বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
রাজশাহীতে পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতনে কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ফলে হাজার হাজার চাষিকে লোকসানের বোঝা বইতে হচ্ছে। সংরক্ষণে পচন, ওজন কমে যাওয়া এবং বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ—সব মিলিয়ে পেঁয়াজচাষিদের মধ্যে হতাশার ছায়া নেমে এসেছে। চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে, তবে কৃষকের মুখে হাসি নেই। দামে ধস নামায় বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ২১ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে মুড়িকাটা বা আগামজাতের পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৩৪৪ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩২ হাজার ৩০০ টন। অন্যদিকে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮০০ টন। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় চলতি মৌসুমে রাজশাহীর সর্বত্রেই তাহেরপুরী ও নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। এর আগে রাজশাহীতে এত পরিমাণ পেঁয়াজ চাষ হয়নি। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, যেখানে অন্যান্য বছর এই সময়ে প্রতি মণ পেঁয়াজ ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে বর্তমানে জাতভেদে দাম নেমে এসেছে মাত্র ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। ফলে গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত কম দাম পাচ্ছেন তারা। দীর্ঘদিন ঘরে সংরক্ষণ করে রাখার কারণে অনেক পেঁয়াজ শুকিয়ে ওজন কমে যাচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ পচেও নষ্ট হচ্ছে। বাজারে ওজন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। উৎপাদন ব্যয় তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুঠিয়ার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর হাটে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষক আব্দুল মমিন ভীষণ হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এখন মাত্র এক কেজি গরুর মাংস কেনা যায়। সংসারের সবজি কিনতেও তাকে আরো এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়। তিনি জানালেন, গত ২০ বছরে এমন দাম তিনি আর কখনও দেখেননি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহই দরপতনের প্রধান কারণ। পেঁয়াজ ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম জানান, এবার উৎপাদন অনেক বেশি হয়েছে। তবে সংরক্ষণ সমস্যার কারণে কৃষকরা ঘরে রাখতে পারছেন না। ফলে একসঙ্গে বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ বাজারে আসছে। মোকামে যদি বেশি দামে বিক্রি করতে না পারি, তবে বেশি দামে কিনব কীভাবে? পবার কৃষক শুকুর মোহম্মদ বলেছেন, এবারের পেঁয়াজে বড় লোকসান খাবো। আগেরবার চাষ করে কিছু লাভ হয়েছিলো, তবে এবার ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লোকসান হবে। বাজারে দামের এমন পরিস্থিতি কিভাবে সামলাবেন, তা বুঝতে পারছি না। চাষিরা জানিয়েছেন, নিজস্ব জমিতে প্রতি বিঘায় পেঁয়াজ চাষে খরচ হয় ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। লিজ নেওয়া জমিতে এ খরচ বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা, যেখানে জমির ভাড়াই বিঘাপ্রতি ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। চাষিরা বাজারদর পতনের জন্য আগের পেঁয়াজ আমদানিকে দায়ী করছেন। তাদের অভিযোগ, মৌসুমের শুরুতে যখন দেশীয় ‘মুড়িকাটা’ পেঁয়াজ বাজারে উঠছিল, তখন আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে এসে স্থানীয় উৎপাদন ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের জোগান বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। অনেক কৃষক পচনের আশঙ্কায় দ্রুত বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দরপতন হয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, কিছুদিন পর দাম বাড়তে পারে। আর কৃষকদের দাবি, বাজার নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণসুবিধা বাড়ানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন। তা ব্যতিত আগামী মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন অনেক কৃষক। ফলে ভবিষ্যতে উৎপাদন ও বাজার উভয় ক্ষেত্রেই নতুন সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পরিচর্যা শাখার পরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল জানিয়েছেন, পেঁয়াজ সারা বছর খাওয়া হলেও যদি সবাই একসঙ্গে বিক্রি করতে যায়, তবে বাজারদর কমে যায়। তাই ফসল কাটার পরপরই উৎপাদন খরচ উঠে আসার আশা করা উচিত নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ঈশ্বরীপুর গ্রামে বর্তমানে এক নীরব জনস্বাস্থ্য সংকট বিরাজ করছে। প্রতিদিন জমে থাকা মুরগির বিষ্ঠার কারণে প্রবল দুর্গন্ধ ও অসহনীয় মাছির উপদ্রবে বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবারের জীবন। ঘরে খাবার রাখতে পারা যাচ্ছে না, স্বাভাবিকভাবে খাওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়েছে, এমনকি নবজাতক শিশুকে মাছির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য মাঝেমধ্যে মশারির ভিতরে রাখতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর কোনো প্রতিকার না পাওয়ার ফলশ্রুতিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঈশ্বরীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ হলো, স্থানীয় খামারমালিক স্বপন পরিচালিত একটি লেয়ার মুরগির খামারে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে মুরগির বিষ্ঠা জমিয়ে রাখা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণ কিংবা দুর্গন্ধনাশক পদার্থ ব্যবহারের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই, তাই পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে চরম দুর্গন্ধ। পাশাপাশি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে মাছির উপদ্রবও। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, এই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ১২০টি পরিবারের ৬৪২ জন সদস্য রয়েছেন। গত তিন মাসের মধ্যে খামার থেকে উৎপন্ন পরিবেশ দূষণ ও মাছির আক্রমণ এমন সীমায় পৌঁছেছে যে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, খামারের ভেতরে মুরগির বিষ্ঠা স্তূপ করা আছে। চারপাশে অসংখ্য মাছি উড়ছে। খামারের আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে দুর্গন্ধের কারণে। বাড়ির রান্নাঘর থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত সর্বত্র মাছির রাজত্ব। গ্রামের বাসিন্দা রোহেনা বেগমের মুখে ফুটে উঠেছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির চিত্র। তিনি বলেন, “তরকারি রান্না করে রাখতে পারি না। খাবার পরিবেশন করলে মাছি এসে ভাতের প্লেট ও তরকারিতে বসে যায়। পরিবারের সদস্যদের সঠিকভাবে খাবার দিতে পারছি না। মাছির কারণে আমাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।”
রোহেনা জানান, আগে খামারটিতে সোনালি জাতের মুরগি পালন করা হতো। তখন কিছুটা দুর্গন্ধ থাকলেও বর্তমানে যে মাত্রার মাছির উপদ্রব দেখা দিয়েছে, তা আগে কখনো দেখা যায়নি। তিনি দ্রুত প্রতিকার না পেলে আদালতের আশ্রয় নেওয়ারও ইচ্ছা প্রকাশ করেন। একইভাবে কয়েক দিন আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দেওয়া গৃহিণী লিপি খাতুনও একই দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। নবজাতক শিশুকে নিয়ে তিনি চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, “শিশুর শরীর ও মুখে মাছি এসে বসে থাকে। সব সময় মশারি টাঙিয়ে রাখতে হচ্ছে। ঘরে খাবার রাখলেই মাছি এসে ভরে যায়। নবজাতককে নিয়ে আমি দুশ্চিন্তায় আছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “মাছির অত্যাচারে আত্মীয়রা এখন বাড়িতে আসতে চান না। জামাইকে খেতে দিলে খাবারের ওপর মাছি বসে যায়। ঘেন্না আর অস্বস্তির জন্য এখন তিনিও বাড়িতে আসেন না।” তিনি অভিযোগ করেছেন, গ্রামের মানুষ স্বাভাবিক রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না। অনেক সময় দেখা যায় খাবারের সঙ্গে মাছি মুখে চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতির প্রতিকার চেয়ে গ্রামবাসীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), এবং পরিবেশ অধিদপ্তরে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের পর পরিবেশ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ও ভূমি কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের তদন্তের ফলেও অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, খামারের বর্জ্য থেকে উৎপন্ন দুর্গন্ধ পুরো গ্রামে ছড়িয়ে দিয়েছে এবং জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি গবাদিপশুকেও স্বাভাবিকভাবে খাবার খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। খামারে দুর্গন্ধনাশক পদার্থ ব্যবহার না করার কারণে পরিবেশ দূষণ বেড়ে গিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন জানান, “গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত অনুমোদনের বিষয়গুলো যাচাই করেছি। সেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই খামারমালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে খামারমালিক স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয় জনগণের আশঙ্কা, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, মাছি নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এলাকায় ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাদের দাবি, জরিমানার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। ঈশ্বরীপুরের মানুষ এখন একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন-তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হওয়ার পরও তারা আর কতদিন দুর্গন্ধ ও মাছির সঙ্গে বসবাস করতে হবে?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের কারণে জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারিয়াকন্দির চদনবাইশা-বগুড়া দীর্ঘ বাইপাস সড়কের বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী সহ সাধারণ জনগণ। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিএনজি চালিত থ্রি হুইলার, ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেল এ পথে ছুটে চলে। সম্প্রতি বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও ভাঙাচোরা রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে এ রাস্তায় হেঁটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বর্ষার এই সময়ে গর্তে পানি জমে গিয়ে সড়কটি সত্যিকার অর্থে এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় ঘুঘুমারী গ্রামের কুদরত-ই-খুদা চাঁন জানান, বালুবাহী ট্রাকের কারণে সড়কটির বেহাল অবস্থায় রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে চরের ৫ ইউনিয়নে জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা-যাওয়া করা রোগীদের দুর্ভোগের কোন শেষ নেই। অটোরিকশা চালক হাসেম আলী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী তুলতে গেলে প্রতিদিনই গাড়ির ঝাঁকুনির কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটে। মাঝে মাঝে গাড়ি থেকে যাত্রী পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় শেখপাড়া গ্রামের সোহান শেখ অভিযোগ করেন, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
গElmচট, ২০২৩ সালের সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর কয়েক মাস যেতে না যেতেই সড়কের ভাঙন দেখা দিয়েছে। তখন কিছুটা মেরামত করা হলেও, কিছুদিন যেতে না যেতেই সড়কে এই অবস্থা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সড়কের করিতলা থেকে রৌহদহ পর্যন্ত সড়কে দিন-রাত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। আর এই গর্তে দুর্ভোগের শেষ নেই। এই প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার বলেন, এ ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর পোরশায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও রাকিবুল ইসলাম।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় পুষ্টিসেবার বাস্তবায়নে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পর্কে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামাল উদ্দিন।
তিনি এ সময় জানান যে আগামী ২৮ জুন উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে একযোগে ৬-১১ মাস বয়সের শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সের শিশুদের লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এছাড়া, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাগণও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর থানা পুলিশ ডা. সামির হোসেন মিশুকে আটক করেছে। এফএনএস (সৌরভ অধিকারী শুভ; শেরপুর, বগুড়া) : প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম।
বগুড়া জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু (৫৮) কে গ্রেপ্তার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। তাঁকে সোমবার ২৩ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘাটপার এলাকার মকটেল আইল্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা যায়, বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা মৃত ডা. সাফদার হোসেনের ছেলে ডা. সামির হোসেন মিশু শেরপুর উপজেলায় ডা. মনিরুজ্জামান স্বপনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে মকটেল আইল্যান্ডে এসেছিলেন। সেই সময়ে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং থানায় নিয়ে যায়।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ডা. সামির হোসেন মিশুর বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় একটি নাশকতার মামলা রয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে তাঁকে আটক করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ