০৭:৫৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সদর, সোনাইমুড়ী ও সেনবাগ উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে সাত মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। তিনি বলেন, ১৭ ও ১৮ জুন জেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের প্রত্যেককে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সেনবাগ উপজেলার নলুয়া গ্রামের নূরনবীর ছেলে মো. বাদশা (৩০), ফলতি গ্রামের মো. ফারুকের ছেলে ফখরুল ইসলাম রানা (২৮), সোনাইমুড়ীর রথি গ্রামের মহাসিন আলীর ছেলে কামাল উদ্দিন সুজন (৪০), বেগমগঞ্জের উত্তর শরীফপুর এলাকার দাইয়ু মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (৫৪), লক্ষ্মীপুর সদরের পূর্ব নন্দনপুর এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে মো.শামীম হোসেন (২৭), রায়পুর পৌরসভার শাহজাহান ব্যাপারীর ছেলে জোবায়ের ব্যাপারী (২৩) ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজীপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মোহন হোসেন (১৯)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুন সেনবাগের মতইন গ্রাম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ইয়াবা সেবনের দায়ে বাদশা ও ফখরুল ইসলাম রানাকে আটক করা হয়। পরে সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহসিয়া তাবাসসুম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। একই দিন সোনাইমুড়ী উপজেলার রথি গ্রামে অভিযান চালিয়ে কামাল উদ্দিন সুজনকে আটক করা হয়। পরে সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাছরিন আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে ১৮ জুন সদর উপজেলার দত্তেরহাট-সোনাপুর এলাকায় পৃথক অভিযানে লিটন মিয়া, শামীম হোসেন, জোবায়ের ব্যাপারী ও মোহন হোসেনকে ইয়াবা সেবনের দায়ে আটক করা হয়। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুকসুদুস সালেহীন, মোসাদ্দেক হোসেন এবং মো. সেজান আহম্মেদ পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ আরও বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কারবার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর প্রায় ৬ মাস আগে থেকেই নেইমার জুনিয়র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। বিভিন্ন নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেলেও, এখনো মাঠে নামা হয়নি এই তারকা ফুটবলারের। গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাওয়ার ব্যাপারে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রাজিলের স্কোয়াডে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, কুনহারা রয়েছে, তবে নেইমার এখনও মূল পরিকল্পনায় আছেন। তাই শক্তিশালী ও ফিট নেইমারকে পেতে ব্রাজিল টিম ম্যানেজমেন্ট অধীর অপেক্ষায় রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলো।
তিনি বলেন, "আপনার দলে নেইমারের মতো একজন খেলোয়াড় থাকলে প্রতিপক্ষ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি চাপে থাকবে এবং তাকে মার্ক দেওয়ার জন্য বাড়তি সহায়তা চাইবে। ফলে, দুজন খেলোয়াড় যখন তাকে মার্ক করতে ব্যস্ত থাকবে, তখন আমাদের দলের অন্য কেউ একজন ফাকায় দাঁড়িয়ে থাকবে। এটি আমাদের ভীষণভাবে সাহায্য করতে পারে।"
দানিলো আরও বলেন, "মাঠে কেবল নেইমারের উপস্থিতিই প্রতিপক্ষকে এলোমেলো করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। অবশ্যই আমাদের বাস্তবতাকে মেনে চলতে হবে। আমরা আশা করছি তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আমাদের সাহায্য করতে পারবেন। তার খেলার মান তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত।"
গত মে মাসে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় কাফ মাসল চোটে পড়েছেন এই ফরোয়ার্ড। এরপর থেকে পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার।
তবে সম্প্রতি ব্রাজিল ক্যাম্প থেকে কিছু ইতিবাচক খবর এসেছে। শুরুতে এককভাবে অনুশীলন করলেও, নেইমার এখন সতীর্থদের সাথে বল নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন। অনুশীলনে তাকে ঐতিহ্যবাহী ‘টানেল অব ফায়ার’ দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে পুরো দল।
এত কিছুর পরেও ব্রাজিলের কোচিং স্টাফরা কোনো তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন; তারা বেশ সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন। সান্তোস তারকার পুরনো পেশির চোট যেন নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে, সে কারণে হাইতির বিরুদ্ধে আসন্ন ম্যাচে তার খেলা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে।
তবে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে কোণঠাসা করতে নেইমারকে যত দ্রুত সম্ভব মাঠে দেখতে মরিয়া পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবারের বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলে অভিহিত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি আরও বলেন, এই বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী এ মন্তব্য করেছেন।
বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি কখনো সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। তাদের মতে, উচ্চাভিলাষ ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়েই এগোতে হবে। এটি কোনো একদিনের চিন্তার ফল নয়; বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।
আইনমন্ত্রী বলেছেন, একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর ‘গরিব মারার বাজেট’ কিংবা ‘বড়লোকের বাজেট’ বলে ঢালাও সমালোচনা করা হতো। তবে এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী এবং কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দরজায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য দেশজুড়ে খাল ও নদী পুনঃখনন এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। অর্থপাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর-সুবিধা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সরকার লুটপাট ও অর্থপাচারনির্ভর অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানবিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় এবং প্রস্তাবিত বাজেট সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় পদক্ষেপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার অঙ্গনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন অনু চৌধুরী।
সাহিত্যচর্চা এবং সাংগঠনিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে রাজশাহীর নারীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার প্রতীকে পরিণত করেছে।
বর্তমানে, রাজশাহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এবং বরেন্দ্র নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে, সংগঠন দুটি সাহিত্যচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
অনু চৌধুরী সাহিত্যর প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে নিয়মিত পাঠচক্র, সাহিত্যসভা, কবিতা আবৃত্তি, বই আলোচনা এবং নবীন লেখকদের উৎসাহিত করার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকেন।
রাজশাহীর বহু তরুণ লেখক, কবি ও সাহিত্যপ্রেমী তাঁর প্রচেষ্টায় একটি সৃজনশীল ও ইতিবাচক প্ল্যাটফর্ম পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে তিনি ধারাবাহিকভাবে সাহিত্যভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে আসছেন। তাঁর বিশ্বাস হলো, একটি জাতির মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে বই ও সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবেও অনু চৌধুরীর সুনাম রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে, বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি মনে করেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই।
তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে, সাহিত্য সংগঠনগুলো সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নারী শিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধ গঠনের ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
সাহিত্যের পাশাপাশি, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন। তিনি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
যেমন, নারী উন্নয়ন, শিক্ষা সহায়তা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সম্মানিত করেছে।
বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে তিনি প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তার মতে, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া একটি সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
রাজশাহীর অসংখ্য নারী অনু চৌধুরীকে তাঁদের আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করেন। সাহিত্যিক, সংগঠক, সমাজসেবক ও সফল নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে একজন নারী সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম।
অনু চৌধুরীর স্বপ্ন হলো একটি জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সংস্কৃতিমনস্ক সমাজ গড়ে তোলা। তিনি চান রাজশাহীর সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ হোক এবং নতুন প্রজন্ম বই ও সৃজনশীলতার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠুক।
সাহিত্য, সমাজসেবা ও নারী উন্নয়নের সমন্বিত কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা রাজশাহীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ