ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ডটি ছিল ভুল, স্বীকার করল আইএফএবি


আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ডটি ছিল ভুল, স্বীকার করল আইএফএবি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড আসলে দেওয়া উচিত হয়নি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) তাদের একটি পরিপত্রে ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে ভিডিও সহকারী রেফারির ক্ষমতা স্পষ্ট করেছে।

জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই প্রকাশিত ৩৪ নম্বর পরিপত্রে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে আইএফএবি। তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমবোলোর ঘটনার সময় ভিএআর নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে মূল অপরাধই পরিবর্তন করেছিল।

গত ১১ জুলাই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচের ৭১তম মিনিটে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এমবোলোর সঙ্গে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সংঘর্ষের পর আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পিনেইরো।

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনের পর ইরান আক্রমণের নতুন পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

ভিএআর পরে ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর নিয়মে ঘটনাটি পর্যালোচনার জন্য রেফারিকে ডাকে। রিপ্লে দেখে পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন পিনেইরো। একই সাথে এমবোলোকে হলুদ কার্ড প্রদানের জন্য নামকরা হয়ে পড়ে যায় যে, তার পড়ে গিয়ে ফাউল আদায়ের চেষ্টা ছিল। ম্যাচে এটি ছিল এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, যার ফলে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস ফরোয়ার্ডকে।

ম্যাচের স্কোর তখন ১-১ থাকার সময় সুইজারল্যান্ড বাকি সময় ১০ জন নিয়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত সমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। তবে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা দুই গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে সেমিফাইনালে ওঠে।

আইএফএবির নতুন ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সাধারণ কোনো হলুদ কার্ডের ক্ষেত্রে ভিএআর শুধুমাত্র একই অপরাধের জন্য সঠিক খেলোয়াড়কে শনাক্ত করতে পর্যালোচনা করতে পারে। কিন্তু যে অপরাধের জন্য প্রথম সিদ্ধান্তটি দেওয়া হয়েছিল, সেটিকে বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন অপরাধ নির্ধারণ করার সুযোগ নেই।

অথাত্, ভিএআর পারেদেসের কার্ডটি ভুল কি না, তা দেখতে পারলেও এমবোলোর অভিনয় শনাক্ত করে নতুন করে তাকে হলুদ কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারত না। এমবোলো যদি পড়েই ফাউল আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন কি না, এটি মূল প্রশ্ন নয়। বর্তমান নিয়মের প্রেক্ষিতে ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভিএআরের হস্তক্ষেপের অনুমতি ছিল না।

আরও পড়ুন: দাকোপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন

ম্যাচের পরই সিদ্ধান্তটির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি বলেছিলেন, রেফারির ভুল সিদ্ধান্ত এবং নিয়মটির প্রয়োগ তাদের ম্যাচ ধ্বংস করে দিয়েছে।

বিশ্বকাপে অভিনয়ের ঘটনা শনাক্ত করতে ভুল পরিচয়ের ধারাটি ব্যবহারের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে আইএফএবি। ভবিষ্যতে ভিএআরকে এমন ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে। তবে পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে অভিনয়ের ঘটনা যাচাই করা যাবে না বলে স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি।

নতুন ব্যাখ্যা এমবোলোর বহিষ্কারকে ভুল প্রমাণ করলেও, ম্যাচের ফল পরিবর্তন কিংবা ঘটনাটি নিয়ে অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়নি আইএফএবি।

আরও পড়ুন: খুলনায় পৌঁছেছেন, সুন্দরবন ও বানৌজা মোংলা পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সহযোগিতায় পিআইও জোবায়ের!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সহযোগিতায় পিআইও জোবায়ের!

 

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় টিআর (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জোবায়ের হোসেনের সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, কাঁঠালিয়া উপজেলায় দুটি প্রেসক্লাব রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম দুটি প্রেসক্লাবের জন্য পৃথকভাবে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেন। একটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদুল আলম এবং অপরটির সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার।

মাসুদুল আলমের প্রেসক্লাবের নামে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সেটির কাজও হয়েছে। অপর অংশের সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার বরাদ্দ চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন তাকে বলেন, একই নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই অন্য একটি সংগঠনের নাম দিতে হবে এবং সেই সংগঠনের নামে বরাদ্দ হলেও কাজ হবে প্রেসক্লাবের।

পরবর্তীতে বাদল হাওলাদার একটি সংগঠনের নাম পিআইওর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, যে সংগঠনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেই সংগঠনের অন্য সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে তারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি বাদল হাওলাদারকে ডেকে জানতে চান, প্রেসক্লাবের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ কেন করা হয়নি।

এ সময় প্রেসক্লাব সংস্কারের জন্য ২০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও দীর্ঘ ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও সংস্কারকাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অভিযোগকারীদের দাবি, বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেনও জড়িত।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে, ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, "আমি বিষয়টি জানি না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে ‘জব কর্নার’ সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


ইবিতে ‘জব কর্নার’ সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির মধ্যে অবস্থিত ‘জব কর্নার’ এর সংস্কার, আধুনিকায়ন, এবং সম্প্রসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে, ৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের কাছে জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেছেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে জব কর্নারটি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সেখানে তীব্র স্থান সংকট তৈরি হয়েছে।

তারা বলেন, প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আসন সংকটের কারণে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার পরিস্থিতিতে আছেন। পাশাপাশি, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সংকীর্ণ পরিবেশে গাদাগাদি করে পড়াশোনা তাদের করতে হচ্ছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোযোগী শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা জব কর্নারের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য উপাচার্যের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

স্মারকলিপিতে ৭টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— জব কর্নারের জন্য আরও একটি রিডিং রুম সংযুক্ত করা, শুক্রবারে জব কর্নার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা, আবাসিক হলসমূহের ছুটির সঙ্গে জব কর্নারের ছুটির ভারসাম্য রাখা, উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা, রিডিং রুমে পর্যাপ্ত ডেস্ক ও উপযুক্ত আসবাবপত্র সংযোজন করা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জব কর্নারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা স্থাপন করা।

স্মারকলিপি প্রদানকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে পড়ছেন এবং বিবেচনা করে দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের অভিযান: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও লাইসেন্সহীন ব্যবসায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের অভিযান: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও লাইসেন্সহীন ব্যবসায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন-এর নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্টটি পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ক্যাফে আনোয়ারা-এর মালিককে ৫০ হাজার টাকা, হাজী বিরিয়ানি-এর মালিককে ২৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স বেলাল ফল বিতান-কে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সন্দ্বীপ থানা পুলিশ ও উপজেলা আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আইন মেনে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ ধরনের মোবাইল কোর্টের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুণগত মান নিশ্চিতের নির্দেশ: সন্দ্বীপ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে ইউএনও, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


গুণগত মান নিশ্চিতের নির্দেশ: সন্দ্বীপ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে ইউএনও, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আমজাদ হোসেন। এ সময় তিনি চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

মঙ্গলবার মৌলভী শামসুল হুদা সড়কে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাব্দির বাড়ি সড়ক এবং এলজিইডি বাস্তবায়নাধীন নাজিরহাট–বদিউজ্জামান সড়ক প্রকল্পের আওতায় গোডাউন সড়কের সমাপ্ত ও চলমান উন্নয়নকাজের সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজের গুণগত মান যাচাই করেন। তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও কর্মীদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রাক্কলন অনুযায়ী মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, উন্নয়নকাজ চলাকালীন কিংবা কাজ শেষ হওয়ার পর কোনোভাবেই যেন রাস্তার ক্ষতি হয়—এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আমজাদ হোসেন জানান, “আদর্শ সন্দ্বীপ গড়ে তুলতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%