ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান


দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

 দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। গতকাল শুক্রবার শ্রীপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় বক্তারা এ বিষয়ে মত প্রকাশ করেছেন।

তারা জানিয়েছেন, 'সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনে বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হয়ে জলবায়ু পরিবর্তন-প্রবণ অঞ্চলের লোকজন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন।

এই পরিস্থিতিতে, প্রয়োজনভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে জলবায়ু-আক্রান্ত কৃষকদের জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি গ্রহণ করে তাদের সক্ষমতার উন্নয়ন করার কোনো বিকল্প নেই।'

আরও পড়ুন: কর্মচারীর খোঁজে বেরিয়ে এল মুদি দোকানির মৃত্যুর ঘটনা

শুক্রবার বিকেলে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের হলরুমে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা এসব মন্তব্য করেন।

কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সহযোগিতায় এবং দেশব্যাপী কর্মরত এনজিও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্রজেক্টের অধীনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান তুলি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। সরকারি কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এনজিও কর্মীরা কর্মশালায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা বিস্তারিত আলোচনা শেষে সুপারিশ প্রদান করেন যে দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রবণ অঞ্চলের জনগণের জন্য শিক্ষিত ও অভিযোজনক্ষম করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

তারা জলবায়ু-আক্রান্ত জনগণের জলবায়ু সহনশীলতার সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় দুই নিষিদ্ধ সংগঠন নেতা গ্রেপ্তার

এ প্রসঙ্গে উপজেলায় প্রকল্পের সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইউএনও সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা এবং সহযোগিতা প্রদানের কথাও ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলার ২০টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি কার্যকর হচ্ছে। প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা এই তথ্য উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আলী আকবর গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আলী আকবর গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে বহুল আলোচিত র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আলী আকবরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭।

শনিবার (২০ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৮ জুন বিকেল পৌনে ৫টার দিকে র‍্যাব-৭ এর একটি অভিযানিক দল সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ছিন্নমূল ১ নম্বর সমাজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আলী আকবর (২৬) সীতাকুণ্ড উপজেলার ছিন্নমূল ৪ নম্বর সমাজ এলাকার বাসিন্দা এবং আলী আহমদের ছেলে।

র‍্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, সীতাকুণ্ড থানার র‍্যাব হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আলী আকবরকে জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলী আকবরকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীর্ষ নেতাদের একের পর এক মৃত্যু সত্ত্বেও যেভাবে টিকে রইল ইরান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


শীর্ষ নেতাদের একের পর এক মৃত্যু সত্ত্বেও যেভাবে টিকে রইল ইরান!

যুদ্ধের শুরুতেই অনেকেই মনে করেছিলেন, এবার হয়তো ইরানের গল্প শেষ হতে যাচ্ছে। রাজধানী তেহরানের আকাশে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। ধোঁয়ায় ঢাকা পড়ছে ভবনগুলো। জরুরি সাইরেনের শব্দ গুঞ্জরিত হচ্ছে। আর এই অবস্থার মধ্যেই আসতে থাকে একের পর এক খবর। যা শোকে স্তব্ধ করে দেয় ইরানসহ বিশ্বের অসংখ্য মানুষকে।

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লক্ষ্য রাখা হয়েছে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলি নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, বরং দেশের নেতৃত্বের কেন্দ্রেও বড় আঘাত এসেছে। নিশানায় ছিলেন ইরানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি থেকে শুরু করে সামরিক প্রধান, গোয়েন্দামন্ত্রী, নিরাপত্তা উপদেষ্টা এক এক করে ঝরে পড়েছেন তেহরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখগুলো। কিন্তু এত বড় ধাক্কা সত্ত্বেও ইরান যুদ্ধ চালিয়ে গেছে।

যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ১৯৮৯ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি তেহরানে নিজ বাসভবনে এক বৈঠকের সময় বিমান হামলার শিকার হন। সেই হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। যদিও আহত অবস্থায় বেঁচে যান তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি। পরবর্তীতে তিনিই দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন।

এরপর একটি বড় ধাক্কা আসে নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজনির মৃত্যুতে। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এই নেতা মার্চে ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মারা যান। অনেক বিশ্লেষকের মতভেদ হলো, খামেনির পর তাঁর মৃত্যু ছিল ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি।

এদিকে যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস আইআরজিসির প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর। যুদ্ধের মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি এই দায়িত্ব পান। একই দিনে নিহত হন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি। তিনি নিয়োজিত ছিলেন আইআরজিসি ও নিয়মিত সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয়কের দায়িত্বে। পূর্বসূরির মোহাম্মদ বাঘেরি যে পদে ছিলেন, সেখানেও যোগ দেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, সামরিক কার্যালয়ের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজি এবং প্রথম দিনের হামলায় আরও নিহত হন।

শুধু তা নয়, যুদ্ধে ইরান হারিয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম প্রধান ভরসা আলী শামখানিকে। তেহরানের তাজরিখ স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজা। হামলায় প্রাণ হারান নৌপ্রধান আলিরেজা তাংসিরি, যাকে হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন ও তা অবরোধ করার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিহিত করা হয়।

গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিব, আধা সামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর প্রধান গোলামরেজা সুলেইমানি এবং আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি সবাই প্রাণ হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলার কারণে। যেখানে মৃত্যুর ঠিক আগেও মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ চললেও বন্ধ হয়নি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন। এপ্রিলের শুরুতে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ৫০ জনেরও বেশি শীর্ষ ইরানি নেতা নিহত হয়েছেন।

এত বড় ধাক্কা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের সিংহখ্যাত ইরান ভেঙে পড়েনি। বরং দ্রুত নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলে যুদ্ধ চালিয়ে গেছে। অনেকের প্রত্যাশা ছিল, এই হামলার মধ্য দিয়েই হয়তো পতন ঘটবে তেহরানের শাসনব্যবস্থার। তবে বাস্তবে ঘটেছে উল্টোটা। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘোল খাইয়ে সমঝোতা আদায় করেছে ইরান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে রোনালদিনহোকে ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


বিশ্বকাপে রোনালদিনহোকে ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস

বিশ্বকাপের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করলেন। তিনি একটি গোল করেছেন এবং একটি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ম্যাচসেরা হয়েছেন। পাশাপাশি, সেলেসাওদের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহোকে ছাড়িয়ে গিয়ে ব্রাজিলের নাম্বার সেভেনে অবিস্মরণীয় একটি কীর্তি গড়েছেন।

বিশ্বকাপে গোল করার ক্ষেত্রে এবং একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে গোল কন্ট্রিবিউশনের (গোল ও অ্যাসিস্ট একত্রে) দিক থেকেও তিনি ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকাকে ছুঁয়ে ফেলেছেন।

চলতি বিশ্বকাপে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে একটি গোল করার পর হাইতির বিপক্ষে আরেকটি গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস। এর ফলে, তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩টিতে (২০২২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে করা ১টি গোলও রয়েছে)।

অন্যদিকে, রোনালদিনহো তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে মোট ২টি গোল করতে পেরেছিলেন, যার দুটিই এসেছিল ২০০২ সালের বিশ্বকাপ আসরে।

গোলই নয়, হাইতি ম্যাচে মাথিউস কুনহাকে দিয়ে গোল করিয়ে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা ৩-এ নিয়ে গেছেন ভিনিসিয়ুস। মোট ৩ গোল ও ৩ অ্যাসিস্টসহ, তিনি এইভাবে বিশ্বকাপে ৬টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন।

এর মাধ্যমে তিনি রোনালদিনহোর ৬টি গোল কন্ট্রিবিউশনের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন। (রোনালদিনহোর ২ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট ছিল; ২০০২ সালে ৩টি এবং ২০০৬ সালে ১টি অ্যাসিস্ট)।

গ্রুপ পর্বে আরেকটি ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে যদি তিনি একটি গোল বা অ্যাসিস্ট করেন, তবে রোনালদিনহোকে পুরোপুরি ছাড়িয়ে যাবেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাম পাড়তে গিয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


জাম পাড়তে গিয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু

রাঙ্গামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন শতাব্দী চাকমা (৫০) নামে এক শিক্ষিকা।

শনিবার (২০ জুন) সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শতাব্দী চাকমা রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সুখীনীলগঞ্জ এলাকার মৃত রবীচন্দ্র চাকমা এবং মৃত লক্ষীদেবী চাকমার মেয়ে। তিনি নানিয়ারচর উপজেলার রামহরি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ বাসা থেকে বের হন শতাব্দী চাকমা। পথে নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের সমাজকল্যাণ এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার অপেক্ষায় থাকাকালীন রাস্তার পাশে থাকা একটি জাম গাছ থেকে জাম পাড়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কাঁচা বাঁশ ব্যবহার করে জাম পাড়ার চেষ্টা করার সময় অসাবধানতাবশত বাঁশটি পাশের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয় লোকজন এবং সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শওকত আকবর খান বলেন, সকালে হাসপাতালে বিদ্যুতায়িত একজনকে আনা হয়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বে তার মৃত্যু ঘটে।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে নানিয়ারচর আসার পথে একজন স্কুল শিক্ষক ঘিলাছড়ি এলাকায় জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। স্থানীয়রা তাকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%