ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮


হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮

হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮ জনে পৌঁছেছে। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১০১ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ৯০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮০৯ জন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেছে ৯৯ জনের।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বিএমইউর ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব

গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার জনের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মির্জা ফখরুলের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মির্জা ফখরুলের অভিনন্দন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো অজিদের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচে জয় পাওয়ার ঐতিহাসিক সাফল্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি দলের সাবেক মহাসচিবও।

আজকের দিনটি অর্থাৎ রবিবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট দেন।

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে অসিদের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টে বাংলাদেশ এই ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছে। ২৩ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যে ভেন্যুতে টেস্ট শুরু হয়েছিল, সেখানে টাইগাররা পূর্ণ শক্তির দলকে ৯ উইকেটে পরাজিত করেছে। রবিবার এই ঐতিহাসিক জয় উপলক্ষে বাংলাদেশ দেশের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে নতুন পরিবর্তন দেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


যেভাবে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত

একসময় ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল ব্রিটিশ আমলের অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার প্রায় আট দশক পর, এখন ব্রিটিশ আমলের অস্ত্রনির্ভরতা কাটিয়ে দেশটি আকাশে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, স্থলসীমান্তে আধুনিক ট্যাংক ও রকেট, সমুদ্রে যুদ্ধজাহাজ ও সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশে যুদ্ধবিমান ও অত্যাধুনিক ড্রোন—সব কিছুতে বহুমাত্রিক সামরিক শক্তি গড়ে তুলেছে নয়াদিল্লি। এভাবেই বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বৃদ্ধি করছে ভারত।

স্বাধীনতার পর ভারতের সামরিক শক্তির ভিত্তি ছিল মূলত ব্রিটিশ আমলে পাওয়া অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে। ১৯৫৮ সালে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা বৃদ্ধি পায়। এরপর ধাপে ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, সাঁজোয়া যান ও ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়। বর্তমানে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তি ও অস্ত্র উৎপাদনে। পাশাপাশি ডিআরডিওর গবেষণার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ বর্ধিত করা হয়েছে। এর ফলে ভারতের সামরিক সক্ষমতা স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—তিন ক্ষেত্রেই আধুনিক হয়েছে।

ভারত সামরিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। দেশটি নিজস্ব প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এমআরএসএএমও যুক্ত হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়। এ ছাড়াও, ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় রয়েছে রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০, বারাক-৮, স্পাইডার ও কিউআরএসএএমের মতো বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বলিষ্ঠ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর জন্য দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত। এর ফলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশপথের বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলার জন্য একাধিক স্তরের প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলেছে ভারত।

ভারতের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আলোচনায় ব্রহ্মোস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও রাশিয়ায় যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তিনটি প্ল্যাটফর্ম— স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—থেকে ব্যবহারযোগ্য। ভারতের স্থল ও নৌ প্রতিরক্ষায় ব্রহ্মোসকে অপরিহার্য অস্ত্র হিসেবে দেখা হয়। উচ্চ গতির এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হওয়ার ফলে ভারতের দূরপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। এছাড়াও, পৃথ্বী, অগ্নি ও আকাশের মতো ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত ধাপে ধাপে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ভিত্তি গড়ে তুলেছে।

ভারতের সেনাবাহিনীেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। প্রচলিত ট্যাঙ্ক ও কামাননির্ভর শক্তির পাশাপাশি বর্তমানে রকেট সিস্টেম, ক্ষেপণাস্ত্র, আধুনিক রাডার, ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পিনাকা রকেট সিস্টেম, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ব্রহ্মোসের মতো অস্ত্র স্থলবাহিনীর আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি এবং দ্রুত হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও যুদ্ধজাহাজে নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। যুদ্ধজাহাজগুলোতে বিমান ও জাহাজবিধ্বংসী হুমকি মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। বারাক-৮ বা এলআর-এসএএম এবং ভিএল-এসআরএসএএমের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতিরক্ষা শক্তি অনেক বাড়িয়েছে। সমুদ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ও দূরবর্তী এলাকায় সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার লক্ষ্যে ভারত নৌসক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভারতও এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে টাপাস, রুস্তম, আর্চার, ঘাতক ও সুইফটের মতো বিভিন্ন ধরনের ড্রোন উন্নয়নের কাজ চলছে। নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য ড্রোন প্রযুক্তিকে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পেছনে বিজ্ঞান ও গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেওয়া হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচি দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণায় নতুন ভিত্তি তৈরি করে। বর্তমানে রাডার, সেন্সর, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হাইপারসনিক প্রযুক্তির মতো আধুনিক ক্ষেত্রে গবেষণার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, একসময় বিদেশি ও পুরোনো অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ভারত এখন ধীরে ধীরে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি গড়ে তুলেছে। আকাশ প্রতিরক্ষা থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, স্থলবাহিনীর আধুনিকীকরণ থেকে নৌসক্ষমতা এবং ড্রোন যুদ্ধ—বহুমুখী এই প্রস্তুতিই ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে।

সূত্র: এই সময়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার বন্ধ হলে ২ বছরের মধ্যে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে : শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার বন্ধ হলে ২ বছরের মধ্যে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে : শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, ইলিশসহ দেশীয় মাছ উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে নিষিদ্ধ ফাঁদ। যারা মৎস্য আহরণে জড়িত, তারা যদি চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার বন্ধ রাখে, তাহলে দুই বছরের মধ্যে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় চাঁদপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে যে কোন বড় ধরণের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আপনারা জানেন, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতা একসঙ্গে রাজপথে নেমে ফ্যাস্টিস সরকারকে বিতাড়িত করেছে। আমি মনে করি নদী কেন্দ্রিক জেলা চাঁদপুরে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন অবশ্যই সম্ভব।

সংসদ সদস্য বলেন, জাটকা রক্ষা কিংবা মা ইলিশ রক্ষা প্রশাসনের পক্ষে এ কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এ কাজের জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে জেলে থেকে শুরু করে সবাই এর সুফল উপভোগ করতে পারবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা, কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনের কমান্ডার লে. সিফাত খালিদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তায়েফা আহমেদ ও চাঁদপুর মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ বি এম মোস্তফা কামাল।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অংশীজনদের ভূমিকা রাখতে হবে। বর্তমানে এক কেজি ইলিশের দাম ৩ হাজার ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে রয়েছে ইলিশ। একটা সময় আসবে, যখন ইলিশ উচ্চ বিলাসি ব্যক্তিরাও ক্রয় করতে পারবেন না। নিষিদ্ধ কারেন্টজাল ও চায়না দুয়ারী জালসহ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ না করলে নদীতে মাছের পাশাপাশি জলজ প্রাণিও বিলুপ্ত হবে।

আলোচনা শেষে জেলায় কার্প জাতীয় মাছের পোনা উৎপাদনে মো. ইমাম হোসেন, মনোসেক্স তেলাপিয়া উৎপাদনে মো. শরীফ হোসেন এবং কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সভার পূর্বে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়ক হয়ে সদর উপজেলা পরিষদ এর সামনে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ এর পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করেন অতিথিরা।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, মৎস্য ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নয়নে বিএনপি সরকারের ওপর আস্থা রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


উন্নয়নে বিএনপি সরকারের ওপর আস্থা রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিজ্ঞা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশবাসীকে অব্যাহত উন্নয়নে বিএনপি সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপির রাজনীতির লক্ষ্য হলো এমন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যার বাস্তবায়নের ফলস্বরূপ দেশের লোকজন, বিশেষ করে গ্রামে বসবাসরত মানুষ উপকৃত হবে।

আজ রবিবার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় আয়োজিত একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি, মৎস্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও জ্বালানি খাত নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। এসব উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করার সময় প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেন। পরে তিনি মাছের পোনা বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নদীতে অবমুক্ত করা মাছের পোনা বড় হবে, ডিম দেবে এবং বিভিন্ন খাল-বিলে ছড়িয়ে পড়বে। এর সুফল যেন বাংলাদেশের নাগরিকরা পায়, সেটা লক্ষ্য করা হবে।

মৎস্যসম্পদের উন্নয়নের এই উদ্যোগকে বৃহত্তর কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অংশ বলে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতির বাস্তবায়নের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ এবং গ্রামে বসবাসকারী মানুষের উপকার হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে কথা বলেছিল। সরকার গঠনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন এবং বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানির সুবিধা পাবেন।

খননকৃত খালের পানির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, ধীরে ধীরে দেশের বড় বড় নদী ও খালগুলোতে মাছ চাষ শুরু করা হবে। এর ফলে মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের জনগণের জন্য আরও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হবে।

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে নারী শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য বর্তমান সরকার নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে সব খরচ সরকার বহন করবে।

এজন্য শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে তাদেরই দেশের হাল ধরতে হবে এবং যারা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা প্রায় এক কোটি ২০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে প্রতিবছর নতুন বইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রধানমন্ত্রী আরও ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষি কার্ড’ নিয়ে আলোচনা করেন। নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বলেন, প্রত্যেক পরিবারের প্রধান নারী বা মায়ের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি জানান, কিশোরগঞ্জ জেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর। এর মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সহযোগিতা ও সার, বীজ ও কীটনাশক প্রদান করা হবে। কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য বিশদভাবে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বলেন, দেশের আলেম সমাজ, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জীবনমান উন্নয়নের সময় এসেছে।

তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সরকার নতুনভাবে স্পোর্টসের ব্যবস্থা করছে যাতে তরুণরা খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নিতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জেলায় জেলায় বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছে। সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং এখন কাজ করার সময়।

দেশের অর্থ-সম্পদ লুট করে পাচারের অভিযোগে বলেন, জনগণ এসব ঘটনার বিরুদ্ধে। অবিলম্বে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ শুরু করতে হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বলেন, অতীতে নেওয়া পদক্ষেপের কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বর্তমানে চলছে। পরবর্তী নির্বাচনে বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদি কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%