ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার নদ-নদীতে ভয়াবহ ভাঙন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা


চার নদ-নদীতে ভয়াবহ ভাঙন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা

উজানের ঢল এবং নদী ও নদীর পানি ওঠানামার প্রভাবে কুড়িগ্রামের ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও দুধকুমার নদে তীব্র ভাঙন শুরু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেড় শতাধিক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। পাশাপাশি, আরও হাজরো পরিবার তাদের শেষ সম্বল বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এদিকে, ব্রহ্মপুত্র নদ আবারও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার সৃষ্টি হতে পারে, যা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে নদী তীরবর্তী মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানাচ্ছে, জেলার ৪০টি ভাঙনকবলিত পয়েন্টের মধ্যে ৩০টিতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে নদীভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: ভাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে হলে দিতে হবে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা

শনিবার (৪ জুলাই) পাউবোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি কমছে। অন্যদিকে, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ছে। তবুও বর্তমানে সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানাচ্ছে, ৪ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অথবা বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি ও নদীভাঙনের তীব্রতা বাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী, ভূরুঙ্গামারী, উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৪০টি পয়েন্টে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এই ভাঙনের মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র, আবাদি জমি, বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙন তাদের জীবনের জন্য একটি নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। বহু পরিবার পাঁচ থেকে দশবার পর্যন্ত তাদের বসতভিটা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। এইবার ভিটেমাটি হারালে তাদের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও থাকবে না। এজন্য তারা স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সংঘর্ষের জন্য নেওয়া হচ্ছিল ১৪০ রাউন্ড গুলি, ধরা পড়লেন স্বপ্না আক্তার

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা লেবু মিয়া বলেন, গত তিন-চার বছর ধরে দুধকুমারের ভাঙনে এ এলাকার অসংখ্য মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছে। এখনো পুরো একটি গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে গ্রামের পাশাপাশি স্কুল, হাট ও বিজিবি ক্যাম্পও ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে।

একই এলাকার শাহিনা বেগম জানান, নদী ভাঙতে ভাঙতে তাদের বাড়ির একেবারে নিকটে চলে এসেছে। এখন তারা ঘর সরিয়ে নিচ্ছেন, কিন্তু এরপর কোথায় যাবেন, জানেন না। এবং তাদের জন্য আর জায়গা-জমিও নেই।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীর মধ্যে পাঁচটি প্রধান নদীর দুই তীর মিলিয়ে প্রায় ৩৭৪ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনপ্রবণ। এর মধ্যে মাত্র ৬৬ কিলোমিটার নদীতীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত। ফলে প্রতিটি বর্ষা মৌসুমেই জেলার বিশাল জনপদ নদীভাঙনের ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়ে থাকে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, নদ-নদীর পানি বাড়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলমান রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে ১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা ফি বাড়ল, চাপে পড়েছেন আবেদনকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা ফি বাড়ল, চাপে পড়েছেন আবেদনকারীরা

নতুন অর্থবছরের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বড় ধরনের ফি বৃদ্ধি কার্যকর করেছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশের প্রায় সমস্ত প্রধান অস্থায়ী ও স্থায়ী ভিসা শ্রেণির আবেদন ফি বেড়েছে।

কিছু ভিসার ক্ষেত্রে ফি প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, কয়েকটি শ্রেণিতে তা ২০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নতুন ফি তালিকা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি ২ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫০০ ডলার হয়েছে। ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পৃথক আবেদন ফি ২ হাজার ৫০ ডলার। অস্থায়ী গ্র্যাজুয়েট ভিসার আবেদন ফি ৪ হাজার ৬০০ ডলার থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৭৫০ ডলার হয়েছে।

এর আগে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে একই ভিসার ফি ২ হাজার ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬০০ ডলার করা হয়েছিল। ফলে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এই ভিসার আবেদন ফি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের ক্ষেত্রে পার্টনার ভিসার আবেদন ফি ৯ হাজার ৩৬৫ ডলার থেকে বেড়ে ১১ হাজার ৭১০ ডলার হয়েছে। দক্ষ কর্মীদের জন্য স্কিলস ইন ডিমান্ড ভিসার আবেদন ফি ৩ হাজার ২১০ ডলার থেকে ৪ হাজার ১৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার আবেদন ফি ৬৭০ ডলার থেকে বেড়ে ৮৪০ ডলার হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হয়েছে কয়েকটি প্রশাসনিক ও পুনরাগমনসংক্রান্ত ভিসার ফিতে। ব্রিজিং ভিসা বি-এর আবেদন ফি ১৯০ ডলার থেকে বেড়ে ৫৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০৩ শতাংশ বৃদ্ধি। রেসিডেন্ট রিটার্ন ভিসার আবেদন ফি ৪৯০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৪৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০১ শতাংশ বৃদ্ধি। নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ ভিসার আবেদন ফি ৪৪৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার হয়েছে।

একই সঙ্গে দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম আয়ের সীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অস্থায়ী দক্ষ অভিবাসন আয়ের সীমা (TSMIT) এবং কোর স্কিলস ইনকাম থ্রেশহোল্ড (CSIT) বছরে ৭৯ হাজার ৪২৩ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ধারার (Specialist Skills Pathway) ক্ষেত্রে ন্যূনতম বার্ষিক আয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৭৬ ডলার।

এ ছাড়া ভিসা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পর্যালোচনার আবেদন ফি বেড়ে ৩ হাজার ৭২৭ ডলার এবং ফেডারেল কোর্টে আবেদন দাখিলের ফি ৪ হাজার ১৮০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শিল্পখাতের সংগঠনগুলো। তাদের মতে, আবেদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা, পর্যটন এবং বিদেশি দক্ষ কর্মী আকর্ষণে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ বা তার পর জমা দেওয়া সব ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন ফি কার্যকর হবে। এর আগে জমা দেওয়া আবেদনগুলো আগের ফি কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত লঘুচাপটি বর্তমানে ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই অঞ্চলে বিদ্যমান রয়েছে। এটির ফলে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে।

শনিবার (৪ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সতর্কবার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের নিকট থেকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশ দেয়া হয়।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের জার্সিতে মুরগির প্রতীক কেন, জানুন এর পেছনের ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


ফ্রান্সের জার্সিতে মুরগির প্রতীক কেন, জানুন এর পেছনের ইতিহাস

ফুটবল, ক্রিকেটসহ প্রতিটি খেলায় সব দলের খেলোয়াড়দের জার্সিতে একটি চোখে পড়ার মতো প্রতীক থাকে। এসব প্রতীক সাধারণত নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য বা সংস্কৃতির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। ফ্রান্সের ক্ষেত্রে, তারা নিজেদের প্রাচীন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে জার্সিতে মোরগের ছবি ব্যবহার করে থাকে।

ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা, অলিম্পিক দল এবং সরকারি প্রতীকেও এই মোরগের চিত্র দেখা যায়। বিশেষ করে ক্রীড়াক্ষেত্রে এটি ফরাসি পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন হিসেবে ধরা হয়।

তবে অনেকেই জানেন না কেন ফ্রান্সের জার্সিতে মোরগের ছবি রাখা হয়েছে। আসুন, আমরা সেই ইতিহাসটি জানি।

গ্যালিক মোরগের গল্পটি এমন— ফরাসি ভাষায় এই প্রতীককে বলা হয় ‘কক গ্যালোয়া’ (Coq Gaulois), অর্থাৎ গ্যালিক মোরগ। প্রাচীনকালে বর্তমান ফ্রান্সের অঞ্চলকে গল (Gaul) বলা হত। রোমানরা এই অঞ্চলের মানুষদের ‘গ্যাল’ বলে ডাকত।

মজার বিষয় হলো, ল্যাটিন ভাষায় মোরগের শব্দ ‘Gallus’, এবং গল অঞ্চলের মানুষের নামও ছিল ‘Gallus’। এই শব্দের মধ্যে কিছুটা মিল থেকে ধীরে ধীরে মোরগটি ফরাসিদের সঙ্গে প্রতীকীভাবে সম্পৃক্ত হয়ে যায়।

প্রাচীন রোমানদের দ্বারা গলদের নিয়ে কখনো কখনো ব্যঙ্গ করা হত, কিন্তু সময়ের সঙ্গে ফরাসিরা এই প্রতীককে গৌরবের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে নেয়।

কেন মোরগই প্রতীক হলো, সেটিও জানতে হবে। মোরগের সঙ্গে ফ্রান্সের চরিত্রের সম্পর্ক রয়েছে। কারণ মোরগ ভোরের আগে ডাক দিয়ে নতুন দিনের আগমন ঘোষণা করে। সাহস, সতর্কতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবেও একে দেখা হয়।

ফরাসি সংস্কৃতিতে, মোরগ ওই প্রাণী হিসেবে গণ্য হয়, যে প্রতিকূলতার মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। সুতরাং, এটি জাতীয় পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

ফুটবলে মোরগের আগমন ঘটে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন (FFF) ১৯০০-এর দশকের শুরু থেকেই বিভিন্ন ভাবে মোরগ প্রতীকটিকে ব্যবহার করে আসছে। জাতীয় দলের জার্সিতে এই প্রতীক জাতীয় পরিচয়কে বোঝাতে সহায়তা করে এবং এটি খেলোয়াড়দের মনে দেশের ঐতিহ্য ও গৌরবের অনুভূতি জন্মায়।

বিশ্বকাপ বা ইউরোর মতো বড় মঞ্চে যখন ফরাসি খেলোয়াড়রা মাঠে নামেন, তখন বুকের ওপর থাকা সেই ছোট্ট মোরগ হয়ে ওঠে কোটি ফরাসি সমর্থকের আবেগের প্রতীক।

মোরগ কেবল ফুটবল দলের প্রতীক নয়। ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা, অলিম্পিক দল এবং সরকারি প্রতীকেও এর ব্যবহার দেখা যায়। বিশেষ করে ক্রীড়াক্ষেত্রে এটি ফরাসি পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।

যদিও ফ্রান্সের জাতীয় প্রতীকে আনুষ্ঠানিকভাবে মোরগের অবস্থান নেই, তবুও সাধারণ মানুষের কাছে এটি এতটাই জনপ্রিয় যে তা প্রায় জাতীয় প্রতীকের মর্যাদা পেয়ে গেছে।

জার্সির ওপর থাকা ছোট্ট মোরগটি অনেকের কাছে হয়তো একটি ডিজাইন, কিন্তু ফরাসিদের কাছে এটি ইতিহাসের স্মৃতি, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং লড়াইয়ের মানসিকতার প্রতীক।

মাঠে যখন ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা নীল জার্সি পরে নামেন, তখন সেই জার্সির বুকে থাকা মোরগ যেন বলে দেয়, এটি শুধু একটি দল নয়, এটি একটি দেশের গল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকতার চেয়ে মহৎ পেশা আর নেই: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


শিক্ষকতার চেয়ে মহৎ পেশা আর নেই: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, শিক্ষকতার চেয়ে মহান পেশা আর কিছু হতে পারে না। এই পেশার মাধ্যমে আমাদের জ্ঞানকে একদল তরুণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। তাঁরা আবার এটাকে পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, আমার জীবনের শুরু শিক্ষকতা পেশা দিয়ে হচ্ছে এবং যদি কেউ আমায় জিজ্ঞেস করে, তাহলে আমি নিঃসংকোচে বলতে পারবো, জীবনের সবচেয়ে উপভোগ্য পেশা হচ্ছে শিক্ষকতা।

শনিবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথাগুলি বলেছেন।

মির্জা ফখরুল জানান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর ন্যস্ত। তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন গতানুগতিক একটি প্রতিষ্ঠান না হয়ে, এটি বিশ্বমান অর্জন করতে পারে এবং দরিদ্র অনুন্নত এই জনপদটি যেন শিক্ষা নগরের খ্যাতি অর্জন করতে পারে, সে সম্পর্কে শিক্ষক নির্বাচনে মেধাকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড ইস্রাফীল শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম বলেন, ‘একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হল বিরাট শ্রমসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ জটিল কর্মযজ্ঞ। সেরকম বৃহৎ একটি কাজে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং এবছরেই ভর্তি শুরুর কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%