শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৬ পি.এম
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে ড্রাম ট্রাক এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দুইজনের মৃত্যু ঘটে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের বীরউজলী বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শামীম মিয়া (৪৫) নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি সিএনজিচালক হিসেবে কাজ করতেন। নিহত অন্য ব্যক্তির পরিচয় এখনও পুলিশ জানাতে পারেনি।
সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুর রহমান জানান, কাপাসিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিশোরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বীরউজলী বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ড্রাম ট্রাক এবং সিএনজি সড়কের পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু ঘটে।
তিনি আরও জানান, অজ্ঞাত আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় মোট চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাট কিনে নৌকা নিয়ে ফেরার সময় ভারতের সীমান্তে চলে যাওয়ার কারণে আটক হওয়া পাঁচ বাংলাদেশিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১১ দিন পর ফেরত দিয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়।
সূত্র থেকে জানা গেছে, ৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাঘা সীমান্তের বাংলাবাজার এলাকা থেকে পাট কিনে ফেরার সময় ভুলবশত ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুই মাঝিসহ তিনজন পাট ব্যবসায়ী। এ সময় বিএসএফ তাদের নৌকায় থাকা পাটসহ পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর জানানো হয় যে, তাদের ফেরত দেওয়া হবে না এবং সরকারিভাবে আবেদন করতে হবে।
এরপর আটকদের পরিবারের সদস্যরা রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আটকদের পরিবারের কাছে তাদের ফেরত আনার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বাংলাদেশ বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে ১১ দিন পর বিএসএফ তাদের ফেরত দেয়।
মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—বাঘা উপজেলার আলাইপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোশারফ হোসেন (২২), ইউনুস মণ্ডলের ছেলে শাহাবুল আলী (৪২), শাজাহান আলীর ছেলে বাবর আলী (৪৫) এবং একই এলাকার নৌকার মাঝি জামাল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম (৪১) ও সামাদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৮)।
বিএসএফের হাত থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত মোশারফ হোসেনের পিতা গোলাম মোস্তফা বলেন, "এমপি ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এর আগে তিনি ফিরে আনার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন।"
এদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলামের ভাই সাহারুল ইসলাম জানান, "আমার ভাইসহ পাঁচজন ভারতের রানীনগর থানায় ছিল। ১১ দিন সেখানে থাকার পর মুক্তি পেয়ে আমাদের কাছে এসেছেন।"
আলাইপুর বিওপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মাকসুদুর রহমান বলেন, "বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা (বিএসএফ) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টিকে কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে আমাদের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।"
এ বিষয়ে রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, "রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা হয়। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দেওয়ার পর তাদের ফেরত আনার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকা আটক সাইদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকাসহ সৈয়দ সাইদুল ইসলাম সাগর (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ।
*বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে*, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বাধীন বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউনিয়া থানাধীন কাউনিয়া ১ নম্বর গলি দীঘির পাড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সৈয়দ সাইদুল ইসলাম সাগরের হেফাজত থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক সাইদুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় পূর্বশত্রুতার কারণে সংঘটিত এক মারামারিতে পাঁচ কিশোর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ওয়ারী থানাধীন গ্রেজুয়েট কলেজ গলি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহত কিশোরদের মধ্যে রয়েছেন আয়মান (১৬), মুন শিকদার (১৮), ইমরান হোসেন (১৭), সাকিব (১৭) ও পাপ্পু হোসেন (১৭)। তারা সকলেই স্কুল শিক্ষার্থী এবং অষ্টম থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আহতদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, আহতদের অবস্থা গুরুতর নয়।
আহত পাপ্পু জানান, তিনি সেখানে আড্ডা দিচ্ছিলেন, সেই সময় ১০ থেকে ১২ জন এসে তাকে মারধর করতে শুরু করে। পরে পিঠে ছুরিকাঘাত করে তার মোবাইল নিয়ে যায়।
আহত শাকিব বলেন, "আমি ওইখান দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলাম। সে সময় টোকাই অপুসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জন কিশোর মারামারি করছিল।" সেখান দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণরত এক ভারতীয় পর্যটকের ব্যয় সংক্রান্ত তুলনা নিয়ে নেট দুনিয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আকৃতি পান্ডে নামের ওই নারী ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওতে ব্যয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। ভিডিওর ক্যাপশনে আকৃতি উল্লেখ করেছেন, "রুপিতে আয় করে ডলারে খরচ করা এবং প্রতিটি খাবার ও ক্যাব ভাড়ার হিসাব রূপান্তর করা মানসিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
আকৃতি পান্ডে তার উদ্বেগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, "প্রতিটি খরচ ডলার থেকে ভারতীয় রুপিতে রূপান্তর করার কারণে ট্রিপটি আমার কাছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং মানসিক চাপপূর্ণ মনে হয়েছে।" ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, "ভারতীয়দের জন্য পৃথিবীটা এখন অনেক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "সম্প্রতি মালয়েশিয়ান রিংগিত এবং থাই বাথের সঙ্গে ভারতীয় রুপির তুলনা করার পর, এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আরো বেশি ব্যয়বহুল মনে হচ্ছে।" তিনি জানান, "এক মার্কিন ডলারের মূল্য প্রায় ৯৩ থেকে ৯৫ রুপির সমান এবং এই ট্রিপটি আমাকে নিজের জীবন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করছে।"
আকৃতি তার যাতায়াত খরচের কথাও উল্লেখ করেন এবং জানান যে, কিছু পরিস্থিতিতে গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রায় অস্তিত্বহীন মনে হয়েছে। তিনি শেয়ার করেন, "মধ্যরাতে পৌঁছানোর কারণে যাতায়াত খরচ অনেক বেশি হয়ে গিয়েছিল এবং শুধুমাত্র হোটেলে পৌঁছানোর জন্য আমাকে ৬৭ ডলার (প্রায় সাড়ে ৬ হাজার রুপি) দিতে হয়েছিল।" খাবার ও কফির দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, "এখন কফি খাওয়া বন্ধ করার এটাই উপযুক্ত সময় বলে মনে হচ্ছে।" কারণ, "একটি সাধারণ দোকানে সাধারণ কফির দামও প্রায় তিন থেকে চার ডলার।" অথচ ভারতে মানুষ এই একই দামে বাদামের দুধসহ চমৎকার কফি বিন পেয়ে যেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, "আমি এবং আমার সঙ্গীরা সকালের নাশতায় দোসা খেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বে এরিয়াতে তিনটি দোসার জন্য আমাদের ৫৭ ডলার খরচ করতে হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৩০০ রুপির সমান।" বিদেশ ভ্রমণের সময় খরচ ভারতীয় রুপিতে রূপান্তর না করার জন্য যাঁরা ভ্রমণকারীদের পরামর্শ দেন, আকৃতি তাঁদের উদ্দেশেও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, "রুপিতে আয় করা একজন ব্যক্তি ডলারে খরচ করার সময় কিভাবে হিসাব রূপান্তর করা এড়িয়ে যেতে পারেন?" তিনি আরও যোগ করেন, "কম্পানির অর্থায়নে বা স্পন্সরশিপের মাধ্যমে খরচ মেটানো হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ অনেক সহজ হয়ে যায়।" অন্যথায়, এটি আর্থিক উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, "অন্যরাও কি একই ধরণের অর্থ-সংক্রান্ত মানসিক চাপের মুখোমুখি হন?" এবং যোগ করেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত আমার বন্ধুরা সম্ভবত আমার এই উদ্বেগ দেখে হাসবেন।" আকৃতি পান্ডের এই ভাইরাল ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকে আকৃতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন এবং তাঁর এই আর্থিক উদ্বেগকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন।
অনেকে মন্তব্য করেছেন যে, রুপিতে আয় করে ডলারে খরচ করার সময় হিসাব রূপান্তর করাটা একটি মানসিক অভ্যাস। যখন দেখা যায় যে একটি সাধারণ খাবারের দাম ভারতে কয়েকদিনের খরচের সমান, তখন মনে চাপ পড়াটা স্বাভাবিক। বেশ কিছু নেটিজেন আকৃতিকে অর্থনীতি বা ক্রয়ক্ষমতার সমতা বোঝার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের গড় আয় এবং জীবনযাত্রার মান ভারতের মতো নয়। তাই সেখানকার আয়ের ভিত্তিতে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়।
অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কেন তাঁকে ভারতীয় খাবার দোসা'ই খেতে হবে? নেটিজেনদের একাংশের মতে, আমেরিকায় ভারতীয় খাবার বা দোসা একটি বিদেশি খাবার, যা সেখানে বিলাসী খাবার হিসেবে গণ্য হয় এবং সে কারণে তার দাম বেশি। এর চেয়ে আমেরিকার স্থানীয় খাবার যেমন বার্গার, ফ্রাই বা পিৎজা খেলে খরচ অনেক কম হতো।
কিছু নেটিজেন কিছুটা কঠোরভাবে মন্তব্য করেছেন যে, যদি ডলারে খরচ করার সামর্থ্য বা মানসিক প্রস্তুতি না থাকে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ব্যয়বহুল দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করাই উচিত নয়। একজন ব্যবহারকারী সরাসরি লেখেন, ‘গরিব হলে ইউএসএ যাওয়ার দরকার নেই।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘উনি কি ভেবেছিলেন এটা ইন্ডিয়া?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ