মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ এম
ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বচ্ছতা রক্ষার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এই ঘটনার পরপরই, মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তার স্ত্রী ব্যারিস্টার নুসরাত খান।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের উদ্ধৃতিটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, 'Power properly understood is nothing but the ability to achieve purpose. It is the strength required to bring about social, political and economic change.'
— Martin Luther King Jr.
উদ্ধৃতিটির বাংলা অর্থ হলো—‘যথাযথভাবে বুঝলে ক্ষমতা হলো লক্ষ্য অর্জনের শক্তি। এটা সেই শক্তি, যা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার জন্য প্রয়োজন’ —মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
পোস্টটিতে ইশরাক হোসেনের একটি ছবি যুক্ত করেছেন ব্যারিস্টার নুসরাত খান। উল্লেখ্য, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ১৯৬৭ সালের ১৬ আগস্ট জর্জিয়ার আটলান্টায় ‘সাউদার্ন ক্রিশ্চিয়ান লিডারশিপ কনফারেন্স’-এ ‘হোয়ার ডু উই গো ফ্রম হিয়ার?’ শীর্ষক ভাষণে এই কথাগুলো বলেছিলেন।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে যাতে দল (বিএনপি) কিংবা সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ে এবং সরকারের মূল উন্নয়নমূলক কাজগুলো আড়ালে চলে না যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের জন্য ক্ষমতা ছাড়তে পারি, কিন্তু ক্ষমতার জন্য ইসলাম নয়, এই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তিনি সোমবার রাত ৯টায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া শহীদ জিয়া মাঠে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির ভাণ্ডারিয়া সাংগঠনিক জেলা শাখা আয়োজিত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মাহফিলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা মুহাম্মদ সোলাইমান মিয়া, যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য আলেম-ওলামারা।
বিশেষ অতিথি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মাহফিল বন্ধের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি এতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন আকন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম মল্লিক জমাদ্দারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পরে মাহফিলের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ সোলাইমান মিয়া বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বক্তব্যের ভুল স্বীকার করেন। তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, বিশেষ অতিথি প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে মাহফিল বন্ধের চেষ্টার যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সার্বিক সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে মাহফিলটি সম্পন্ন হয়েছে।
মাহফিলের সমাপ্তি ঘটে প্রধান অতিথি মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে পরাজিত করেছে সেদিকুল্লাহ আতালের অসাধারণ সেঞ্চুরি ও রশিদ খানের কার্যকরী বোলিংয়ের মাধ্যমে। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রানে অলআউট হয়। জিম্বাবুয়ের সামনে ২৯৫ রানের লক্ষ্য থাকলেও, রশিদের ৪ উইকেটের শিকার হয়ে তারা মাত্র ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায়। এটি আফগানিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম জয়।
আফগানিস্তানের ইনিংসে আতালের অবদান ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তিনি ১১০ বলে ৮টি চার ও একটি ছক্কায় ১০২ রান সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরানের ৯০ রানের ইনিংসও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জাদরান ৯৬ বলে ৯টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান। এই দুই ব্যাটারের জুটিতে আফগানিস্তান একটি বড় সংগ্রহ গড়ার ভিত্তি পায়। যদিও শেষের দিকে জিম্বাবুয়ের বোলাররা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন, তবুও আফগানরা ২৯৪ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্র্যাড ইভান্স ও আর্নেস্ট মাসুকু তিনটি করে উইকেট নেন। তবে ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে। একের পর এক উইকেট হারানোর ফলে রান তোলার গতি থেমে যায়। সিকান্দার রাজা ৮০ বলে ৪৮ রান করে কিছুটা লড়াই করলেও, তার সঙ্গে বড় কোনো জুটি গড়ে ওঠেনি। রায়ান বার্ল ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের ইনিংস ১৩৬ রানে শেষ হয়।
বল হাতে আফগানিস্তানের প্রধান নায়ক ছিলেন রশিদ খান। তিনি ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। মোহাম্মদ নবী একটি উইকেট নেন। জিম্বাবুয়ের শেষ চার উইকেটের তিনটিই রশিদ তুলে নেন, ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত আফগানিস্তানের হাতে চলে আসে।
অবশেষে ১৫৮ রানের বিশাল জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তান তাদের শক্তি প্রদর্শন করল। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের জয় পাওয়ার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো জিম্বাবুয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আয়োজিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্থানীয় প্রতিনিধি ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। মাদক কারবারিদের অর্থ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, কথিত ‘ক্যাশিয়ার’ রাখা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা করার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করা হয়েছে।
সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহরাম আলী অভিযোগ করেন, অনেক সময় মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করার পর অর্থ নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চিকিৎসক কমল কদর দাবি করেন, মাদক কারবারিরা থানার কথিত এক ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কথা বলে থাকে। তবে এসব দাবির সপক্ষে সভায় কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ বা নথি উপস্থাপন করা হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, থানায় তথাকথিত কোনো ‘ক্যাশিয়ার’ বা অর্থ সংগ্রাহক নেই। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থানে থেকে কাজ করছে।
সভায় আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল সারবোঝাই ট্রাকের কাগজপত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মো. আইয়ুব আলীর গ্রেপ্তার ও মামলা। উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মোরসালিন অভিযোগ করেন, কৃষি দপ্তরের পরামর্শে সার পরিবহনের সঠিকতা যাচাই করতে গেলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, সারগুলো নিলামে কেনা হয়েছিল এবং স্থানান্তরের বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও চলাচলে বাধা দেওয়ায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সভায় সীতাকুণ্ড মডেল থানা, বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা ও কোস্ট গার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের অনুপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সংঘাতের বিষয়গুলো তদন্তের আহ্বান জানান।
কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের বাধ্যতামূলক উপস্থিত করানোর আইনি সুযোগ নেই। তবে অনুপস্থিতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
সভায় সম্প্রতি সলিমপুর এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ডাকাতি, বৈদ্যুতিক সার্ভিস তার ও কৃষিসরঞ্জাম চুরির ঘটনা নিয়েও গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা। সচেতন মহলের মতে, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সুনির্দিষ্ট তথ্যভিত্তিক তদন্ত, পুলিশের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সব সংস্থার পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কেবল এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন প্রতিমন্ত্রী হয়েও কেন জনাব ইশরাক হোসেনকে নিজেই অস্ত্র হাতে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হলো। সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাব চাওয়া অত্যন্ত জরুরি। গতকাল সোমবার তার ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, এর পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব যেসব প্রতিষ্ঠানের, তারা যদি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করত, তাহলে একজন প্রতিমন্ত্রীকে কেন সরাসরি এভাবে মাঠে নামতে হবে? এই পরিস্থিতির দায় কি শুধুমাত্র ইশরাক হোসেনের, নাকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতারও দায় রয়েছে? যদি মাদক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যর্থতার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপরও বর্তায়। এনসিপির এই নেতা লেখেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়াই যদি সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কীভাবে?
রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর থাকলে একজন প্রতিমন্ত্রীকে কেন নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে? একই ধরনের প্রশ্ন দেখা যায় যখন প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে গিয়ে টয়লেট পরিদর্শন করতে হয়। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও তদারকি ব্যবস্থা রয়েছে। সেই ব্যবস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করলে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি এসব বিষয় পরিদর্শনে যেতে হতো কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এটি কেবল একটি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার বিষয় নয়; বরং দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা কার্যকরভাবে কাজ করছে, তারও প্রশ্ন। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি প্রধানমন্ত্রীকে নিজে তদারকি করতে হয়, প্রতিমন্ত্রীকে নিজে রাস্তায় নেমে মাদক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিতে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি এভাবেই পরিচালিত হতে থাকে এবং একসময় জনগণই যদি পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে, তখন সরকার কী করবে? তখন কাকে পদত্যাগ করিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করবে? ব্যক্তিকে সরিয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে সংকট সামাল দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার সমাধান হয় না। রাষ্ট্রকে কার্যকর করতে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে, ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, একজনকে সরিয়ে দিয়ে সমস্যার মূল জায়গাটি আড়াল করা ছাড়া আর কিছুই অর্জিত হবে না। দিনশেষে ঘের দখল, দুর্নীতি ও ঘুষের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের ব্যর্থতার বলি ইশরাক হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ