ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পকে নিয়ে উদ্বেগ-হতাশায় ৭১% মার্কিন নাগরিক: জরিপ


ট্রাম্পকে নিয়ে উদ্বেগ-হতাশায় ৭১% মার্কিন নাগরিক: জরিপ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি থাকতেই দেশটির ৭১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মধ্যে একটি সাধারণ অনুভূতি দেখা যাচ্ছে যে, দেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এই উদ্বেগের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টির জন্য জনমতের এই চিত্র একটি বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনবিসি নিউজ ডিসিশন ডেস্কের উদ্যোগে সার্ভেমাঙ্কির সহযোগিতায় পরিচালিত একটি নতুন জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন। তবে অসন্তোষের সবচেয়ে বড় চাপ ক্ষমতাসীন ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির ওপর পড়েছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রথমবারের মতো দেশের সঠিক পথে এগোনোর বিষয়ে ইতিবাচক মত প্রকাশ করা মানুষের হার ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: টিকটক ইলন মাস্কের তথ্যচিত্রের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করেছে

জরিপে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন অন্য যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। যদিও দুই দলের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, ট্রাম্প নিজের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন কমে ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা তার দ্বিতীয় মেয়াদে এই জরিপে সর্বনিম্ন। বিপরীতে, তার কর্মকাণ্ডের প্রতি অসন্তুষ্টির হার বেড়ে ৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আরো উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ৫১ শতাংশ উত্তরদাতা ট্রাম্পের কার্যক্রমের প্রতি ‘ব্যাপক অসন্তুষ্ট’। দ্বিতীয় মেয়াদে এই হারও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন কিছুটা বেশি—৩৯ শতাংশ। তবে তাদের মধ্যে ৬১ শতাংশ তার প্রতি অসন্তুষ্ট। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকা উচিত, এমন প্রশ্নে নিবন্ধিত ভোটারদের ৫৫ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে মত দিয়েছেন। রিপাবলিকানদের সমর্থন ৪৫ শতাংশ। এই ব্যবধান আগামী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

তবে ক্ষমতাসীন দলের প্রতি অসন্তোষ থাকলেও ডেমোক্র্যাটদের প্রতি মার্কিনদের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক নয়। জরিপে ৪৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সম্পর্কে ইতিবাচক মত দিয়েছেন, আর ৫৭ শতাংশ নেতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন। রিপাবলিকান পার্টির ক্ষেত্রে ইতিবাচক মত ৩৭ শতাংশের, বিপরীতে নেতিবাচক মত দিয়েছেন ৬৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান, ‘চলুন ফ্রান্সে বিপ্লবে যোগ দিই’

রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন ৭৬ শতাংশে নেমে এসেছে। নিজ দলের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা কমার পেছনে বিশেষ করে সেই রিপাবলিকানদের সমর্থন হ্রাস ভূমিকা রেখেছে, যাঁরা নিজেদের মাগা আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার চেয়ে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক হিসেবেই বেশি বিবেচনা করেন।

স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন মাত্র ২১ শতাংশ। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এক শতাংশ ব্যবধানে ট্রাম্পকে সমর্থন করা ৩০ বছরের কম বয়সী পুরুষদের মধ্যে বর্তমানে তার সমর্থন ২৮ শতাংশ। লাতিনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে, যাদের সমর্থনও ২০২৪ সালে ট্রাম্পের দিকে ঝুঁকেছিল, তার জনপ্রিয়তা এখন ৩১ শতাংশ।

জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, ট্রাম্পের নীতিগুলো দেশের ক্ষতি করছে। বিপরীতে ২৮ শতাংশ মনে করেন, এসব নীতি দেশের উপকার করছে। বাকি ১৪ শতাংশের মতে, এসব নীতির তেমন কোনো প্রভাব নেই।

বিভিন্ন বিষয়ে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়নেও নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে তার প্রতি সমর্থন মাত্র ২৭ শতাংশ। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালনায় সমর্থন ২৯ শতাংশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে তার ভূমিকার প্রতি সমর্থন ৩৩ শতাংশ। সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন নীতিতে তার সমর্থন তুলনামূলক বেশি—৪৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন: কলকাতার দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু, শোকার্ত টালিগঞ্জ

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষের প্রধান কারণ অর্থনীতি। জরিপে ৩১ শতাংশ উত্তরদাতা অর্থনীতিকে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নিজেদের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে ১৮ শতাংশ বলেছেন, এক বছর আগের তুলনায় তারা এখন ভালো আছেন। ৩৮ শতাংশের মতে, তাদের অবস্থার তেমন পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে ৪৪ শতাংশ জানিয়েছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাদের আর্থিক অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে।

জরিপের ফলাফল বলছে, ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন কমে যাওয়া এবং অর্থনীতি নিয়ে মানুষের অসন্তোষ আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। তাদের একদিকে ট্রাম্পের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে হবে, অন্যদিকে তার প্রশাসনের বিরোধীদের আরো দূরে ঠেলে দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।

সূত্র: এনবিসি নিউজি

এমএমআর

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের পক্ষ, হুথিদের অস্ত্রদাতারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা আনবে সচ্ছলতা : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা আনবে সচ্ছলতা : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, "একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা।" এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে হলে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন, যা মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ভালো কাজের জন্য অর্থ বা সামর্থ্যের চেয়ে বেশি প্রয়োজন সদিচ্ছা।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "সবসময় অর্থ মুখ্য বিষয় নয়, সব সময় সামর্থ্যটাও হয়তো অনেক সময় মুখ্য বিষয় না, সবচেয়ে মুখ্য বিষয় হচ্ছে একটি ভালো কাজ করার, মুখ্য বিষয় হচ্ছে ইচ্ছা, ইচ্ছা এবং ইচ্ছা।" তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যের মধ্যে সেই প্রবল ইচ্ছা রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। তিনি সকলকে আহ্বান জানান, "আমাদের লক্ষ্য হোক আগামী দিনে যত দিন পর্যন্ত আমরা সুস্থ থাকব, সবল থাকব, তত দিন পর্যন্ত একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।"

তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বিভিন্ন প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। সংগঠনটির ২৭ বছরের পথচলায় সদস্যরা শিক্ষা, কৃষি, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজনীতির বাইরেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই ১৯৯৯ সালে ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, নারীর স্বাবলম্বিতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক কাজের ধারাকে সংগঠনের নিজস্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরহাদ হালিম ডোনার আরও বক্তব্য দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান।

১৯৯৯ সালের সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান। এ ছাড়া সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি ঘটেছে যখন তিনি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্ক সৃষ্টি করেন।

রোববার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ইশরাককে ডেকে পাঠান। সেখানে তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়।

তবে, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় তিনি আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন। তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার এক দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী ইশরাককে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দেন।

শনিবার রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনে অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী’ অভিযানে যান ইশরাক হোসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ এ সময় তার হাতে একটি অস্ত্র দেখা যায়।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি একইদিন বিকাল ৫টার দিকে শেয়ার করেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। পরে অবশ্য ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়া হয়। ভিডিওর ক্যাপশন লেখা ছিল, ‘ইশরাকের অ্যাকশন: মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়ানোর পর নানান আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অস্ত্র নিয়ে কাউকে তিনি ভয় দেখাননি, গুলিও করেননি। তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এভাবে অভিযান চালানো হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন।

বিবৃতিতে ইশরাক জানান, গত ১৭ অক্টোবর ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ পেয়ে আসছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা করেন। মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা-সরকারি পত্রও (ডিও লেটার) দেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ ব্যাখ্যা করে ইশরাক জানান, কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র থেকে তার নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ছাদ থেকে গুলি চালানোর আশঙ্কার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন।

এ সময় সম্ভাব্য হামলা ও জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এটি আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতি অনুযায়ী, ঘটনার পর গেণ্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুয়েটে জঙ্গল থেকে সাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


রুয়েটে জঙ্গল থেকে সাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) দায়িত্ব পালনকালে রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে একটি পরিত্যক্ত বাইসাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার সদস্য মোঃ শাহিন আলম (আইডি নং-৩৩৬৯৩)। তাঁর এ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া সাইকেল ফিরে পেয়েছেন রুয়েটের এক শিক্ষার্থী।

রবিবার দুপুরে রুয়েট ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে দায়িত্ব পালনকালে রাস্তার পাশে জঙ্গলের মধ্যে বাইসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পান মোঃ শাহিন আলম। পরে তিনি সাইকেলটির প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করা সাইকেলটির বিষয়ে অবহিত করেন তিনি।

পরে খবর পেয়ে রোববার ১৮ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে সাইকেলটির প্রকৃত মালিক মোঃ শামীম ইকবাল শুভের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেলটি হস্তান্তর করেন তিনি।

সাইকেলটির মালিক মোঃ শামীম ইকবাল শুভ রুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর রোল নম্বর ২৩০৫০০৩।

হারিয়ে যাওয়া সাইকেলটি ফিরে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিক্ষার্থী শুভ। অন্যদিকে, দায়িত্ব পালনকালে সততা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে সাইকেলটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় মোঃ শাহিন আলমের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে রুয়েট অভ্যান্তরে।#

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মের বিভেদ দেখেননি প্রধানমন্ত্রী, শান্তি ও অধিকার নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


ধর্মের বিভেদ দেখেননি প্রধানমন্ত্রী, শান্তি ও অধিকার নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালে তিনি ধর্মের ভিত্তিতে বিভেদ দেখেননি। স্বাধীনতার পর যখন গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল, তখন রাজপথে নেমে তিনি ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করেননি। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে আমরা ধর্মের বিভেদও দেখিনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহাখালী শ্রী শ্রীরক্ষা কালিমন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা হাজার বছর ধরে শান্তিতে একত্রে বসবাস করছি। দেশের প্রতি সবার অধিকার সমান। আসুন, সবাই মিলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শান্তি নিশ্চিত করতে কাজ করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশি। আমাদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দেশের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার রক্ষা করবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%