বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩০ এম
প্রযুক্তি বিশ্বে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুলের অপব্যবহার ঠেকাতে প্রথমবারের মতো কোনো এআই কোম্পানি নিজের একটি ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে ইলন মাস্কের এক্সএআই (xAI)। গ্রাহক টেরি হারউডের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে, যিনি পরিষেবার শর্ত ভঙ্গের জন্য এবং সুরক্ষাব্যবস্থা অতিক্রম করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরির অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন।
গত মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি ফেডারেল আদালতে হারউডের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়, যিনি দক্ষিণ ক্যারোলাইনার বাসিন্দা। অভিযোগের মধ্যে ১২ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে যে অভিযুক্ত হারউড ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এক্সএআইয়ের চ্যাটবট গ্রোকের মাধ্যমে একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন।
হারউড গ্রোকের সুরক্ষা ব্যবস্থা এড়ানোর জন্য এমন সব প্রম্পট প্রদান করেছিলেন, যা সিস্টেমের নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সহায়ক ছিল। তিনি সাধারণ কিছু ছবি আপলোড করে সেগুলোকে বিকৃত বা যৌন উত্তেজক ছবিতে রূপান্তরের চেষ্টা করেছেন।
মামলার আরও বিবরণে দেখা যায় যে, হারউড ছবিগুলোকে যৌন আবেদনময়ী করার জন্য গ্রোককে নির্দেশ পাঠাচ্ছেন। কিন্তু, গ্রোক সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘনের কারণে সেই চেষ্টা বাতিল করছিল। হারউড মডারেশন প্রচেষ্টাকে পাশ কাটাতে বার বার প্রম্পট পরিবর্তন করে তা করতে বাধ্য করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
এই সকল ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক্সএআই আদালতের কাছে হারউডের বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে এবং একই সঙ্গে তাকে প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশও চেয়েছে।
বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনা ও আইনি কড়াকড়ির মুখে এক্সএআই মামলাটি দায়ের করেছে। এর আগে প্ল্যাটফর্মটিতে আপত্তিকর ও যৌন উত্তেজক বিষয়বস্তু তৈরির সুযোগ থাকার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। গ্রোক ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রকদের রোষানলে পড়েছে এবং মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে।
যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে ইলন মাস্ক গ্রোকের মাধ্যমে শিশুদের কোনো ধরনের যৌনতাপূর্ণ বা নগ্ন ছবি তৈরির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে প্রতিদিন নানা কর্মসূচি পালন করছে সরকারের বিভিন্ন দফতর, সংস্থা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অনেক সংগঠন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে কী কী আছে, দিনটির শুরুতেই তা জানা যেতে পারে।
সকাল ১১টায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বামনপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি। এসময় দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সকাল ১০টায় কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের কবর পরিদর্শন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে চট্টগ্রামে গিয়ে মুরাদপুরে শহীদ ওয়াসিমের স্মৃতিফলক ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বিকেল আড়াইটায় কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি।
বিকেল সাড়ে ৫টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর চত্বরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদসহ সব শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দলটির মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বিএমএ ভবনে ‘এআই-চালিত স্বাস্থ্য অপারেটিং সিস্টেম’ বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের (এইচইইউ) উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে ১১ কোটি ০১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এতে উল্লেখ করা হয়, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ১২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছর ভিত্তিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
এছাড়া, গত জুন মাসে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার। অন্যদিকে, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং মার্চে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এছাড়াও, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা যখন বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়, তখন সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করতে শুরু করেন স্পেনের কিংবদন্তি গোলকিপার ইকার ক্যাসিয়াস। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে লিওনেল মেসির দল ফাইনালে পৌঁছানোর পর তিনি একের পর এক মন্তব্যে স্পেনের প্রতি তাঁর সমর্থন প্রকাশ করেছেন এবং আর্জেন্টিনাকে খোঁচাঝাড় করেছেন।
ম্যাচ চলাকালে ক্যাসিয়াস ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলে। তিনি বলেন, ইংল্যান্ড অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলায় যায়, যা তাঁকে অসন্তোষ দান করে। তার মতে, গোলের পর অতিরিক্ত রক্ষণের দিকে যাওয়া ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ভুল। এর ফলে আর্জেন্টিনা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে একের পর এক আক্রমণের সুযোগ তৈরি করে।
ম্যাচ শেষে ক্যাসিয়াস জানান, ইংল্যান্ড মূলত নিজেদের কৌশলগত ভুলের কারণেই ম্যাচ হারিয়েছে। তিনি বলেন, প্রায় আধঘণ্টা ধরে ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে খেলায় আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ দিয়েছে, যা এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গ্রহণযোগ্য নয়, বলেও মন্তব্য করেন ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী এই গোলকিপার।
তবে ক্যাসিয়াসের পরবর্তী বার্তাগুলো সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, আর্জেন্টিনা চতুর্থ বিশ্বকাপ জিততে পারবে না। বরং স্পেনই নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের পথে রয়েছে। তিনি স্প্যানিশ দলকেও উৎসাহিত করেন।
আটলান্টার সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে। এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে জয়সূচক হেডে গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ।
এবারের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে। ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় সেই লড়াইয়ে স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন ও মেসিদের চতুর্থ তারকা জয়ের লক্ষ্য থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শহীদ আবু সাঈদ, যিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আজকের দিনেই চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরামও শহীদ হন।
এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একদিনে প্রথমবারের মতো ছয়জন প্রাণ হারান। সরকার পরে দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবস পালন করা হচ্ছে।
আজ দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারী ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়া, জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
দিবসের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত আছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, যা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান করবেন। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের বাড়িতে গিয়ে সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, এবং চট্টগ্রামের মুরাদপুরে শহীদ ওয়াসিমের শাহাদাতস্থলে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ছাত্রদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায়। ১৬ জুলাই পুলিশি হামলায় আবু সাঈদ বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যা দেখে পুরো বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে যায়। তার শাহাদাত আন্দোলনের গতিপথ পাল্টে দেয়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং সমর্থকদের হামলায় দুইজন যুবক ঢাকায় শহীদ হন, নিউমার্কেট এলাকার হকার মো. শাহজাহান এবং নীলফামারীর যুবক সবুজ আলী। চট্টগ্রামে এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমদ শান্ত এবং ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ ফারুক শহীদ হন। অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হয়।
সারা দেশে সংঘর্ষ, বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে। সরকারের বিরুদ্ধে জনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ