হাসানের চাঁদাবাজির কারণে বহু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছেন এবং বিচারকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কিন্তু উল্টো আবুল হাসান ওরফে হাসানের পালিত গুন্ডাবাহিনীর তোপের মুখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এখন আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

আবুল হাসান গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় তার বাড়ি। তিনি পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী যুবলীগের নেতা পরিচয় দিতেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সরকারি দপ্তর বিআরটিসিতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে তিনি মামলার সম্মুখীন হন।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

এছাড়াও, আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার উপর হামলার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, "গণ-অভ্যুত্থানের পর যারা ক্ষমতার অপব্যবহার বা দল পরিবর্তন করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। চাঁদাবাজির সিন্ডিকেটগুলো যদি এখনই দমন না করা হয়, তাহলে সরকারের সুশাসনের মূল স্পিরিট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভুক্তভোগীদের উচিত ভয় না পেয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করা।"

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবুল হাসান ওরফে হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের দাবি হল, মতিঝিল ও পল্টন এলাকাকে চাঁদাবাজমুক্ত করতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবিলম্বে হস্তক্ষেপ দরকার।

আরও পড়ুন: বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ডটি ছিল ভুল, স্বীকার করল আইএফএবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ডটি ছিল ভুল, স্বীকার করল আইএফএবি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড আসলে দেওয়া উচিত হয়নি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) তাদের একটি পরিপত্রে ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে ভিডিও সহকারী রেফারির ক্ষমতা স্পষ্ট করেছে।

জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই প্রকাশিত ৩৪ নম্বর পরিপত্রে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে আইএফএবি। তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমবোলোর ঘটনার সময় ভিএআর নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে মূল অপরাধই পরিবর্তন করেছিল।

গত ১১ জুলাই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচের ৭১তম মিনিটে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এমবোলোর সঙ্গে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সংঘর্ষের পর আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পিনেইরো।

ভিএআর পরে ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর নিয়মে ঘটনাটি পর্যালোচনার জন্য রেফারিকে ডাকে। রিপ্লে দেখে পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন পিনেইরো। একই সাথে এমবোলোকে হলুদ কার্ড প্রদানের জন্য নামকরা হয়ে পড়ে যায় যে, তার পড়ে গিয়ে ফাউল আদায়ের চেষ্টা ছিল। ম্যাচে এটি ছিল এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, যার ফলে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস ফরোয়ার্ডকে।

ম্যাচের স্কোর তখন ১-১ থাকার সময় সুইজারল্যান্ড বাকি সময় ১০ জন নিয়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত সমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। তবে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা দুই গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে সেমিফাইনালে ওঠে।

আইএফএবির নতুন ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সাধারণ কোনো হলুদ কার্ডের ক্ষেত্রে ভিএআর শুধুমাত্র একই অপরাধের জন্য সঠিক খেলোয়াড়কে শনাক্ত করতে পর্যালোচনা করতে পারে। কিন্তু যে অপরাধের জন্য প্রথম সিদ্ধান্তটি দেওয়া হয়েছিল, সেটিকে বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন অপরাধ নির্ধারণ করার সুযোগ নেই।

অথাত্, ভিএআর পারেদেসের কার্ডটি ভুল কি না, তা দেখতে পারলেও এমবোলোর অভিনয় শনাক্ত করে নতুন করে তাকে হলুদ কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারত না। এমবোলো যদি পড়েই ফাউল আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন কি না, এটি মূল প্রশ্ন নয়। বর্তমান নিয়মের প্রেক্ষিতে ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভিএআরের হস্তক্ষেপের অনুমতি ছিল না।

ম্যাচের পরই সিদ্ধান্তটির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি বলেছিলেন, রেফারির ভুল সিদ্ধান্ত এবং নিয়মটির প্রয়োগ তাদের ম্যাচ ধ্বংস করে দিয়েছে।

বিশ্বকাপে অভিনয়ের ঘটনা শনাক্ত করতে ভুল পরিচয়ের ধারাটি ব্যবহারের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে আইএফএবি। ভবিষ্যতে ভিএআরকে এমন ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে। তবে পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে অভিনয়ের ঘটনা যাচাই করা যাবে না বলে স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি।

নতুন ব্যাখ্যা এমবোলোর বহিষ্কারকে ভুল প্রমাণ করলেও, ম্যাচের ফল পরিবর্তন কিংবা ঘটনাটি নিয়ে অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়নি আইএফএবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সহযোগিতায় পিআইও জোবায়ের!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সহযোগিতায় পিআইও জোবায়ের!

 

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় টিআর (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জোবায়ের হোসেনের সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, কাঁঠালিয়া উপজেলায় দুটি প্রেসক্লাব রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম দুটি প্রেসক্লাবের জন্য পৃথকভাবে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেন। একটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদুল আলম এবং অপরটির সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার।

মাসুদুল আলমের প্রেসক্লাবের নামে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সেটির কাজও হয়েছে। অপর অংশের সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার বরাদ্দ চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন তাকে বলেন, একই নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই অন্য একটি সংগঠনের নাম দিতে হবে এবং সেই সংগঠনের নামে বরাদ্দ হলেও কাজ হবে প্রেসক্লাবের।

পরবর্তীতে বাদল হাওলাদার একটি সংগঠনের নাম পিআইওর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, যে সংগঠনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেই সংগঠনের অন্য সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে তারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি বাদল হাওলাদারকে ডেকে জানতে চান, প্রেসক্লাবের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ কেন করা হয়নি।

এ সময় প্রেসক্লাব সংস্কারের জন্য ২০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও দীর্ঘ ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও সংস্কারকাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অভিযোগকারীদের দাবি, বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেনও জড়িত।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে, ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, "আমি বিষয়টি জানি না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে ‘জব কর্নার’ সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


ইবিতে ‘জব কর্নার’ সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির মধ্যে অবস্থিত ‘জব কর্নার’ এর সংস্কার, আধুনিকায়ন, এবং সম্প্রসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে, ৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের কাছে জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেছেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে জব কর্নারটি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সেখানে তীব্র স্থান সংকট তৈরি হয়েছে।

তারা বলেন, প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আসন সংকটের কারণে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার পরিস্থিতিতে আছেন। পাশাপাশি, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সংকীর্ণ পরিবেশে গাদাগাদি করে পড়াশোনা তাদের করতে হচ্ছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোযোগী শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা জব কর্নারের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য উপাচার্যের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

স্মারকলিপিতে ৭টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— জব কর্নারের জন্য আরও একটি রিডিং রুম সংযুক্ত করা, শুক্রবারে জব কর্নার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা, আবাসিক হলসমূহের ছুটির সঙ্গে জব কর্নারের ছুটির ভারসাম্য রাখা, উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা, রিডিং রুমে পর্যাপ্ত ডেস্ক ও উপযুক্ত আসবাবপত্র সংযোজন করা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জব কর্নারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা স্থাপন করা।

স্মারকলিপি প্রদানকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে পড়ছেন এবং বিবেচনা করে দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের অভিযান: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও লাইসেন্সহীন ব্যবসায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের অভিযান: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও লাইসেন্সহীন ব্যবসায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন-এর নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্টটি পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ক্যাফে আনোয়ারা-এর মালিককে ৫০ হাজার টাকা, হাজী বিরিয়ানি-এর মালিককে ২৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স বেলাল ফল বিতান-কে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সন্দ্বীপ থানা পুলিশ ও উপজেলা আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আইন মেনে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ ধরনের মোবাইল কোর্টের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%