০৮:৩১ পি.এম
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় টিআর (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জোবায়ের হোসেনের সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, কাঁঠালিয়া উপজেলায় দুটি প্রেসক্লাব রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম দুটি প্রেসক্লাবের জন্য পৃথকভাবে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেন। একটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদুল আলম এবং অপরটির সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার।
আরও পড়ুন: সিলেটে রাবার বাগান থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি এয়ারগান উদ্ধার
মাসুদুল আলমের প্রেসক্লাবের নামে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সেটির কাজও হয়েছে। অপর অংশের সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার বরাদ্দ চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন তাকে বলেন, একই নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই অন্য একটি সংগঠনের নাম দিতে হবে এবং সেই সংগঠনের নামে বরাদ্দ হলেও কাজ হবে প্রেসক্লাবের।
পরবর্তীতে বাদল হাওলাদার একটি সংগঠনের নাম পিআইওর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, যে সংগঠনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেই সংগঠনের অন্য সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে তারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি বাদল হাওলাদারকে ডেকে জানতে চান, প্রেসক্লাবের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ কেন করা হয়নি।
এ সময় প্রেসক্লাব সংস্কারের জন্য ২০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও দীর্ঘ ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও সংস্কারকাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অভিযোগকারীদের দাবি, বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেনও জড়িত।
এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আরও পড়ুন: পাবনায় অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৪
অন্যদিকে, ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, "আমি বিষয়টি জানি না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন