০৩:৩৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা দূনীতি প্রতিরোধ কমিটি ও ফরিদপুর মন্বিত জেলা কার্যলয়ের আয়োজনে দূনীতি প্রতিরোধী গনসচেতনতা সৃষ্টি ও দূনীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে দূনীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ১১ জুন সকালে উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উপজেলা দূনীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সোহেল মিয়ার পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন দূনীতি দমন কমিশন ফরিদপুর কার্যলয়ের সহকারি পরিচালক মোস্তাফিজ, উপজেলা কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পলেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সজল কুমার সোম, শিক্ষা অফিসার পারমিচ সুলতানা, উপজেলা দূনীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কণা রাণী দাসসহ দূনীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ।
বির্তক প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। পাল্টাপাল্টি হামলার পরও, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা এখনও এগোচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনটি ইরানি সূত্র জানিয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। আলোচনাগুলোতে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের অর্থ ছাড়ের একটি প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন যে, তেহরান যদি দ্রুত কোনো শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে আরও হামলা চালানো হবে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান জানিয়েছে যে, উভয় দেশের মধ্যে সংঘাত বেড়ে যাওয়ার পরও ইসলামাবাদ যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় আশাবাদী থাকা কঠিন। তবে আমরা আশা হারাইনি এবং এখনও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত আছি।’
তিনি আরও জানান, ‘পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে এখনই শেষ বলে ধরে নেয়া উচিত নয়।’ আন্দ্রাবি বলেন, ‘সাম্প্রতিক উত্তেজনায় অঞ্চলটির পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তান গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি, সব ধরনের বিরোধপূর্ণ ইস্যুর সমাধানে কূটনীতি ও সংলাপই হওয়া উচিত প্রধান পথ।’
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকবি তেহরান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে, তিনি ইরানের নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর একটি বার্তা ও চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন।
এদিকে, ইরান জানিয়েছে যে, সর্বশেষ মার্কিন হামলা দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধবিরতিকে কার্যত অর্থহীন করে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণলয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, গত কয়েক ঘণ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ ও অপরাধমূলক হামলা শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন নয়, বরং এটি যুদ্ধবিরতিকে কার্যত অর্থহীন করে দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যে দায়ভার সেটি শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকেই বহন করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচকে কেন্দ্র করে একটি বড় ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে মেক্সিকো সরকার। রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে যানজট এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা বাড়ি থেকে কাজ করেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটির কারণে শহরে চাপ কমানোর জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন। ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, শুধুমাত্র সরকারি নয়, বরং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে। সব ধরনের স্কুল-কলেজ কার্যক্রম পুরো দিনের জন্য স্থগিত থাকবে।
সরকারি দপ্তরে কর্মরত ফেডারেল কর্মীদের জন্যও দূর থেকে কাজ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অনুরোধ করা হয়েছে যে, যেসব কাজ জরুরি নয়, সেগুলো যেন কর্মীরা বাসা থেকে সম্পন্ন করেন।
প্রেসিডেন্ট শিনবম বলেন, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিন যেন কোনো ধরনের যানজট বা সমস্যা ছাড়াই শান্তভাবে সম্পন্ন হয়।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপগুলো মূলত শহরের বাসিন্দা এবং বিশ্বকাপ দেখতে আসা দর্শকদের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য নেয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, এই বিশেষ ব্যবস্থা শুধুমাত্র উদ্বোধনী ম্যাচের দিন কার্যকর থাকবে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিয়মিত কার্যক্রম আবার শুরু করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই শিরোপা ধরে রাখা ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মধ্যে একটি। ইতিহাস অন্তত তাই বলে। প্রায় শতবর্ষের বিশ্বকাপ ইতিহাসে মাত্র দুটি দলই টানা দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালি এই কীর্তি প্রথম গড়েছিল এবং ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে তা পুনরাবৃত্তি করে ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে ৬৪ বছর। তবে আর কোনো দল সেই সাফল্য ছুঁতে পারেনি।
এবার বর্তমানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে সেই ইতিহাসে নাম লেখানোর সুযোগ এসেছে। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ৩৬ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর পরে, দলটি এখন নতুন করে বিশ্বমঞ্চে নামতে যাচ্ছে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে। লুসাইলের ঐতিহাসিক রাতে লিওনেল মেসির হাতে ট্রফি ওঠার দৃশ্য এখনও আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে জ্বলজ্বল করছে। তবে চার বছর পরে, নতুন বাস্তবতায়, নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামবে দলটি। কারণ বিশ্বকাপ এমন একটি মঞ্চ, যেখানে অতীতের সাফল্য ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দেয় না।
আর্জেন্টিনা এখন আর এককভাবে মেসিনির্ভর দল নয়। বরং তারা এখন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ইউনিট হিসেবে পরিণত হয়েছে। মাঝমাঠে রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দলের ছন্দ ধরে রাখছেন। আক্রমণে লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন। আর প্রয়োজনের মুহূর্তে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ক্ষমতা এখনও রাখেন মেসি।
গোলপোস্টের নিচে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দলের অন্যতম ভরসা। বিশেষ করে নকআউট পর্বে তার উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য মানসিক চাপ তৈরি করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব ফুটবলে তার কিছু ভুল চোখে পড়েছে, যা বড় ম্যাচে চিন্তার কারণ হতে পারে।
গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হয়েছে আলজেরিয়া, জর্ডান এবং অস্ট্রিয়া। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও, কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে হারের অভিজ্ঞতা দলটির জন্য বড় শিক্ষা।
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের অভিজ্ঞতা। বেশিরভাগ খেলোয়াড় জানেন, বিশ্বকাপের চাপ কীভাবে সামলাতে হয়। পাশাপাশি বেঞ্চে থাকা তরুণ ফুটবলারদের মধ্যে ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে। তবে রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং দীর্ঘ টুর্নামেন্টে ইনজুরি শঙ্কা দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সবকিছু মিলিয়ে, আর্জেন্টিনার সামনে যেমন সুযোগ বড়, তেমনি চ্যালেঞ্জও কঠিন। যদি তারা আবারও শিরোপা জিতে পারে, তাহলে ৬৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটবে এবং ইতালি ও ব্রাজিলের পাশে তাদের নাম বসবে। ফুটবল বিশ্বের জন্য এটি হবে একটি নতুন ইতিহাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ