ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়াকাটায় ধরা পড়লো পৌনে ২ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো কত টাকায়?


কুয়াকাটায় ধরা পড়লো পৌনে ২ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো কত টাকায়?

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে একটি বড় রূপচাঁদা মাছ জেলের জালে ধরা পড়েছে। এই মাছটির ওজন প্রায় ১ কেজি ৭০০ গ্রাম। মাছটি এফবি জারিফ-১ ট্রলারে ধরা পড়ে। এ ট্রলারের মাঝি ছিলেন দেলোয়ার।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মাছটি মহিপুরের মনোয়ারা ফিশ গদিতে আনা হলে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়। পরে মাছটি প্রতি মণ ৯০ হাজার টাকা অর্থাৎ প্রতি কেজি ২ হাজার ২৫০ টাকা দরে মোট ৩ হাজার ৮২৫ টাকায় স্থানীয় এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়।

মনোয়ারা ফিসের ম্যানেজার সগির বলেন, এ ধরনের বড় আকারের রূপচাঁদা খুব বেশি ধরা পড়ে না। মাছটির আকার এবং গুণগত মান ভালো হওয়ার কারণে বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: জিয়ানগরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল জলিল শেখের সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ ও পথসভা

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সোহাগ জানান, গভীর সমুদ্রের বড় রূপচাঁদার চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। ভালো মানের হওয়ার কারণে তিনি মাছটি কিনেছেন। বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সম্ভবত আরও ভালো দাম পাওয়া যেত। সোহাগ বলেন, মাছটি তিনি ঢাকায় পাঠাবেন।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস এবং ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, রূপচাঁদা উচ্চমূল্যের সামুদ্রিক মাছ। এ মাছ গভীর সমুদ্রে বেশি বিচরণ করে এবং সুস্থ সামুদ্রিক পরিবেশের একটি ইতিবাচক নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়। বড় আকারের মাছ ধরা পড়া সাগরের জীববৈচিত্র্যের জন্যও একটি ভালো লক্ষণ। তবে খেয়াল রাখতে হবে টেকসই আহরণ যেন নিশ্চিত করা যায়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বঙ্গোপসাগরে রূপচাঁদা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ। যদি সঠিকভাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মূল্যবান মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং জেলেরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে ৯ মাসে ‘মব’ সহিংসতায় নিহত ১৮৭ জন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত থেকে টিয়ার গ্যাস আমদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০০ এম


ভারত থেকে টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে আমদানি করা ২ দশমিক ০৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশের অভ্যন্তরে এসে পৌঁছেছে। বন্দর থেকে ছাড় করানোর পর, সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় এসব টিয়ার গ্যাস শেল যশোর সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভারতীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড’ থেকে আনা ১৪৫টি কাঠের বাক্সে সংরক্ষিত এই টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দর থেকে ছাড় করানো হয়। এরপর, একটি বাংলাদেশি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর সেনানিবাসের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের ওয়্যারহাউস ইনস্পেক্টর শাহাদৎ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিস্ফোরকবাহী কাভার্ড ভ্যানটির সুরক্ষায়, বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা থানা পর্যন্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ছয় সদস্যের একটি দল বিশেষ নিরাপত্তা এসকর্ট প্রদান করে।

পরবর্তীতে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি এসকর্ট দল। গাড়িটি বেনাপোল, শার্শা, নাভারন ও ঝিকরগাছা হয়ে নিরাপদে যশোর সেনানিবাসে পৌঁছায়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার (৯ আগস্ট) এসব টিয়ার গ্যাস শেল যশোর সেনানিবাস থেকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে (বিওএফ) স্থানান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও কাটছে না ক্লান্তি, করণীয় কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ এম


পর্যাপ্ত ঘুমের পরও কাটছে না ক্লান্তি, করণীয় কী?

প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও যদি সারাদিন শরীরে ক্লান্তি ও অবসন্নতা অনুভূত হয়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে নয়, শরীরে প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টি উপাদানের অভাবও দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির অন্যতম কারণ হতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতামত অনুযায়ী, শরীরে যদি বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস বা ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি থাকে, তাহলে কোষ ও টিস্যুর স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলে শক্তি উৎপাদন কমে যায়, মনোযোগে ঘাটতি দেখা দেয় এবং শরীর সারাক্ষণ দুর্বল ও ক্লান্ত অনুভব করে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, ভিটামিন বি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শক্তি উৎপাদনে। এ ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে যথেষ্ট শক্তি তৈরি হয় না এবং এ কারণে ক্লান্তি সহজেই ভর করতে পারে।

প্রোটিনের অভাব হলে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তির খোঁজে পেশির প্রোটিন ভাঙতে শুরু করে, যা মাংসপেশির দুর্বলতা সৃষ্টি করে এবং শর্করা বা মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে ক্লান্তির বোধ হতে পারে। পানি, সোডিয়াম ও পটাসিয়ামের ঘাটতি শরীরকে নিস্তেজ ও অলস করে তোলে।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবও ঘুমের মান খারাপ করে এবং পেশিতে টান ধরার সমস্যা সৃষ্টি করে। এর ফলে রাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম করলেও শরীর সম্পূর্ণরূপে পুনরুজ্জীবিত হয় না।

ক্লান্তি দূর করার জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। ভিটামিন বি-এর চাহিদা পূরণের জন্য প্রতিদিন টক দই বা পনির খাওয়া যেতে পারে। প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি ছোলা, অঙ্কুরিত মুগ বা অন্যান্য ডাল খাদ্যতালিকায় রাখা প্রয়োজন।

শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে ডাবের পানি, তরমুজ, শসা, বিভিন্ন ফল এবং প্রতিদিন একটি কলা খাওয়া উপকারী হতে পারে। ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে কুমড়ার বীজ, কাঠবাদাম ও কাজুবাদাম নিয়মিত খাদ্যে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, এই বিষয়গুলোতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন।

তবে, যদি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও সুষম খাদ্য গ্রহণের পরও দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি অব্যাহত থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত আরও ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ এম


বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত আরও ১৫

বগুড়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস যখন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়, তখন অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার কারণে আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৫ জন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকালে এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় মহাসড়কের পাশে অনেক শ্রমিক কাজের সন্ধানে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ করে নিয়ন্ত্রণ হারায়, রাস্তার ডান পাশে একটি বৈদ্যুতিক পিলারে আঘাত করে এবং সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।

এই দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই তিন শ্রমিক নিহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত কমপক্ষে ১৫ জনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকদের সূত্র বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানায়, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর এবং আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

দুর্ঘটনা ও হতাহতের বিষয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বৈরাচারের চিহ্ন দেখতে জনতার ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


স্বৈরাচারের চিহ্ন দেখতে জনতার ভিড়

জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার প্রথম দিনেই গতকাল বৃষ্টি উপেক্ষা করে দর্শনার্থীদের এক বিশাল ঢল নেমেছে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, যারা জুলাইয়ের ওই স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘরটি দেখতে এসেছেন।

কেউ এসেছেন বন্ধুবান্ধব নিয়ে, আবার কেউ পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হয়েছেন।

৫ আগস্ট জুলাই গণ অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। গতকাল সেটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ১২ বছরের ঊর্ধ্বে দর্শনার্থীদের জন্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ২০ টাকা টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই টিকিট সংগ্রহ করা যাচ্ছে। জাদুঘরটি প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।

গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, জাদুঘর উন্মুক্ত করার পর সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা টিকিটের জন্য ভিড় করছেন। মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই দ্রুত নজরে আসে জুলাইয়ের স্মৃতি নিয়ে আঁকা রঙিন গ্রাফিতিগুলো, যেখানে আন্দোলনের দিনগুলো ও তৎকালীন সরকারের অত্যাচার-পীড়নের চিত্র ফুটে উঠেছে।

একটু সামনে এগোলেই দেয়ালে খোদাই করা বীর শহীদদের নামের তালিকাটি চোখে পড়ে। এরপর মূল প্রদর্শনী কক্ষে রয়েছে তৎকালীন সরকারের নির্যাতনের নানা প্রমাণ, সেখানে শিক্ষার্থী, শিশু ও সাধারণ মানুষের ওপর সহিংসতার চিত্র স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের বিতর্কিত ‘আয়নাঘর’-এর আদলে তৈরি একটি প্রতীকী রূপও রয়েছে। জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়াায় সাধারণ মানুষ বেশ উচ্ছ্বসিত।

ইতিহাসের সঠিক চিত্র তুলে ধরার জন্য দর্শনার্থীরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জাদুঘরে দায়িত্বরত এক কর্মী জানিয়েছেন, ‘সকাল থেকেই দর্শনার্থীর প্রচুর ভিড় রয়েছে। বৃষ্টি থাকা সত্ত্বেও অনেকে ভিজে ভিজে পুরো জাদুঘরটি ঘুরে দেখেছেন। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই মানুষের যে উৎসাহ দেখলাম, সরকারি ছুটির দিনে এই চাপ আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হচ্ছে।’ তিনি সব দর্শনার্থীকে প্রদর্শনী সামগ্রী স্পর্শ না করার অনুরোধ জানান।

জাদুঘর পরিদর্শনে আসা রবিন মিয়া নামে একটি জুলাই যোদ্ধা সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন, ‘আজ আমার গায়ে যে আঘাতের দাগগুলো রয়ে গেছে, তা হয়তো কোনো দিন মুছে যাবে না। তবে এর জন্য আমরা কোনো প্রতিদান বা সার্টিফিকেট চাই না। আমাদের একমাত্র চাওয়া এই দেশটা ভালো থাকুক, দেশের মানুষ ভালো থাকুক। আমার দাদা দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, যুদ্ধ করেছিলেন। তিনিও কোনো সার্টিফিকেটের পেছনে ছোটেননি। তিনিও একটি সুন্দর দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমরা কোনো বিশেষ সম্মান বা পদবি চাই না, আমরা আমাদের নিজস্ব অবস্থান থেকেই স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।’

ঢাকা মডেল কলেজের শিক্ষার্থী এস এম সামিউল ইসলাম বলেন, ‘৩৬ জুলাই (৫ জুলাই) আমরা এখানে এসেছিলাম, আজও আসলাম। তখনকার থমথমে পরিস্থিতি আর আজকের মুক্ত বাতাসের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সবার জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত করে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ এখন স্বৈরাচারের অপকর্ম, সাধারণ মানুষের কষ্ট এবং শিক্ষার্থীদের ত্যাগের কথা সঠিকভাবে জানতে পারবে।’

সাদ বিন হারুন নামে আরেক দর্শনার্থী তার অনুভূতি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ‘জাদুঘরে আসার পর বুঝতে পারলাম জুলাইয়ে দেশের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ ছিল। ঢাকার ভেতরের কিছু খবর আমরা জানতাম, কিন্তু এখানে ঢাকার বাইরের বাস্তবচিত্রও চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার সারা দেশে কীভাবে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকা চালিয়েছে, তা এখানে এসে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%