বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:২০ পি.এম
হবিগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ৭ জন। এর মধ্যে রয়েছে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসূখা ব্রিজের এলাকায় দুই মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত দুই জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আঞ্চলিক সড়কে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোয় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় ধুলীয়াখাল পয়েন্টে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়। আশঙ্কাজন অবস্থায় দুই জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, দুপুরে সদর উপজেলার ধুলিয়াখাল পয়েন্টে ব্যাটারি চালিত টমটম এবং বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে। ধুলিয়াখাল পয়েন্ট এলাকায় দ্রুতগতিতে চলাচলের সময় টমটম এবং মর্ডান পরিবহনের বাসটির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে টমটমটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয় এবং আরও পাঁচজন আহত হয়।
এছাড়া, দিনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাস ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকচালক মো. আলমগীর মিয়া (৪০) প্রাণ হারান। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে ঢাকাগামী লিমন পরিবহনের একটি বাস আউশকান্দি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক আলমগীর মিয়ার মৃত্যু হয়। আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ৩০ বছরের বেশি বয়সী সেনাসদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পরীক্ষা চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন এ নীতির উদ্দেশ্য হলো সেনাদের যুদ্ধ সক্ষমতা এবং শারীরিক প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা, বলছেন তিনি। তবে, নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রে এই নীতি কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে।
নতুন নীতির আওতায়, টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা সেনাবাহিনীর নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হবে। ৩০ বছরের কম বয়সী সেনাসদস্যরা চাইলে স্বেচ্ছায় এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।
এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় হেগসেথ উল্লেখ করেছেন যে, সেনাসদস্যদের প্রতিদিন সর্বোচ্চ মানসিক এবং শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়। নতুন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের শরীরে প্রয়োজনীয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি কারও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার নিচে থাকে, তাহলে তিনি চাইলে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নিতে পারবেন। তবে, কেউ যদি এই চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
এই সিদ্ধান্ত নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তৈরি করেছে। কারণ নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে পুরুষদের তুলনায় অনেক কম টেস্টোস্টেরন থাকে। তবে তাদের জন্য আলাদা কোনো নীতি থাকবে কি না, সে বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বা পেন্টাগন এখনো কিছু জানায়নি।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান প্রমিলা জয়াপাল এই কর্মসূচিকে জেন্ডার অ্যাফার্মিং কেয়ারের একটি রূপ হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন। তার মতে, এই পদক্ষেপ রিপাবলিকানদের পূর্ববর্তী অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
পিট হেগসেথ, তবে, এই কর্মসূচিকে সেনাদের সহনশীলতা, কর্মদক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য সেনাবাহিনীকে আরও যুদ্ধপ্রস্তুত করে তোলা এবং বাহিনী থেকে তথাকথিত ‘ওয়োক’ সংস্কৃতি দূর করা।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই হেগসেথ একাধিক বিতর্কিত সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতি স্থগিত, কয়েকজন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং বাহিনীর নীতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় দায়িত্বে থাকা নারী সেনাসদস্যের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৪১ জন, যা মোট সক্রিয় বাহিনীর ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, অতীতে পরিকল্পিতভাবে মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুর করে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করা হতো। কিন্তু গত দুই বছরে দেশে কখনো একটি মন্দিরেও হামলার ঘটনা ঘটেনি, এই দাবি তিনি করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকার ধামরাই পৌর এলাকার কায়েতপাড়ায় শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম মনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আগে পূজার সময় বা বিভিন্ন সময়ে কোনো না কোনো মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হতো, প্রতিমার হাত-পা ভেঙে দেওয়া হতো। এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে করা হতো। কিন্তু গত দুই বছরে একটি মন্দিরেও হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমাদের সংখ্যালঘু ভাইদের বলি, কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি এবং অনেকে মন্দির পাহারাও দিয়েছেন।
তিনি নিজ জেলা বরগুনার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে হিন্দু ও রাখাইনসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং সেখানেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনীতি করার প্রবণতা সফল হয়নি বলে তার মন্তব্য।
চিফ হুইপ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই দেশের সকল নাগরিক সমান অধিকার পাবেন। হিন্দু যেমন সুবিধা পাবেন, মুসলমানও তেমন সুবিধা পাবেন। সবাই মিলে দেশ গঠন করতে হবে।
রথযাত্রা উপলক্ষে বিকেল ৫টার দিকে মাধব মন্দিরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে শ্রী শ্রী যশোমাধবের বিগ্রহ রথে স্থাপন করা হয়। পরে রথখোলা মঞ্চে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ মন্দির কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস এবং সঞ্চালনা করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত বণিক।
অনুষ্ঠানের শুভক্ষণ শেষে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পুরোহিতের হাতে প্রতীকী রশি তুলে দেন। এরপর ভক্তরা পাটের রশি ধরে রথ টেনে শ্রী শ্রী যশোমাধবকে যাত্রাবাড়ী মন্দিরে নিয়ে যান। সেখানে নয় দিন অবস্থানের পর আগামী ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে বিগ্রহটি পুনরায় মাধব মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে জুলাই শহিদ দিবস পালিত হয়েছে। আয়োজনগুলোর মধ্যে ছিল, জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা এবং জুলাই শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া।
বৃহস্পতিবার দিনাজপুর জিমনেমিয়ামের সামনে স্থাপিত জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে julho শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মখলেসুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. গোলাম রাসুল রাখি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মুকশেদ আলী মঙ্গলিয়া, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দীন আল আজাদ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী, এনসিপি জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ জামান, জেলা জাসাসের আহবায়ক আখতারুজ্জামান আখতার, শহিদ সুমন পাটোয়ারির বাবা, জুলাই শহিদ রুদ্রের বাবা সবীর চন্দ্র, ছাত্র প্রতিনিধি মেশকাত আরেফিন শাকিল এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ফরিজার রহমান তপু, "আমরা জুলাই যোদ্ধা" জেলা শাখার আহবায়ক মোঃ শাহিন প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, যে কোন মূল্যে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে। জুলাই চেতনা যাতে কোন ভাবেই ব্যাহত না হয় সে দিকের সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, যারা বিগত ১৭ বছর কথা বলতে পারেনি, জুলাই বিপ্লবের কারণে তারা আজ কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। জাতি দেশের সার্বিক পরিবর্তন চেয়েছিল, কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর দেশে কোন গুণগত পরিবর্তন হয়নি। আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার।
উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় তালিকাভুক্ত ২৮১ জন জুলাই যোদ্ধা রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে ধর্মীয় রীতি ও ভাব গম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের বর্ণাঢ্য রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬জুলাই) বিকেলে মধুপুর পৌরসভার শ্রী শ্রী নিত্যানন্দ সেবা ও অনাথ আশ্রম থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আনারস চত্বর ঘুরে পুনরায় আশ্রমে গিয়ে শেষ হয়।
এতে প্রায় হাজার ভক্ত-অনুরাগী অংশ নেন। রথযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রাধান অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন সরকার বলেন, বিএনপি সকল ধর্মাবলম্বী মানুষদেরকে সময গুরুত্ব দেয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বদা সজাগ থাকে। আগেও বিএনপির সকল কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছে। এখনো করছে। ভবিষ্যতেও করবে। মধুপুরের এমপি ও মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্দেশনা দিয়েছেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠান ধর্মীয় উৎসব সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য। সহযোগিতা করার জন্য। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনাদের পাশে আছি থাকবো।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্দুল মোতালিব, পৌর বিএনপি সহসভাপতি লিলি সরকার, সনাতন ঐক্য পরিষদ মধুপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব সিং টনি, মধুপুর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান মঞ্জু, পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন, পৌর যুবদলের আব্বায়ক সাইফুল ইসলাম সাগর, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন ফকির, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মানিক চন্দ্রসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ