০১:৪৮ পি.এম
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের কারণে মারধরের শিকার জামায়াতে ইসলামী নেতা সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) মারা গেছেন।
তিনি দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি এবং ভেলুরচক গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ নিহত ব্যক্তির চাচা বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাট হোসেন বাপ্পার মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ বছরের সাব্বিরের
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দ (৬৮) ও তার ছোট ভাই বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর ফলস্বরূপ, গত ২৫ জুন দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ঘটে। একপর্যায়ে, আব্দুল করিম তার লোকজন নিয়ে বড় ভাই রফিক আকন্দের ওপর হামলা চালালেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে ওই হামলা থেকে রফিক আকন্দকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও হামলার শিকার হন।
ঘটনার ফলে রফিক আকন্দ ও তার স্ত্রী জোসনা বেগম (৬২) আহত হন। তাদেরকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সম্রাটের অবস্থা খারাপ হলে পরে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
এরপর ১ জুলাই রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তার স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: পূর্বধলার রাজনীতিতে গ্রুপিংয়ের আলোচনা, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে তিন প্রস্তুতি সভা
ওসি তাজমিলুর রহমান বলেন, ‘একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন একজন বিএনপি, অন্যজন জামায়াত। জমি নিয়ে বিরোধের কারণে সংঘর্ষে একজন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন