প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার নাম লিখে দিলো মাত্র একটি গোল। এই এক গোলের মাধ্যমেই ফেরান তোরেস আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি ‘লর্ড তোরেস’ থেকে মুহূর্তের মধ্যে হয়ে উঠেছেন দলের প্রধান নায়ক।
ফাইনালের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে আসা বল ধরতে পেয়ে, বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে তিনি জালে পাঠান তোরেস। গোলের পর তার উদযাপনও ছিল ব্যতিক্রমী। কর্নার ফ্ল্যাগের দিকে ছুটে গিয়ে সেটিতে লাথি মারেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে সতীর্থরা এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন, কারণ এই গোলটি শুধু জয়সূচক ছিল না, বরং নিজের শক্তি প্রমাণের সুযোগও।
বিশ্বকাপের শুরুতে তোরেস সম্পর্কে প্রচুর প্রশ্ন ছিল। স্ট্রাইকার হিসেবে দলে থাকলেও টুর্নামেন্টের ফাইনালের আগে তার গোল ছিল না। পর্তুগালের বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট ছাড়া তার অবদান ছিল নিঃশব্দ। কেপ ভার্ডের বিপক্ষে গোল না পাওয়ার কারণে তাকে একাদশ থেকে বাদও পড়তে হয়েছিল।
সমর্থকদের মধ্যে একজন অংশ তাকে ‘লর্ড তোরেস’ নামে কটাক্ষ করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় মঞ্চে গিয়ে নিজেকে প্রমাণ করলেন তিনি।
ফাইনালে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন তোরেস। এরপর, ৬২ মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবালের বদলি হিসেবে খেলতে নামতে হয়। এরপরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ পুরো ম্যাচে একাধিক দুর্দান্ত সেভ করলেও, তোরেসের সেই গোল ঠেকাতে পারেননি। পরে আরও একটি গোল করার সুযোগ পেলেও, সেটি অফসাইডে বাতিল করা হয়। তার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও লাভ করেন তোরেস।
তোরেস শুধু স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতাননি, নতুন একটি রেকর্ডও গড়েছেন। বদলি হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় তিনি পঞ্চম। ২০১৪ সালের ফাইনালে জার্মানির মারিও গোটজের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বদলি হয়ে ফাইনালে গোল করলেন এই স্প্যানিশ তারকা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন