ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানে খুলে দেওয়া হলো পাঁচ হাজারের বেশি স্কুল


খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানে খুলে দেওয়া হলো পাঁচ হাজারের বেশি স্কুল

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমন প্রত্যাশা করছে দেশটির সরকার। এই বিপুল জনগণের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে যাতে তীর্থযাত্রী ও শোকাহত মানুষের অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা যায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ (আইএসএনএ)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন যে, খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে আসা মানুষের জন্য সারাদেশে পাঁচ হাজারের বেশি স্কুল এবং প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শ্রেণিকক্ষ অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা হিসেবে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

সরকারের আশা, খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি ও শোকাহত মানুষ তেহরানে সমবেত হবেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই উপলক্ষে একটি কোটিরও বেশি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪ জন

এভাবে এত বিপুল জনসমাগম সামাল দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগতদের জন্য আবাসন, খাবার, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও যাতায়াতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় আয়োজন হিসেবে গণনা করা হবে। এর ফলে দেশটির রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

বিডি প্রতিদিন/একেএ

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নতুন সরকার এলে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য কতটা পাল্টাবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এল নিনো শক্তিশালী হওয়ার শঙ্কা, তাপপ্রবাহ-বন্যা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


এল নিনো শক্তিশালী হওয়ার শঙ্কা, তাপপ্রবাহ-বন্যা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হতে পারে। সংস্থাটির বক্তব্য অনুযায়ী, এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তীব্র গরম, খরা, অতিবৃষ্টি এবং বন্যার মতো চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

গত শুক্রবার (৩ জুলাই) প্রকাশিত ডব্লিউএমওর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনোর প্রভাব দ্রুতভাবে বাড়তে পারে। এই সময়ে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বেড়ে যেতে পারে।

ডব্লিউএমওর মুখপাত্র ক্লেয়ার নালিস মন্তব্য করেন, বছরের সবচেয়ে গরম সময়ের সূচনার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে জার্মানিতে ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ আরও কিছু দিন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হতে পারে।

অন্য দিকে, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে বৃষ্টিপাত কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা গেছে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ব আফ্রিকার বিভিন্ন স্থানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এতে বন্যার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় ভারত মহাসাগরের আরেকটি জলবায়ুগত ঘটনা ‘ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোল’ও পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

ডব্লিউএমও বলছে, আগাম সতর্কতার কারণে সরকারগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে করে মানুষের এবং তাদের জীবিকার ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। সংস্থাটির কর্মকর্তা উইলফ্রান মুফুম্বা সিলভা বলেন, যেসব অঞ্চলে খরার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে কৃষির জন্য, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য এবার থেকেই পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলস্বরূপ প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো দেখা দেয় এবং এর স্থায়ীত্ব থাকে ৯ থেকে ১২ মাস। এই প fenômeno সাধারণত বছরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে, বছরের শেষের দিকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়।

বিশেষজ্ঞগণের মতে, এল নিনো যত শক্তিশালী হয়, ততই বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়া তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তবে ডব্লিউএমও জানাচ্ছে, এল নিনোর প্রভাব প্রতিটি দেশে একই রকম নাও হতে পারে। এল নিনো বা লা নিভা না থাকলেও চরম আবহাওয়া ঘটতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার নদ-নদীতে ভয়াবহ ভাঙন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


চার নদ-নদীতে ভয়াবহ ভাঙন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা

উজানের ঢল এবং নদী ও নদীর পানি ওঠানামার প্রভাবে কুড়িগ্রামের ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও দুধকুমার নদে তীব্র ভাঙন শুরু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেড় শতাধিক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। পাশাপাশি, আরও হাজরো পরিবার তাদের শেষ সম্বল বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এদিকে, ব্রহ্মপুত্র নদ আবারও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার সৃষ্টি হতে পারে, যা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে নদী তীরবর্তী মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানাচ্ছে, জেলার ৪০টি ভাঙনকবলিত পয়েন্টের মধ্যে ৩০টিতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে নদীভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে।

শনিবার (৪ জুলাই) পাউবোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি কমছে। অন্যদিকে, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ছে। তবুও বর্তমানে সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানাচ্ছে, ৪ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অথবা বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি ও নদীভাঙনের তীব্রতা বাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী, ভূরুঙ্গামারী, উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৪০টি পয়েন্টে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এই ভাঙনের মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র, আবাদি জমি, বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙন তাদের জীবনের জন্য একটি নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। বহু পরিবার পাঁচ থেকে দশবার পর্যন্ত তাদের বসতভিটা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। এইবার ভিটেমাটি হারালে তাদের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও থাকবে না। এজন্য তারা স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা লেবু মিয়া বলেন, গত তিন-চার বছর ধরে দুধকুমারের ভাঙনে এ এলাকার অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছে। এখনো পুরো একটি গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে গ্রামের পাশাপাশি স্কুল, হাট ও বিজিবি ক্যাম্পও ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে।

একই এলাকার শাহিনা বেগম জানান, নদী ভাঙতে ভাঙতে তাদের বাড়ির একেবারে নিকটে চলে এসেছে। এখন তারা ঘর সরিয়ে নিচ্ছেন, কিন্তু এরপর কোথায় যাবেন, জানেন না। এবং তাদের জন্য আর জায়গা-জমিও নেই।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীর মধ্যে পাঁচটি প্রধান নদীর দুই তীর মিলিয়ে প্রায় ৩৭৪ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনপ্রবণ। এর মধ্যে মাত্র ৬৬ কিলোমিটার নদীতীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত। ফলে প্রতিটি বর্ষা মৌসুমেই জেলার বিশাল জনপদ নদীভাঙনের ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়ে থাকে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, নদ-নদীর পানি বাড়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলমান রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা ফি বাড়ল, চাপে পড়েছেন আবেদনকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা ফি বাড়ল, চাপে পড়েছেন আবেদনকারীরা

নতুন অর্থবছরের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বড় ধরনের ফি বৃদ্ধি কার্যকর করেছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশের প্রায় সমস্ত প্রধান অস্থায়ী ও স্থায়ী ভিসা শ্রেণির আবেদন ফি বেড়েছে।

কিছু ভিসার ক্ষেত্রে ফি প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, কয়েকটি শ্রেণিতে তা ২০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নতুন ফি তালিকা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি ২ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫০০ ডলার হয়েছে। ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পৃথক আবেদন ফি ২ হাজার ৫০ ডলার। অস্থায়ী গ্র্যাজুয়েট ভিসার আবেদন ফি ৪ হাজার ৬০০ ডলার থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৭৫০ ডলার হয়েছে।

এর আগে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে একই ভিসার ফি ২ হাজার ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬০০ ডলার করা হয়েছিল। ফলে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এই ভিসার আবেদন ফি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের ক্ষেত্রে পার্টনার ভিসার আবেদন ফি ৯ হাজার ৩৬৫ ডলার থেকে বেড়ে ১১ হাজার ৭১০ ডলার হয়েছে। দক্ষ কর্মীদের জন্য স্কিলস ইন ডিমান্ড ভিসার আবেদন ফি ৩ হাজার ২১০ ডলার থেকে ৪ হাজার ১৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার আবেদন ফি ৬৭০ ডলার থেকে বেড়ে ৮৪০ ডলার হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হয়েছে কয়েকটি প্রশাসনিক ও পুনরাগমনসংক্রান্ত ভিসার ফিতে। ব্রিজিং ভিসা বি-এর আবেদন ফি ১৯০ ডলার থেকে বেড়ে ৫৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০৩ শতাংশ বৃদ্ধি। রেসিডেন্ট রিটার্ন ভিসার আবেদন ফি ৪৯০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৪৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০১ শতাংশ বৃদ্ধি। নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ ভিসার আবেদন ফি ৪৪৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার হয়েছে।

একই সঙ্গে দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম আয়ের সীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অস্থায়ী দক্ষ অভিবাসন আয়ের সীমা (TSMIT) এবং কোর স্কিলস ইনকাম থ্রেশহোল্ড (CSIT) বছরে ৭৯ হাজার ৪২৩ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ধারার (Specialist Skills Pathway) ক্ষেত্রে ন্যূনতম বার্ষিক আয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৭৬ ডলার।

এ ছাড়া ভিসা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পর্যালোচনার আবেদন ফি বেড়ে ৩ হাজার ৭২৭ ডলার এবং ফেডারেল কোর্টে আবেদন দাখিলের ফি ৪ হাজার ১৮০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শিল্পখাতের সংগঠনগুলো। তাদের মতে, আবেদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা, পর্যটন এবং বিদেশি দক্ষ কর্মী আকর্ষণে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ বা তার পর জমা দেওয়া সব ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন ফি কার্যকর হবে। এর আগে জমা দেওয়া আবেদনগুলো আগের ফি কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত লঘুচাপটি বর্তমানে ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই অঞ্চলে বিদ্যমান রয়েছে। এটির ফলে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে।

শনিবার (৪ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সতর্কবার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের নিকট থেকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশ দেয়া হয়।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%