মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৪ এম
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হাবিব (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু নাঈম হোসেন ও সাজ্জাদুল ইসলাম, যাঁরা গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের সাহেবপুর এলাকায় জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত হাবিব ওচমানপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেবপুর এলাকার আমির আলী সওদাগর বাড়ির কাদেরুল ইসলামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মাছ পরিবহনের কাজে হাবিব তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে বারইয়ারহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে একটি অটোরিকশায় কয়েকজন পূজার্থী পূজামণ্ডপ থেকে ফিরছিলেন। সাহেবপুর এলাকায় পৌঁছালে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাবিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নাঈম ও সাজ্জাদুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাকিব হাসান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে হাবিবকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলটি থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬-এর মহাঅষ্টমী উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্। পূজামণ্ডপে আগত ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ও তদারকি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) মহাঅষ্টমীর দিনে বিএমপি কমিশনার নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজামণ্ডপে আগত ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুলিশি কার্যক্রম তদারকি করেন বিএমপি কমিশনার।
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্য এবং ডিউটি তদারকি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের পরিবেশ বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উৎসব চলাকালে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দায়িত্ব পালনে পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতা বজায় রাখার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শারদীয় দুর্গাপূজা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ কারণে পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে নগরবাসী এবং পূজায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি),উপ–পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) মোঃ আব্দুল হান্নান, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বিএমপির এই তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বচ্ছতা রক্ষার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এই ঘটনার পরপরই, মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তার স্ত্রী ব্যারিস্টার নুসরাত খান।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের উদ্ধৃতিটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, 'Power properly understood is nothing but the ability to achieve purpose. It is the strength required to bring about social, political and economic change.'
— Martin Luther King Jr.
উদ্ধৃতিটির বাংলা অর্থ হলো—‘যথাযথভাবে বুঝলে ক্ষমতা হলো লক্ষ্য অর্জনের শক্তি। এটা সেই শক্তি, যা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার জন্য প্রয়োজন’ —মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
পোস্টটিতে ইশরাক হোসেনের একটি ছবি যুক্ত করেছেন ব্যারিস্টার নুসরাত খান। উল্লেখ্য, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ১৯৬৭ সালের ১৬ আগস্ট জর্জিয়ার আটলান্টায় ‘সাউদার্ন ক্রিশ্চিয়ান লিডারশিপ কনফারেন্স’-এ ‘হোয়ার ডু উই গো ফ্রম হিয়ার?’ শীর্ষক ভাষণে এই কথাগুলো বলেছিলেন।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে যাতে দল (বিএনপি) কিংবা সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ে এবং সরকারের মূল উন্নয়নমূলক কাজগুলো আড়ালে চলে না যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের জন্য ক্ষমতা ছাড়তে পারি, কিন্তু ক্ষমতার জন্য ইসলাম নয়, এই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তিনি সোমবার রাত ৯টায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া শহীদ জিয়া মাঠে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির ভাণ্ডারিয়া সাংগঠনিক জেলা শাখা আয়োজিত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মাহফিলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা মুহাম্মদ সোলাইমান মিয়া, যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য আলেম-ওলামারা।
বিশেষ অতিথি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মাহফিল বন্ধের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি এতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন আকন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম মল্লিক জমাদ্দারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পরে মাহফিলের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ সোলাইমান মিয়া বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বক্তব্যের ভুল স্বীকার করেন। তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, বিশেষ অতিথি প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে মাহফিল বন্ধের চেষ্টার যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সার্বিক সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে মাহফিলটি সম্পন্ন হয়েছে।
মাহফিলের সমাপ্তি ঘটে প্রধান অতিথি মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে পরাজিত করেছে সেদিকুল্লাহ আতালের অসাধারণ সেঞ্চুরি ও রশিদ খানের কার্যকরী বোলিংয়ের মাধ্যমে। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রানে অলআউট হয়। জিম্বাবুয়ের সামনে ২৯৫ রানের লক্ষ্য থাকলেও, রশিদের ৪ উইকেটের শিকার হয়ে তারা মাত্র ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায়। এটি আফগানিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম জয়।
আফগানিস্তানের ইনিংসে আতালের অবদান ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তিনি ১১০ বলে ৮টি চার ও একটি ছক্কায় ১০২ রান সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরানের ৯০ রানের ইনিংসও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জাদরান ৯৬ বলে ৯টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান। এই দুই ব্যাটারের জুটিতে আফগানিস্তান একটি বড় সংগ্রহ গড়ার ভিত্তি পায়। যদিও শেষের দিকে জিম্বাবুয়ের বোলাররা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন, তবুও আফগানরা ২৯৪ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্র্যাড ইভান্স ও আর্নেস্ট মাসুকু তিনটি করে উইকেট নেন। তবে ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে। একের পর এক উইকেট হারানোর ফলে রান তোলার গতি থেমে যায়। সিকান্দার রাজা ৮০ বলে ৪৮ রান করে কিছুটা লড়াই করলেও, তার সঙ্গে বড় কোনো জুটি গড়ে ওঠেনি। রায়ান বার্ল ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের ইনিংস ১৩৬ রানে শেষ হয়।
বল হাতে আফগানিস্তানের প্রধান নায়ক ছিলেন রশিদ খান। তিনি ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। মোহাম্মদ নবী একটি উইকেট নেন। জিম্বাবুয়ের শেষ চার উইকেটের তিনটিই রশিদ তুলে নেন, ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত আফগানিস্তানের হাতে চলে আসে।
অবশেষে ১৫৮ রানের বিশাল জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তান তাদের শক্তি প্রদর্শন করল। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের জয় পাওয়ার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো জিম্বাবুয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ