ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার


জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে ১১ কোটি ০১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে উল্লেখ করা হয়, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ১২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছর ভিত্তিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

এছাড়া, গত জুন মাসে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার। অন্যদিকে, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং মার্চে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এছাড়াও, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনাকে খোঁচা দিয়ে ফাইনালে স্পেনের পক্ষেই বাজি ক্যাসিয়াসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ এম


আর্জেন্টিনাকে খোঁচা দিয়ে ফাইনালে স্পেনের পক্ষেই বাজি ক্যাসিয়াসের

আর্জেন্টিনা যখন বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়, তখন সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করতে শুরু করেন স্পেনের কিংবদন্তি গোলকিপার ইকার ক্যাসিয়াস। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে লিওনেল মেসির দল ফাইনালে পৌঁছানোর পর তিনি একের পর এক মন্তব্যে স্পেনের প্রতি তাঁর সমর্থন প্রকাশ করেছেন এবং আর্জেন্টিনাকে খোঁচাঝাড় করেছেন।

ম্যাচ চলাকালে ক্যাসিয়াস ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলে। তিনি বলেন, ইংল্যান্ড অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলায় যায়, যা তাঁকে অসন্তোষ দান করে। তার মতে, গোলের পর অতিরিক্ত রক্ষণের দিকে যাওয়া ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ভুল। এর ফলে আর্জেন্টিনা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে একের পর এক আক্রমণের সুযোগ তৈরি করে।

ম্যাচ শেষে ক্যাসিয়াস জানান, ইংল্যান্ড মূলত নিজেদের কৌশলগত ভুলের কারণেই ম্যাচ হারিয়েছে। তিনি বলেন, প্রায় আধঘণ্টা ধরে ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে খেলায় আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ দিয়েছে, যা এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গ্রহণযোগ্য নয়, বলেও মন্তব্য করেন ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী এই গোলকিপার।

তবে ক্যাসিয়াসের পরবর্তী বার্তাগুলো সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, আর্জেন্টিনা চতুর্থ বিশ্বকাপ জিততে পারবে না। বরং স্পেনই নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের পথে রয়েছে। তিনি স্প্যানিশ দলকেও উৎসাহিত করেন।

আটলান্টার সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে। এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে জয়সূচক হেডে গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ।

এবারের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে। ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় সেই লড়াইয়ে স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন ও মেসিদের চতুর্থ তারকা জয়ের লক্ষ্য থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদ দিবস আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ এম


জুলাই শহীদ দিবস আজ

আজ ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শহীদ আবু সাঈদ, যিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আজকের দিনেই চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরামও শহীদ হন।

এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একদিনে প্রথমবারের মতো ছয়জন প্রাণ হারান। সরকার পরে দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবস পালন করা হচ্ছে।

আজ দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারী ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়া, জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

দিবসের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত আছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, যা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান করবেন। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের বাড়িতে গিয়ে সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, এবং চট্টগ্রামের মুরাদপুরে শহীদ ওয়াসিমের শাহাদাতস্থলে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ছাত্রদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায়। ১৬ জুলাই পুলিশি হামলায় আবু সাঈদ বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যা দেখে পুরো বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে যায়। তার শাহাদাত আন্দোলনের গতিপথ পাল্টে দেয়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং সমর্থকদের হামলায় দুইজন যুবক ঢাকায় শহীদ হন, নিউমার্কেট এলাকার হকার মো. শাহজাহান এবং নীলফামারীর যুবক সবুজ আলী। চট্টগ্রামে এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমদ শান্ত এবং ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ ফারুক শহীদ হন। অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হয়।

সারা দেশে সংঘর্ষ, বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে। সরকারের বিরুদ্ধে জনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ফ্রান্সে উত্তেজনা, গ্রেফতার কমপক্ষে ১৬০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ এম


বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ফ্রান্সে উত্তেজনা, গ্রেফতার কমপক্ষে ১৬০

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর ফ্রান্সের একাধিক শহরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্যারিস ও লিওঁসহ কয়েকটি এলাকায় সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই শহর মিলিয়ে ১৬০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম 'বিএফএমটিভি' জানায়, শুধু রাজধানী প্যারিস থেকেই ১৪১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ প্রিফেকচারের তথ্যমতে, বেশির ভাগ গ্রেফতারের কারণ ছিল পুলিশ সদস্য ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে আতশবাজির মর্টার ছোড়া।

অন্যদিকে, লিওঁর প্লাস বেলকুর চত্বরে বড় পর্দায় শত শত সমর্থক সেমিফাইনাল উপভোগ করেন। ম্যাচ শেষে সেখানে অবস্থানরত অনেকেই ছিলেন। পরে একটি ছোট দলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু, বিশেষ করে আতশবাজি নিক্ষেপ করার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট সিআরএস ৮৩-এর সহায়তা নেয়। পরবর্তীতে যৌথ অভিযানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং প্রায় ২০ জনকে আটক করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ২০০২ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া তরুণ।

তবে পুরো ঘটনার মধ্যে কিছু স্বস্তির খবরও রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংঘর্ষের সময় কোনো গুরুতর আহতের ঘটনা ঘটেনি। পাশাপাশি সরকারি বা বেসরকারি সম্পদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃহত্তর সংঘাতে জড়াতে ভয় পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ এম


বৃহত্তর সংঘাতে জড়াতে ভয় পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ইরানের

ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে শত্রুপক্ষের আগ্রাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা’ লঙ্ঘন ঘটার পর, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইরানি সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে দেশটির প্রতিরোধ সক্ষমতা এবং সশস্ত্র বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়ে নতুন আলোচনা একটি নতুন মাত্রা নিয়েছে। খবরটি মেহের নিউজ এজেন্সির।

ইরানের সামরিক বিশ্লেষকদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসি একীভূত কমান্ড কাঠামোর অধীনে সমন্বিতভাবে কাজ করায় প্রতিপক্ষের বাহিনীকে আলাদা আলাদা ভাবে মোকাবিলা করতে হয় না। বরং প্রতিপক্ষ একটি সমন্বিত সামরিক শক্তির মুখোমুখি হয়। দ্রুতগতির নৌযান, সাবমেরিন, ড্রোন ও উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা স্তর একত্রিত একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার ফলে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

সম্প্রতি সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসির মুখপাত্রদের একটি যৌথ বৈঠকে উভয় বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, সহযোগিতা এবং গণমাধ্যম কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ইরানের সেনাবাহিনী পূর্ণ সমর্থন প্রদান করেছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে সমন্বিত তথ্য প্রচার এবং যৌথ যোগাযোগ কৌশল বাস্তবায়নের বিষয়ে সমঝোতা করা হয়েছে।

বৈঠকের অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, ইসলাম, বিপ্লব এবং দেশের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে ইরানের সব সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং শত্রুপক্ষের প্রচারযুদ্ধ মোকাবিলায় তারা একত্রে কাজ করবে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি বন্ধের পরিকল্পনা নতুন নয় বলে জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রহিম সাফাভি। তিনি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ২০১১-১২ সালেই তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশে হরমুজ প্রণালি বন্ধের জন্য একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। ওই পরিকল্পনার প্রণয়নে আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।

ইরানি কর্মকর্তারা জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধের পদক্ষেপ দেশটির প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রকাশ করছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতিরোধ তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিপক্ষ মনে করে আক্রমণের খরচ সম্ভাব্য লাভের চেয়ে অনেক বেশি। সশস্ত্র বাহিনীগুলোর সমন্বিত সক্ষমতা সেই প্রতিরোধ শক্তিকে আরও জোরদার করেছে।

বিশ্লেষণ আরো দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। বরং দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প নিজস্ব প্রযুক্তি এবং সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নও উত্থাপিত হয়েছে—যদি যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চায়, তাহলে তারা কেন কেবল দক্ষিণাঞ্চলে হামলা সীমিত রাখছে? ইরানের সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বাহিনীগুলোর সমন্বিত শক্তির কারণে সংঘাতের পরিধি বাড়ালে তারা আরও বড় ধরনের প্রতিরোধের মোকাবিলা করতে পারে। সে কারণে তারা বৃহত্তর সংঘাতে জড়াতে অনাগ্রহী।

তবে এসব বক্তব্য মূলত ইরানের রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মহলের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%