মোঃ এমাদ মিয়া নরসিংদী প্রতিনিধি
০৭:২১ পি.এম
নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় পুলিশের পরিচালিত বিশেষ দল মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া একটি সাধারণ ডায়েরি মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বেলাব থানা পুলিশের অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আদালত অভিযুক্তদের ৬ মাস থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে হিরা লাল, জুয়েল, নুরুল হক, নাজিম উদ্দিন, সৌরভ, মাহাবুব, আরমান, জীবন বর্মন, সুজন রায়, শ্যামল, বাবলু, রাজীব ও রেনু রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মোবাইল কোর্ট মামলায় রায় প্রদান করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বেলাব থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক আসামিদের আদালতের আদেশ অনুযায়ী জেলা কারাগার, নরসিংদীতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, বেলাব থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৫৯৪, তারিখ ১৩ জুন ২০২৬ এর আলোকে সুর্যি রানী রবি দাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বেলাব থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, বর্তমান সময়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অনেক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সহযোগিতা ও গঠনমূলক কর্মসম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়।
তিনি আজ ঢাকায় আয়োজিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬’ শীর্ষক সম্মেলনের একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা চাই, তবে সেটি অবশ্যই পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে হতে হবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের একটি ভালো কর্মসম্পর্ক থাকা উচিত।’
আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধান উপদেষ্টার শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদি আমিন। পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কর্মসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া কূটনীতির একটি মৌলিক নীতি এবং সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করে, এবং একটি দৃশ্যমান ও কার্যকর কর্মসম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেটি করতে চাই। তবে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ থাকতে হবে।’
উপদেষ্টা স্বীকার করেন যে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গত ১৫ বছরে সৃষ্ট একটি ‘বিরাট ঘাটতি’পূর্ণ সম্পর্ক উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সম্পর্কটি ছিল একমুখী এবং তা বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় গড়ে ওঠেনি।’
তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভারত সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সফরে তিনিও অংশ নিয়েছিলেন এবং দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব ও সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এটি করতে পারি এবং এটি অর্জন করা সম্ভব। অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।’
হুমায়ুন কবির ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশত্যাগের পর শেখ হাসিনা বিদেশে অবস্থান করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে এবং উভয় পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার পথ খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘অতএব, সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় এ বাস্তবতাটি উপলব্ধি করতে হবে যে, আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার আর কোনো অস্তিত্ব নেই।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। সম্মেলনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনে তিনটি বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব অধিবেশনে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নীতি, অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সংগ্রহ, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীল শিল্প ও ক্রীড়াসহ উদীয়মান প্রবৃদ্ধি খাত নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈশ্বিক রূপান্তর, ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার এ সময়ে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক কূটনীতি শক্তিশালী করা, নীতিগত সমন্বয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেল, গ্যাস এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। একই সঙ্গে হামে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিচার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিও করা হয়েছে।
শনিবার, ১৩ জুন, বেলা ১১টায় গাইবান্ধা সদর উপজেলা শাখা কমিটির উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এই মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পদক্ষেপ থিয়েটার মিলনায়তনে এসে সাধারণ সভায় মিলিত হয়।
সভায় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যাহ ক্বাফী রতন বলেন, দেশের জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। যে বাজেট পেশ করা হয়েছে, এটি গতানুগতিক ধনিক তোষণ বাজেট। কৃষক, ক্ষেতমজুর এবং মেহনতি মানুষ চরম সংকটে আছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক কাফি সরকার, জেলা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদ জামান রব্বানীসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে সড়ক কেটে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছে একটি স্থানীয় পরিবার। গত ১৮ এপ্রিল এই ঘটনা ঘটে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সড়কটির অবস্থা।
দীর্ঘ ৬০ বছরের পুরনো এই গ্রামীণ সড়কটিই ১০০টিরও বেশি পরিবারের সদস্যদের জন্য চলাচলের একমাত্র পথ। সড়কটি কাজে লাগান চা-বাগানের শ্রমিক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং কৃষকরা।
হঠাৎ করে স্থানীয় একটি পরিবার সড়কজুড়ে বিশাল গর্ত করে চলাচল বন্ধ করে দেয়।
সম্প্রতি, গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার সবিস্তারে বিবৃত করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা খুশেদ মিয়া ও তার ভাই বারিক মিয়া জানিয়েছেন, তারা সড়কটি বন্ধ করে দিয়ে স্থানীয়দের চলাচলে বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেছেন।
ভুক্তভোগীরা ঘটনার দুই দিন পর, অর্থাৎ ২০ এপ্রিল থেকে প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু ইতোমধ্যে প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও প্রশাসন থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
এদিকে, এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। তারা আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে একটি সভা করেছেন। এই সভায় সভাপতিত্ব করেছেন হাফেজ মাওলানা মোস্তাকিম আহমেদ। সভার অন্যান্য বক্তা ছিলেন মাওলানা কাজী ওমর ফারুক, মন্নান মিয়া, জন্নান মিয়া, আব্দুল মিয়া প্রমুখ।
বক্তাদের মধ্যে একজন বলেন, প্রায় ৬০ বছর ধরে রামচন্দ্রপুর গ্রামের লোকেরা এই সড়ক ব্যবহার করছে। দেওরাছড়া চা বাগানের শ্রমিকসহ ১০০টিরও বেশি পরিবারের যাতায়াতে এটি একমাত্র সড়ক। প্রতিবঞ্চিত হচ্ছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ।
তাদের দাবি, সড়কটি আগে সরু ছিল, কিন্তু এখন এটি প্রায় ১৬ ফুট প্রশস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সময় স্থানীয় সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে এর সংস্কার ও উন্নয়নও হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি, খুশেদ মিয়া ও বারিক মিয়া সড়কের দুই পাশে গর্ত খুঁড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, বারিক মিয়া সড়কের আশপাশে গর্ত করে সেখানে গোবর ও আবর্জনা ফেলে দিচ্ছেন, যা স্বাস্থ্য সংকটের সৃষ্টি করছে। বর্ষা মৌসুমের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তারা জানান, এই সড়কের কারণে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া এবং মৃতদেহ বহন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তবে এই এলাকায় মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে।
বক্তারা সংকট নিরসনে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা বলেন, সড়কের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করার জন্য সরেজমিন তদন্ত করতে হবে এবং পরে দখল ও প্রতিবন্ধকতাগুলো অপসারণ করতে হবে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।
অভিযুক্ত বারিক মিয়া বলেন, ‘আমার দলিলের জায়গায় রাস্তা পড়েছে, তাই আমি কেটেছি। এখানে কার সমস্যা বা কিসের সমস্যা- এটা আমার জানার বিষয় না।’
এ ব্যাপারে রহিমপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার মন্তব্য করে বলেন, ‘মানুষের চলাচলের রাস্তা কেটে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। গ্রামবাসীর স্বার্থ রক্ষায় এবং সমস্যার দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জানান, রাস্তা কাটার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য প্রযোজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সত্যতা পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো.সফিকুল ইসলাম ওরফে সফিক কে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা যুবদল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে এই সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা যুবদল।
শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন সৈকত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং দলীয় নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিপন্থী এক নারীকে প্রকাশ্যে শারীরিক নির্যাতনের কারণে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সফিকুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমন ও সদস্য সচিব নূরুল হুদা ইতিমধ্যে এ সিন্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
মারধরের শিকার তাসলিমা আক্তার খুকি (৩৫) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামের মো. খলিল ড্রাইভারের স্ত্রী। অভিযুক্ত সফিক একই গ্রামের মনতারাগো বাড়ির সামছুদ্দিন মোল্লার ছেলে।
উলেখ্য, শনিবার ১৩ জুন বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামে মাছ ধরা ও জাল নিয়ে বিরোধের জেরে তাসলিমা আক্তার খুকিকে প্রকাশ্যে পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন যুবদল নেতা সফিকুল ইসলাম। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় তাৎক্ষণিক বৈঠক ডেকে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সুবর্ণচর উপজেলা যুবদল। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ