আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৪:২৪ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কোনাবাড়ি গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।
এই অবস্থা ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার সাধারণ মানুষ।
কোনাবাড়ী, লোকদেও, ব্রিজপাড় মোড় হতে কোনাবাড়ী গ্রামের ভিতর দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা হজরত মাস্টারের বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তা পর্যন্ত চরম দুর্ভোগ যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এর রাস্তা দিয়ে ইউনিয়নের হাসনই, বানরগাছি, গৌরিপুর, চাঁনপুর, লোকদেও কোনাবাড়ি সহ অন্যান্য এলাকার হাজারো লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করে। কোনাবাড়ী রাস্তার মাথায় রয়েছে একটি জরাজীর্ণ ব্রিজ। ব্রিজটির দুপাশে মাটি না থাকার কারণে এবং বৃষ্টির ফলে কাদা জমে পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ার জন্য যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
যদিও দু-চারটি চলাচল করলেও ব্রিজে উঠতে লোকজনের সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।
কোনাবাড়ী এলাকায় তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রমিছা, আয়শা, সফিকুল, আলম জানায়, "বৃষ্টি হলে আমরা স্কুলে রাস্তায় পানি বাজে আর কাদার কারণে মাদ্রাসায় যেতে আমাদের কষ্ট হয়।"
“যাওয়ার সময় কাদার কারণে আমাদের কাপড় নষ্ট হয়ে যায় এমনকি বই খাতাও নষ্ট হয়ে যায়। রাস্তাটি পাকা হলে আমাদের আর কষ্ট হবে না।"
কোনাবাড়ী এলাকার ব্যবসায়ী সোলায়মান হোসেন জানান, রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পানি ও কাদা জমে যায়। ফলে সাধারণ পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এছাড়া অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও এই সড়ক বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত যানবাহন চলাচল সম্ভব না হওয়ায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে বলে জানান ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
স্থানীয় ব্যবসায়ী শামছুল হক বলেন, "যানবাহন চালকদের অভিযোগ, বেহাল সড়কের কারণে অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায়ই বিকল হয়ে যাচ্ছে।"
বিশেষ করে বর্ষাকালে বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপরে হাটু পানি জমে।
যার ফলে কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া, স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় যানবাহন চলাচল করতে না পারায় স্থানীয়দের পায়ে হেঁটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়।
গোলাবাড়ী, কোনাবাড়ী, লোকদেও, ব্রিজপাড়সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন।
দ্রুত সড়কটি পাঁকাকরণের জন্য তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত সড়কটি নির্মাণ হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।
উপজেলা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখনো স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কোনাবাড়ি গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার নাম লিখে দিলো মাত্র একটি গোল। এই এক গোলের মাধ্যমেই ফেরান তোরেস আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি ‘লর্ড তোরেস’ থেকে মুহূর্তের মধ্যে হয়ে উঠেছেন দলের প্রধান নায়ক।
ফাইনালের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে আসা বল ধরতে পেয়ে, বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে তিনি জালে পাঠান তোরেস। গোলের পর তার উদযাপনও ছিল ব্যতিক্রমী। কর্নার ফ্ল্যাগের দিকে ছুটে গিয়ে সেটিতে লাথি মারেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে সতীর্থরা এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন, কারণ এই গোলটি শুধু জয়সূচক ছিল না, বরং নিজের শক্তি প্রমাণের সুযোগও।
বিশ্বকাপের শুরুতে তোরেস সম্পর্কে প্রচুর প্রশ্ন ছিল। স্ট্রাইকার হিসেবে দলে থাকলেও টুর্নামেন্টের ফাইনালের আগে তার গোল ছিল না। পর্তুগালের বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট ছাড়া তার অবদান ছিল নিঃশব্দ। কেপ ভার্ডের বিপক্ষে গোল না পাওয়ার কারণে তাকে একাদশ থেকে বাদও পড়তে হয়েছিল।
সমর্থকদের মধ্যে একজন অংশ তাকে ‘লর্ড তোরেস’ নামে কটাক্ষ করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় মঞ্চে গিয়ে নিজেকে প্রমাণ করলেন তিনি।
ফাইনালে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন তোরেস। এরপর, ৬২ মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবালের বদলি হিসেবে খেলতে নামতে হয়। এরপরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ পুরো ম্যাচে একাধিক দুর্দান্ত সেভ করলেও, তোরেসের সেই গোল ঠেকাতে পারেননি। পরে আরও একটি গোল করার সুযোগ পেলেও, সেটি অফসাইডে বাতিল করা হয়। তার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও লাভ করেন তোরেস।
তোরেস শুধু স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতাননি, নতুন একটি রেকর্ডও গড়েছেন। বদলি হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় তিনি পঞ্চম। ২০১৪ সালের ফাইনালে জার্মানির মারিও গোটজের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বদলি হয়ে ফাইনালে গোল করলেন এই স্প্যানিশ তারকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে স্পেনের শিরোপা জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ঘানার ধর্মীয় নেতা প্রফেট এরিক বোয়াহেন উচে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, তিনি আগেই ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, স্পেন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হবে।
ঘানার রেইন হাউস চ্যাপেলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রফেট উচে একটি বক্তব্যে, যেটি তিনি ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দিয়েছেন, নাকি উল্লেখ করেছিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনই শিরোপা জিতবে। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তিনি পুনরায় নিজের সেই পূর্বাভাসের পক্ষে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমের পোস্টে দাবি করা হয়েছে।
১৯ জুলাই নিউইয়র্ক-নিউজার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে। এই ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেছিলেন ফেরান তোরেস। শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পরপরই সামাজিকমাধ্যমে প্রফেট উচের ভবিষ্যদ্বাণীর ভিডিও এবং বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফাইনালের সময়ে প্রফেট উচে নিজের বাসভবনে কাছের আত্মীয়দের সঙ্গে ম্যাচ দেখছিলেন। স্পেনের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে উল্লাস শুরু হয়, এবং উপস্থিতরা এটিকে তার পূর্বাভাসের বাস্তবায়ন হিসেবে উদযাপন করেন।
ফাইনালের আগে প্রফেট উচে স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। ইয়ামালের ফিলিস্তিনের পতাকা প্রদর্শনের ঘটনায় তিনি আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা প্রদান করে দাবি করেন, এটি স্পেনের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এছাড়া আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযানে কিছু ম্যাচে রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ করেন। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচের নাম বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এদিকে, প্রফেট উচের এসব দাবি বা ভবিষ্যদ্বাণীর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফিফাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য বা সমর্থন দেয়নি। ফলে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই ঘটনাটিকে বিস্ময়কর বলে উল্লেখ করেছেন, কিন্তু অন্যদের মতে এটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকারের মানবিক ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপের ফলে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল একটি পরিবার। ইউএনও’র মধ্যস্থতায় স্বামী-স্ত্রীর দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটার পর দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুলিয়ারচর পৌরশহরের নোয়াগাঁও বেপারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা সানাউল্লাহ মিয়ার সাথে তাঁর স্ত্রী জুলেখা আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে স্ত্রী জুলেখা বিচার ও প্রতিকার চেয়ে ইউএনও’র শরণাপন্ন হন। বিষয়টির সংবেদনশীলতা অনুধাবন করে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দম্পতিকে তাঁকেইকার্যালয়ে ডেকে পাঠান।
সোমবার (২০) জুলাই দুপুরের দিকে উপজেলা কার্যালয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য ইউএনও অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে শোনেন। পরবর্তীতে সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ তুলে ধরে আলোচনার মাধ্যমে তিনি উভয়ের মাঝে মান-অভিমান ও ভুল বোঝাবুঝি দূর করেন। প্রশাসনের এই আন্তরিক প্রচেষ্টায় সানাউল্লাহ ও জুলেখা অতীত ভুলে পুনরায় এক ছাদের নিচে সংসার শুরু করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সংকটের ইতি টেনে, শুধু জোড়াতালি নয়, এই স্মরণীয় মুহূর্তকে আরও আনন্দময় করতে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করা এই দম্পতির হাতে বিশেষ উপহারও তুলে দেন ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার।
পুনর্মিলনের এই সময়টিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম, কুলিয়ারচর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজহার উদ্দিন লিটন, সাংবাদিক মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম, আলী হায়দার ও মো. সবুজ মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় সচেতন মহল এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, আদালতের দীর্ঘসূত্রতা ও সামাজিক টানাপোড়েন এড়িয়ে প্রশাসনিক এমন মানবিক হস্তক্ষেপে একটি পুরো পরিবার ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে গেল। তারা মনে মনে আশা করেন, এ ঘটনা সমাজে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখতে ইতিবাচক বার্তা দেবে।
প্রশাসনের এই অনন্য ভূমিকা সম্পর্কে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার জানান, আন্তরিকতা, ধৈর্য ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে যেকোনো পারিবারিক বিরোধ আলোচনা মাধ্যমে মেটানো সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এক বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসা চালু করেছে। নতুন এই ভিসার মাধ্যমে এক বছরের মধ্যে একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশ করে ওমরাহ পালন করা যাবে। তবে, মোট অবস্থানের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ দিন হবে।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম গালফ নিউজ।
সৌদির নতুন ভিসাটি ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভিসাধারীরা একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর অংশ হিসেবে নতুন এই ওমরাহ ভিসা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াত সহজ করা, সেবার মান উন্নত করা এবং হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করা।
তবে, প্রতিবার ওমরাহ পালনের আগে ভিসাধারীদের নুসুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুমোদিত সেবা প্রদানকারীর কাছ থেকে একটি সার্ভিস প্যাকেজ কিনতে হবে। এই প্যাকেজের মেয়াদ ভিসার অবশিষ্ট বৈধতার চেয়ে বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি, সৌদি আরবে যাওয়ার আগে নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহর অনুমতিপত্র (পারমিট) সংগ্রহ করতে হবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ আরও জানায় যে, প্রতিবার সৌদি আরব ত্যাগের পর ভিসাটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হবে। তবে, পরবর্তী সফরের শর্ত পূরণ হলে আবারও এটি সক্রিয় করা হবে।
তবে, হজ মৌসুমে, অর্থাৎ জিলকদ মাসের ১ তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই ভিসা কার্যকর থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ