ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যেসব খাবার অ্যাজমার সমস্যা বাড়াতে পারে


যেসব খাবার অ্যাজমার সমস্যা বাড়াতে পারে

অ্যাজমার সমস্যার বিষয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে—কিছু খাবার কি তাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে বৃদ্ধি করতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে, খাবার সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়। তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার সংবেদনশীল লোকেদের ক্ষেত্রে উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে। আবার, কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। অতএব, কোন খাবার উপকারী এবং কোনটি এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে সচেতন থাকলে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে।

অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালীর রোগ, যেখানে শ্বাসনালীতে প্রদাহ এবং সংকোচনের কারণে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা হয়। যদিও খাদ্যাভ্যাস এই রোগের কারণ নয়, কিছু মানুষের জন্য নির্দিষ্ট খাবার উপসর্গের ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যাদের সালফাইটে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের শুকনো ফল, ওয়াইন বা কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ করার সময় সতর্ক থাকা উচিত। একইভাবে, প্রিজারভেটিভযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন হট ডগ, সসেজ, হ্যাম, পেপারোনি বা টিনজাত মাংস—এগুলোকে সীমিত পরিমাণে খাওয়াই উত্তম। অতিরিক্ত, যেসব খাবারে ব্যক্তি নিজে অ্যালার্জি অনুভব করেন, যেমন দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ, সেগুলোও নিরাপদভাবে এড়িয়ে চলা উচিত।

চিকিৎসকদের মতে, যদি কেউ নিজের অ্যাজমার ট্রিগারগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো থেকে দূরে থাকেন, তবে রোগ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হয়।

আরও পড়ুন: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ৮ দর্শনীয় স্থান

আরও পড়ুন: কানের ভেতর ভনভন শব্দ, কী এই ‘গ্লোবাল হাম’? খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষা কী বলছে? ২০২০ সালে Nutrition Reviews সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, উদ্ভিদভিত্তিক স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শরীরের প্রদাহ ও জারণজনিত চাপ কমাতে এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। ফলস্বরূপ, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব প্রদান করতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফল ও শাকসবজি খাওয়া, প্রাণিজ খাবার তুলনামূলকভাবে কম গ্রহণ করা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া কমাতে সহায়ক।

ফুসফুসের সুস্থতায় উপকারী খাবারসমূহের মধ্যে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখা অত্যন্ত হিসাবী। বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি ও গাজর এর মধ্যে ইঙ্গিত দেওয়া যেতে পারে, যেগুলো প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, স্যামন, সার্ডিন, আখরোট ও ফ্ল্যাক্স সিডের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবারও ফুসফুসের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।

এছাড়া ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, পূর্ণ শস্য, ডাল এবং ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার—যেমন বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও কুমড়ার বীজ—সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেও ধারণা করা যেতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস কখনোই অ্যাজমার চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ ও নিয়মিত ফলোআপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: মেঘমুক্ত আকাশে পঞ্চগড় থেকে দৃশ্যমান কাঞ্চনজঙ্ঘা, উচ্ছ্বসিত প্রকৃতিপ্রেমীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেপ ভার্দের জাল কাঁপিয়ে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ এম


কেপ ভার্দের জাল কাঁপিয়ে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

কেপ ভার্দের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিওনেল মেসির চোখধাঁধানো গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ঠান্ডা মাথার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা আরও সমৃদ্ধ করলেন মেসি। পাশাপাশি চলতি আসরেও দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন আর্জেন্টিনার এই মহাতারকা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তবে কেপ ভার্দের শক্ত রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয় স্কালোনির দলকে। একাধিক আক্রমণ ঠেকিয়ে ম্যাচে টিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যায় আফ্রিকার দলটি।

এদিন মাঠে নেমেই আরও একটি ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান মেসি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার নতুন মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি শুরুর একাদশে থাকার ক্ষেত্রেও অনন্য রেকর্ড গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মাদককে না বলি, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি এই শ্লোগানকে সামনে রেখে

লোহাগড়ায় মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ এম


লোহাগড়ায় মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সভা

মাদককে না বলি, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখের শুক্রবার বিকালে গোপিনাথপুর শিমুল চত্বর খেলার মাঠে গোপিনাথপুর ব্যাপারীপাড়া সার্বিক উন্নয়ন কমিটির আয়োজনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন মসজিদের ইমাম মোঃ হাবিবুল্লাহ।

বক্তব্য রাখেন লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিয়ার রহমান সান্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ সাইফুল্লাহ মামুন, মোঃ জহিরুল ইসলাম, শিক্ষক মুরাদ উদ দ্দৌলা, মাওলানা আলমগীর হুসাইন, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মোজাম খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর আহবায়ক সাইদ আলম শিপলু, ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া, আফছার উদ্দিন, এসআই সন্দীপ, শিক্ষক শাহিন আলম। সভাটি পরিচালনা করেন কেএম জীবন জিয়া।

সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, যুবসমাজকে বাচাতে হলে এলাকা মাদকমুক্ত করতে হবে। তারা বলেন, মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বক্তারা জানান, আগামী প্রজন্মকে একটি সুস্থ্য সমাজ উপহার দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানের ভেতর ভনভন শব্দ, কী এই ‘গ্লোবাল হাম’?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ এম


কানের ভেতর ভনভন শব্দ, কী এই ‘গ্লোবাল হাম’?

 

আমরা আমাদের আশপাশের অনেকেকেই বলতে শুনি, তাদের কানের ভেতর কেমন একটা ভনভন শব্দ হয়। গত প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষগুলি এই অদ্ভুত এবং রহস্যময় শব্দের সম্মুখীন হচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের বর্ণনা অনুযায়ী, এটি এক ধরনের ‘অবিরত গুঞ্জন বা ভনভন’ শব্দ। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, যিনি এটি শুনছেন, তার আশেপাশের অন্য কেউই এই শব্দ শুনতে পারেন না।

বিশ্বজুড়ে ‘গ্লোবাল হাম’ নামে পরিচিত এই ঘটনাটি দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানের অন্যতম জটিল রহস্য হয়ে ছিল। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণা এই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। গবেষণাটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই শব্দের উৎস বাইরের কোনো পরিবেশ নয় বরং এটি মানুষের নিজস্ব শ্রবণতন্ত্রের ভেতর থেকেই তৈরি হতে পারে।

জার্মান সেন্টার ফর ভার্টিগো অ্যান্ড ব্যালেন্স ডিসঅর্ডার্স এবং নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকদের একটি যৌথ উদ্যোগে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। সম্প্রতি বিজ্ঞান সাময়িকী পিএলওএস ওয়ান-এ তাদের এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ‘গ্লোবাল হাম’ আসলে বাইরের পরিবেশ থেকে আসা কোনো বাস্তব শব্দ নয়। এটি মূলত ‘লো-ফ্রিকোয়েন্সি টিনিটাস’ বা কম কম্পাঙ্কের এক ধরনের বিরল কানের রোগ হতে পারে।

সাধারণত টিনিটাস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কানে বিভিন্ন ধরনের কাল্পনিক বা ‘ফ্যান্টম সাউন্ড’ শুনতে পান—যার মধ্যে রয়েছে ভনভন করা, গর্জন, ক্লিক বা হিসহিস শব্দ। আমেরিকার মেয়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা, যা বিশ্বের প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ মানুষকে প্রভাবিত করে। সাধারণত বয়স্কদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

তবে এই গুঞ্জনটি প্রথম বড় আকারে আলোচনায় আসে ১৯৭০-এর দশকে। সে সময় ব্রিটেনের ব্রিস্টল শহরের বাসিন্দারা প্রায় ৫০ হার্টজের একটি কম কম্পাঙ্কের শব্দ শোনার কথা জানান।

এর কয়েক বছর পর অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং উত্তর আমেরিকার বেশ কিছু এলাকা থেকেও একই ধরনের অভিযোগ আসতে শুরু করে। আক্রান্ত ব্যক্তিরা জানান, তারা একটানা একটি নিচু স্তরের গর্জন বা গুঞ্জন শুনতে পাচ্ছেন, অথচ তাদের পাশে থাকা ব্যক্তিটি কিছুই টের পাচ্ছেন না।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, শব্দটি নির্দিষ্ট কিছু স্থানে (যেমন রাতে শোবার ঘরে) প্রকট হয়ে ওঠে এবং অন্য জায়গায় গেলে মিলিয়ে যায়। ফলে এর উৎস খুঁজে বের করা বিজ্ঞানীদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

শব্দের উৎস খুঁজতে পরিবেশের দিকে নজর না দিয়ে গবেষকরা এবার নজর দেন ভুক্তভোগী মানুষদের ওপর। এই গবেষণার জন্য এমন ২৮ জন স্বেচ্ছাসেবীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যারা নিয়মিত এই রহস্যময় শব্দ শোনার দাবি করতেন। মূলত দুটি প্রধান সম্ভাবনা যাচাই করতে তাদের ওপর বিভিন্ন পরীক্ষা চালানো হয়:

১. প্রথম সম্ভাবনা: এই ব্যক্তিরা কি সাধারণ মানুষের চেয়ে কম কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল?

২. দ্বিতীয় সম্ভাবনা: তারা কি তাদের কানের ভেতরেই তৈরি হওয়া কোনো শব্দ শুনছেন? যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘কক্লিয়ার এমিশন’ বলা হয়। এটি মূলত মানুষের কানের ভেতর থেকে তৈরি হওয়া অত্যন্ত মৃদু একটি শব্দ, যা সাধারণ মানুষ সাধারণত টের পায় না।

গবেষণার ফলাফল বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাহ্যিক কোনো পরিবেশগত ত্রুটি নয়, বরং মানুষের শ্রবণতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ এই জটিলতাই ‘গ্লোবাল হাম’ অনুভূতির আসল কারণ।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন গোলদাতা মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ এম


বিশ্বকাপে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন গোলদাতা মেসি

কেপ ভার্দের বিপক্ষে চলমান বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে গোল করে আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০-এ, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সাথে টানা আটটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার বিরল রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

এই গোলের সুবাদে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করা সবচেয়ে বেশি বয়সী দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলারও হয়েছেন মেসি। ৩৯ বছর ৯ দিন বয়সে গোল করে তিনি ভেঙেছেন উরুগুয়ের ওবদুলিও ভারেলার রেকর্ড। ভারেলা ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ৩৬ বছর বয়সে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির সপ্তম গোল। ফলে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিনি আরও এগিয়ে গেলেন। বর্তমানে তার গোলসংখ্যা ২০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের গোল ১৮টি এবং তৃতীয় স্থানে থাকা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসের গোল ১৬টি।

বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা:

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) — ২০ গোল (৩০ ম্যাচ)

কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) — ১৮ গোল (১৮ ম্যাচ)

মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) — ১৬ গোল (২৪ ম্যাচ)

রোনালদো নাজারিও (ব্রাজিল) — ১৫ গোল (১৯ ম্যাচ)

গার্ড মুলার (জার্মানি) — ১৪ গোল (১৩ ম্যাচ)

জুস্ত ফন্টেইন (ফ্রান্স) — ১৩ গোল (৬ ম্যাচ)

পেলে (ব্রাজিল) — ১২ গোল (১৪ ম্যাচ)

চলতি আসরের প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন মেসি। এরপর অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষেও গোল করেন তিনি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করে টুর্নামেন্টে নিজের দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

মেসির টানা আট বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার যাত্রা শুরু হয় ২০২২ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এরপর নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান এবং সর্বশেষ কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যোগ করলেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%