ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব খেলনাকে বিএসটিআই’র সনদ গ্রহণ করতে হবে


সব খেলনাকে বিএসটিআই’র সনদ গ্রহণ করতে হবে

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকার শিশুদের খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করেছে।

এখন থেকে দেশে উৎপাদিত এবং আমদানি করা সব খেলনাকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর বাধ্যতামূলক সনদ নিতে হবে।

গত ২৩ জুন শিল্প মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ

শিশু অধিকার ও পারিবারিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো।

খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ শিশুদের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ খেলনার সহজলভ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

নতুন গেজেট বাংলাদেশের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং খেলনার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে। ফলে, দেশে উৎপাদিত বা আমদানি করা খেলনা বাজারজাত করার আগে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি বিএসটিআই অনুমোদিত পরীক্ষাগারে পণ্যের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে যখন গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া খেলনা ও শিশুদের ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্যে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, পারদ, আর্সেনিকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি বারবার তুলে ধরা হয়েছে। এসডোর Toxic Toys (২০১৩), Innocence Touched by Shadows (২০২৩), Silent Poison (২০২৪) এবং Toxic Playtime (২০২৫) শীর্ষক গবেষণাগুলোতে বাধ্যতামূলক খেলনা নিরাপত্তা মানদণ্ড প্রণয়ন ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ইসলামী আন্দোলনের নেতার ক্ষোভ

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এসডো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রমাণভিত্তিক নীতিগত সুপারিশ, বিএসটিআই ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। এছাড়াও নীতিগত সংলাপ, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভা এবং প্রচলিত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ খেলনার দাবিতে নিরলসভাবে একত্রে কাজ করছে। খেলনার জন্য 'আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা মানদণ্ড' নিশ্চিত করা, ক্ষতিকর রাসায়নিকের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা, বাজার তদারকি, পণ্যের সঠিক লেবেলিং এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য এসডো ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিল, যাতে অনিরাপদ খেলনা কোনোভাবেই শিশুদের হাতে না পৌঁছায়।

এসডো মনে করে, এই গেজেট বাংলাদেশের শিশু অধিকার, জনস্বাস্থ্য এবং পারিবারিক কল্যাণ নিশ্চিত করার পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। নিরাপদ খেলনা শুধু একটি ভোক্তা পণ্য নয়; এটি শিশুদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এবং নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করার জন্য একটি অত্যাবশ্যক পদক্ষেপ। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ পরিবেশে এমন খেলনা ব্যবহারের অধিকার রয়েছে, যা তাদের স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না।

এসডো এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে বাংলাদেশ সরকার, বিএসটিআই, বান টক্সিকস, নীতিনির্ধারকসহ উৎপাদক, আমদানিকারক, ভোক্তা অধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি এসডো জোর দিচ্ছে নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের উপর। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানি পর্যায়ে কার্যকর মান নিয়ন্ত্রণ, আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছে এসডো, যাতে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত প্রতিটি খেলনা নির্ধারিত নিরাপত্তা মান পূরণ করে। বাংলাদেশের খেলনা শিল্প যখন দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন এই মানদণ্ড বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম আরও শক্তিশালী করবে।

এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নে বিএসটিআই, সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। নিরাপদ, সুস্থ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে এসডো তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলায় মামলা করায় শিক্ষিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


মোংলায় মামলা করায় শিক্ষিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

মোংলায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষিকা লাঞ্ছনার ঘটনায় করা মামলার বাদী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মামলা তুলে নিতে তাদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগও করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে না পাঠাতে অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং মব তৈরির অভিযোগও করছে স্থানীয়রা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৭ জুন মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের পশ্চিম বাজিকরখণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উক্ত হামলার ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে একটি বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় ফারুকুল ইসলাম মৃধা ও জাকির হাওলাদারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি বিদ্যালয়ে হামলা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এসময় তারা অফিস কক্ষে ভাঙচুর চালায় এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। আসবাবপত্রও ভেঙে ফেলে। বাধা দিতে গেলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানম (৪৮)-কে লাঞ্ছিত করা হয়। এই আতঙ্কের কারণে শিক্ষার্থীরা বই-খাতা ফেলে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যায়।

এ ঘটনার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানম মোংলা থানায় মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় ফারুক মৃধাসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

নাজমী খানম অভিযোগ করেছেন, মামলা করার পর থেকেই আসামি ও তাদের সহযোগীরা তাকে এবং তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া, মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ তো রয়েছে। যদি মামলা না তোলা হয়, তবে ভয়াবহ পরিণতির হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন অভিভাবকের মোবাইল ফোনে কল করে সন্তানদের বিদ্যালয়ে না পাঠানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ রচিত হয়েছে, যেখানে অনেক অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামী মো. তরিকুল মৃধার মালিকানাধীন একটি চিংড়িঘেরে হামলা চালানো হয়েছে এবং সেখানে থেকে মাছ লুট করা হয়েছে।

তবে মামলার প্রধান আসামি ফারুক মৃধান তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নষ্ট করার জন্য তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বর্তমানে তিনি এলাকার বাইরে থাকেন এবং হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ভাঙচুরের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বাদীপক্ষ নতুন করে দেয়ালসহ হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল বিতরণ

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে সরকারি পোশাক সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সদ্য যোগদানকৃত ৩ জন গ্রাম পুলিশের জন্য বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্রাম পুলিশদের হাতে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল তুলে দেন।

বিতরণকৃত পোশাক সামগ্রীর মধ্যে ছিল ইউনিফর্ম, জুতা, টুপি এবং রেইনকোট।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রাম পুলিশরা তৃণমূল পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবা এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা ও উৎসাহিত করতেই এ ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি গ্রাম পুলিশদের নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীসহ মোট তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনা মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার সময় সদরের আলিমনগর ঘাট এলাকায় পদ্মা ও রেহাইচর এলাকায় মহানন্দা নদীতে ঘটে।

নিখোঁজ হওয়া পদ্মা নদীর দুই শিক্ষার্থী হলেন সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের রঊফ হাজিপাড়া এলাকার জেম আলীর ছেলে রিফাত (১৬) এবং ইসলামপুর চরতেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭)। উল্লেখ্য, নিখোঁজ এই দুই যুবক সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তারা দুজনেই স্কুল থেকে বাসায় না ফিরে সকালবেলা কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে জলাশয়ে ডুবে যায়।

অন্যদিকে মহানন্দা নদীতে রাবার ড্যামে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুরের রুহুল আমিনের ছেলে।

জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিখোঁজ দুইজন সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তারা কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গ নিয়ে চরবাগডাঙা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর আলিম নগর ঘাটে গোসল করার সময় পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী ডুবুরি দলও যোগ দেয় উদ্ধার তৎপরতায়।

এদিকে, বেলা আড়াইটার দিকে তিন বন্ধু মিলে মাছ ধরতে গিয়ে জাল ফেলার সময় পানিতে তলিয়ে যান প্রবাসী সাকিরুল ইসলাম। পরে স্থানীয়রা তার উদ্ধারে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। নিখোঁজ সাকিরুল ইসলামের গত এক মাস আগে আরব আমিরাত থেকে ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা ছিল।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, ‘পদ্মায় গোসল করার সময় দুই শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছে। অন্যদিকে মহানন্দা নদীতে রাবার ড্যাম এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে এক প্রবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। তারা উদ্ধার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওয়াসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরতির পর প্লেব্যাক গানে ফিরছেন ন্যান্সি ও ইমরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


বিরতির পর প্লেব্যাক গানে ফিরছেন ন্যান্সি ও ইমরান

বাংলা গানের জনপ্রিয় দুই কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও ইমরান মাহমুদুল আবারও একসঙ্গে গাইলেন। দীর্ঘ বিরতির পর, অবশেষে, তাদের কণ্ঠ মিলেছে একটি চলচ্চিত্রের গানে। এই নতুন দ্বৈত গানটি থাকছে ‘শিকার’ সিনেমায়। নতুন গানটির শিরোনাম ‘দুজন মিলে বাঁচব এক জীবন’, যা একটি রোমান্টিক গান। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল। জানা গেছে, গত রবিবার গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। নতুন গান নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ন্যান্সি বলেন, ‘ইমরানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সবসময়ই দারুণ। গানটির কথা ও সুর এত চমৎকার যে শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। অনেক দিন পর, শেষ পর্যন্ত, মনের মতো একটি চলচ্চিত্রের গান গাইলাম।’ ন্যান্সির সঙ্গে নতুন গান নিয়ে ইমরান মাহমুদুল তিনি বলেন, ‘বাংলা গানের অনন্য কণ্ঠ ন্যান্সি। তাঁর সঙ্গে দ্বৈত গান মানেই আমার জন্য বিশেষ কিছু। কাজেই নতুন গানটি করেও আমি ভীষণ আনন্দিত।’ ‘শিকার’ সিনেমাটি কামরুজ্জামান রোমান পরিচালনা করছেন। সিনেমার প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন অপু বিশ্বাস ও মুরতজা পলাশ। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমার পুরো শুটিং হবে নেপালে। এই সপ্তাহেই শুটিংয়ের জন্য দেশটিতে যাচ্ছেন সিনেমার শিল্পী ও কলাকুশলীরা। অপু বিশ্বাস ও মুরতজা পলাশ ছাড়াও ‘শিকার’ সিনেমায় অভিনয় করছেন বড়দা মিঠু, রাশেদ মামুন অপুসহ আরো অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%