ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবান্ধায় হত্যা চেষ্টা ও অপহরণসহ একাধিক ধারার মামলার আসামি গ্রেপ্তার


ইবান্ধায় হত্যা চেষ্টা ও অপহরণসহ একাধিক ধারার মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাইবান্ধা সদর থানায় দায়ের করা হত্যা চেষ্টা, অপহরণ ও মারধরসহ একাধিক ধারার মামলায় মোঃ মজনু মিয়া (৪৮) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) রাত ১২টা ৩০ মিনিটে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর সাখাহার ইউনিয়নের আলীগ্রাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মজনু মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার আলীগ্রাম গ্রামের মৃত নাছির সরকারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং-৩২/১৭৬, তারিখ ২২ মে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ। পেনাল কোডের ১৪৩/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩৪২/৩৬৫/৩০৭/১১৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার আসামি তিনি।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কের ৬০০ মোড়ে রেড লাইট ক্যামেরা চালু, জরিমানা ৫০ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


নিউইয়র্কের ৬০০ মোড়ে রেড লাইট ক্যামেরা চালু, জরিমানা ৫০ ডলার

নিউইয়র্ক নগর কর্তৃপক্ষ ৬০০ মোড়ে লালবাতি শনাক্তকারী স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা চালুর মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে যানবাহন চালানো এবং সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। গত ২১ অক্টোবর নগরীর মেয়র জোহরান মামদানি ও পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। নতুন ব্যবস্থায়, লালবাতি অমান্য করে গাড়ি চালানোর ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের নিবন্ধিত মালিককে ৫০ ডলার জরিমানা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য হলো, চালকদের ট্রাফিক আইন মানতে উৎসাহিত করা এবং পথচারীসহ সকল সড়ক ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নিউইয়র্ক নগরীর পাঁচটি প্রশাসনিক অঞ্চলে এই ক্যামেরাগুলি স্থাপন করা হয়েছে। নগরীর পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যের আইন সংশোধনের ফলে লালবাতি শনাক্তকারী ক্যামেরার সংখ্যা ১৫০টি মোড় থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৬০০টি মোড়ে নেওয়ার অনুমতি পাওয়া গেছে। এই প্রেক্ষাপটে, নগর কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু করে। চলতি বছরের ২১ অক্টোবর নাগাদ নির্ধারিত ছয়শটি মোড়ে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

নগর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নিউইয়র্কে মোড়কেন্দ্রিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ২২ শতাংশের সঙ্গে লালবাতি অমান্যের সম্পর্ক ছিল। স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরাকে এ ধরনের দুর্ঘটনা কমাতে কার্যকর একটি ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবহন বিভাগের তথ্য বলছে, ক্যামেরা স্থাপন করা মোড়গুলোতে লালবাতি অমান্য করার ঘটনা ৮০ শতাংশের বেশি কমেছে। তবে এই পরিসংখ্যান ক্যামেরা বসানো নির্দিষ্ট স্থানগুলোর জন্য প্রযোজ্য; পুরো নগরীতে একই হারে লালবাতি অমান্য কমেছে, এমন দাবি করা সঠিক হবে না।

দুর্ঘটনায় আহত মানুষের সংখ্যা কমার বিষয়ে ইতিবাচক তথ্যও প্রকাশ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ক্যামেরা স্থাপনের পর সংশ্লিষ্ট মোড়গুলোতে পেছন থেকে ধাক্কা লাগার দুর্ঘটনায় আহত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬০ শতাংশ কমেছে। পাশ থেকে ধাক্কা লেগে সংঘটিত দুর্ঘটনায় আহত মানুষের সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। এসব পরিসংখ্যানের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ বোঝাতে চেয়েছে, ট্রাফিক সংকেত অমান্য করার প্রবণতা কমলে সংঘর্ষ ও গুরুতর আঘাতের ঝুঁকিও হ্রাস করা সম্ভব। তবে এই ফলাফলকে পুরো নগরীর দুর্ঘটনা পরিস্থিতির সামগ্রিক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

নতুন ব্যবস্থায়, ক্যামেরা দিয়ে আইন অমান্যের ঘটনা শনাক্ত করার পর ডাকযোগে জরিমানার নোটিশ পাঠানো হয়। নগরীর সরকারি সেবা সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণত ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধিত যানবাহনের মালিকের কাছে নোটিশ পৌঁছায়। গাড়িটি অন্য কেউ চালালেও ক্যামেরায় ধরা পড়া লঙ্ঘনের জন্য নিবন্ধিত মালিকের কাছে নোটিশ পাঠানো হতে পারে। ক্যামেরার মাধ্যমে জারি করা লালবাতি অমান্যের জরিমানার পরিমাণ ৫০ ডলার। এ ধরনের জরিমানার কারণে চালকের গাড়ি চালানোর অনুমতিপত্রে দণ্ডবিন্দু যোগ হয় না।

তবে ক্যামেরায় ধরা পড়া লঙ্ঘন এবং পুলিশ সরাসরি চালককে থামিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। পুলিশ সরাসরি লালবাতি অমান্যের জন্য ব্যবস্থা নিলে সেটি চলমান যানবাহনসংক্রান্ত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে জরিমানা ও অন্যান্য পরিণতি ক্যামেরার মাধ্যমে জারি করা জরিমানার চেয়ে আলাদা হতে পারে। তাই চালকদের নোটিশের ধরন, ঘটনার বিবরণ এবং আপিলের নিয়ম ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ক্যামেরা বসানোর স্থান নির্বাচনেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে পরিবহন বিভাগ। যেসব মোড়ে অতীতে পাশ থেকে সংঘর্ষ, আহত হওয়ার ঘটনা এবং লালবাতি অমান্য করার প্রবণতা বেশি ছিল, সেসব স্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পথচারী, সাইকেলচালক, শিশু ও বয়স্ক মানুষের চলাচল নিরাপদ করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নগর কর্তৃপক্ষের মতে, স্বয়ংক্রিয় নজরদারির পাশাপাশি সড়কের নকশা উন্নয়ন, নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা এবং চালকদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

নগর কর্তৃপক্ষের ঘোষণায় দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে কাজ করা সংগঠন পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে লালবাতি অমান্য করে গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁদের মতে, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে অনেক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তবে ক্যামেরার পাশাপাশি বিপজ্জনক মোড়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নিয়মিত নজরদারিও প্রয়োজন।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, নিউইয়র্ক নগরীতে সর্বোচ্চ ছয়শটি মোড়ে লালবাতি শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। ২০২৪ সালে অনুমোদিত আইনটির অধীনে এই কর্মসূচির মেয়াদ ২০২৭ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আরও বেশি মোড়ে ক্যামেরা বসাতে হলে অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের নতুন অনুমোদন প্রয়োজন হবে। নগরীর পরিবহন নিরাপত্তাবিষয়ক সংগঠনগুলোর একাংশ মনে করে, ছয়শটি মোড়ের বাইরেও বিপজ্জনক অনেক স্থান রয়েছে, যেখানে ভবিষ্যতে এ ধরনের নজরদারি চালু করা দরকার।

নিউইয়র্কের ছয়শটি মোড়ে লালবাতি শনাক্তকারী ক্যামেরা চালু হওয়া সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্যামেরা স্থাপন করা মোড়গুলোতে লালবাতি অমান্য এবং দুর্ঘটনায় আহত মানুষের সংখ্যা কমেছে। তবে এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা মূল্যায়নে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ, স্বচ্ছ জরিমানা প্রক্রিয়া এবং স্বাধীন পর্যালোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নগর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি চালকদের সচেতনতা বাড়লে নিউইয়র্কের সড়ক আরও নিরাপদ হয়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নির্বাচনে নাগরিকত্ব ছাড়াই ভোট দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


মার্কিন নির্বাচনে নাগরিকত্ব ছাড়াই ভোট দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলাদেশি যুবক মোহাম্মদ হাচিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের মার্কিন জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যদিও তিনি নাগরিক নন। তার বয়স ৩৩ বছর। এই তথ্য ২৭ অক্টোবর মেরিল্যান্ড জেলার সরকারি আইন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যে, তিনি জানতেন যে মার্কিন নাগরিক নন, তবুও ২০২৪ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। তবে, অভিযোগ দায়ের হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত নয়। আইন অনুযায়ী, আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।

মেরিল্যান্ড জেলার মার্কিন অ্যাটর্নি কেলি ও হেইস এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বাল্টিমোর কার্যালয়ের কর্মকর্তা জিমি পল যৌথভাবে মামলার বিষয়টি প্রকাশ করেন। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাচিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি পরিচালনা করছেন সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসে। তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার ওয়াশিংটন কার্যালয় সহায়তা করেছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরের নির্বাচনের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও উপপ্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ। সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন জেনেও ওই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। তবে, তিনি কীভাবে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিলেন, কোন কেন্দ্রে ভোট দিয়েছিলেন, এবং তার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো পরিবর্তন ঘটেছিল কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে নেই।

নির্বাচনী আইনে নাগরিকত্বের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে, কেন্দ্রীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মার্কিন নাগরিক হতে হয়। কেবল সেখানে বসবাস করা, বৈধভাবে অবস্থান করা কিংবা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি থাকা নাগরিকত্বের সমান নয়। তাই নাগরিক নন এমন কেউ জেনেশুনে কেন্দ্রীয় নির্বাচনে ভোট দিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে, ভোটার নিবন্ধনের সময় কী তথ্য দেওয়া হয়েছিল, অভিযুক্ত ব্যক্তি কী জানতেন এবং সংশ্লিষ্ট আইনের শর্ত পূরণ হয়েছে কি না—এসব বিষয় বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

মেরিল্যান্ডের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে হাচিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা বলা হলেও, তার নিবন্ধনসংক্রান্ত অনিয়মের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। তিনি কি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন, নাগরিকত্ব সম্পর্কে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছেন, কিংবা অন্য কোনো পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন কি না, তা প্রকাশিত নথি থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে এসব বিষয়ে অনুমানভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা সমীচীন হবে না। অভিযোগের প্রকৃত বিবরণ জানতে আদালতে দাখিল করা পূর্ণ নথি ও পরবর্তী শুনানির তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে রহমানের সর্বোচ্চ এক বছরের কেন্দ্রীয় কারাদণ্ড হতে পারে বলে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, সর্বোচ্চ শাস্তির কথা বলা মানেই তাকে ওই মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হবে, এমন নয়। অপরাধ প্রমাণিত হলে সাজা নির্ধারণের সময় আদালত সংশ্লিষ্ট আইন, সাজা নির্ধারণের নির্দেশিকা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করবেন। মামলার বর্তমান পর্যায়ে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় বা সাজা ঘোষণার কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

এ ধরনের মামলায় অভিযোগ ও অপরাধ প্রমাণের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি। সরকারি কৌঁসুলিরা অভিযোগ এনেছেন, কিন্তু আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন ও বিচারিক সিদ্ধান্তের আগে কাউকে অপরাধী বলা যায় না। অভিযুক্ত ব্যক্তিরও নিজের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন এবং আইনগত প্রতিরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ কারণে মামলার পরবর্তী অগ্রগতি, আদালতের নথি এবং কর্তৃপক্ষের নতুন বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, ভোটার নিবন্ধন এবং নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত আলোচনা চলছে। তবে একটি ব্যক্তিগত মামলাকে কেন্দ্র করে অনাগরিকদের ভোট দেওয়ার ব্যাপকতা সম্পর্কে সাধারণ সিদ্ধান্ত টানা ঠিক হবে না। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী প্রমাণ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দেন, সেটিই হবে মূল বিবেচ্য বিষয়।

বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্যও ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। বিদেশে বসবাসের সময় স্থানীয় আইন, ভোটার নিবন্ধনের শর্ত এবং নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিধান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। কোনো সরকারি ফরম পূরণ কিংবা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে যোগ্যতা যাচাই করা উচিত। ভুল তথ্য দিয়ে নিবন্ধন বা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠলে তা গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবে এই মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির অভিবাসন পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।

বিচার বিভাগের মেরিল্যান্ড জেলার কার্যালয়ের ২৭ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তিই এ ঘটনার প্রধান সরকারি সূত্র। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হাচিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নির্বাচনে বেআইনিভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ভোটার নিবন্ধনের বিস্তারিত এবং মামলার চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করবে আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ল মিসরের শিশু মায়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ল মিসরের শিশু মায়ার

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে প্রথম স্থান অর্জন করেছে মিসরের শিক্ষার্থী মায়ার ওসমান। বিজয়ীর নাম ঘোষণার সাথে সাথেই সে মঞ্চে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে মহান আল্লাহর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। এই দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মায়ার ওসমানের নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। তিনি মায়ারের হাতে বিজয়ীর সম্মাননা তুলে দেন।

প্রতিযোগিতার সময় ৬০টিরও বেশি বই পড়েছে ১১ বছর বয়সী মায়ার। প্রথম স্থান অর্জন করে সে ৫ লাখ দিরহাম পুরস্কার লাভ করে। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে ফিলিস্তিনের ১৬ বছর বয়সী গাজাল তিম এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছে সৌদি আরবের ১১ বছর বয়সী রিয়ান আল জাকরি।

প্রতিযোগিতার আয়োজকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পরপরই মায়ার মাটিতে সিজদা করে। তার এই আবেগঘন মুহূর্তটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

মিসরের উত্তরাঞ্চলীয় কাফর আল-শেখ প্রদেশের বাসিন্দা মায়ার ওসমান দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত বাছাইপর্বে বিজয়ী হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

বিজয়ী হওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মায়ার জানায়, পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সে নিজের স্কুলে একটি ছোট পাঠাগার গড়ে তুলতে চায়। যেন বই পড়তে আগ্রহী প্রতিটি শিক্ষার্থী সেখানে এসে বই পড়ার সুযোগ পায়।

সে বলে, ‘আমি পিরামিড ও সভ্যতার দেশ থেকে এসেছি। আমি মিসরের মেয়ে, আরব বিশ্বের হৃদয়ের সন্তান। আমি ৭০টিরও বেশি বই পড়েছি এবং পড়া চালিয়ে যাব।’

পাঠাভ্যাস নিজের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে উল্লেখ করে মায়ার বলে, বই তাকে নতুন চিন্তা ও ধারণা দিয়েছে এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করেছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সময়ের সঠিক ব্যবহার, পড়াশোনা ও বই পড়ার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার মতো বিষয়ও শিখেছে সে।

মায়ারের ভাষায়, প্রকৃত পাঠক শুধু বই বহন করেন না; বরং বই থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজের জীবনে প্রয়োগ করেন এবং অন্যদের জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করেন।

এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের তথ্য অনুযায়ী, ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতার দশম আসরে ৬০টি দেশের ৪ কোটি ২৮৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১ লাখ ৬১ হাজার ৫০৭ জন শিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়ক এ আয়োজনে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৭৪ হাজার ৬২ জন।

প্রতিযোগিতাটির আয়োজকরা জানিয়েছেন, দশম আসরে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আগের আসরের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রতিযোগিতাটির দশটি আসরে ২০ কোটি ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’ মূলত আরবি ভাষায় পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের বোঝার ক্ষমতা, বিশ্লেষণ ও প্রকাশের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৫ সালে চালু করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ৫০টি বই পড়া ও সেগুলোর সারসংক্ষেপ তৈরি করতে হয়। এরপর বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাপের বাছাই পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে হয়।

তথ্যসূত্র : দ্য ন্যাশনাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটমোহরে কৃষকরা সার সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি, দাম বেশি দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


চাটমোহরে কৃষকরা সার সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি, দাম বেশি দাবি

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় সার সিন্ডিকেটের হাতে সাধারণ কৃষক জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু অসাধু সার ব্যবসায়ী বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করছেন। অনেক ডিলার সারের মূল্যতালিকা না টাঙিয়ে ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। রোপা আমন মৌসুমের শুরু থেকেই কতিপয় অসাধু ডিলার সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে সামনের রবিশস্য মৌসুমে সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সার মজুত করে কতিপয় ডিলার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও সাধারণ কৃষক সার পাচ্ছেন না। অনেক কৃষক জমি পতিত রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার অনেকেই কালোবাজারে সার বিক্রি করে দিচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, কৃষকের প্রয়োজন নেই এমন সার না নিলে প্রয়োজনীয় সার দেওয়া হচ্ছে না। বক্তারা এর প্রতিকার দাবি করেছেন।

সারের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ে সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা রবিউল করিম তারেক, শাহাদত হোসেন, মজনুর রহমান, অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু, জামায়াতে ইসলামীর নেতা আসাদুজ্জামান মিঞা, ছাত্রদলের উপজেলা আহ্বায়ক ফুলচাঁদ হোসেন শামীম প্রমুখ।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার নিমাইচড়ার মির্জাপুর, মূলগ্রামের রেলবাজার, ডিবিগ্রামের বামনগ্রাম বাজার ও ফৈলজানার শরৎগঞ্জ বাজারের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এবং গোডাউনে সার মজুত রেখে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। কৃষকের জন্য বরাদ্দ করা সার বাজারে না দিয়ে গুদামে মজুত রাখার অভিযোগ রয়েছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। তবে বেশি দাম দিলেই সার মিলছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চাটমোহর রেলবাজার এলাকার বিসিআইসি ডিলার আব্দুস সালাম সরকার, ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বামনগ্রাম বাজারের মাসুদ ও মোহাম্মদ আলী, শরৎগঞ্জ বাজারের ইউনুস আলী এবং মির্জাপুরের একজন ডিলার। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব বিক্রেতা একাধিক গুদামে শত শত বস্তা ডিএপি, পটাশ, এমওপি ও ইউরিয়া সার মজুত করে এলাকায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছেন।

সরকারি মূল্য অনুযায়ী ইউরিয়া সারের বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা, টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা ও পটাশ ১ হাজার টাকা। চাটমোহর উপজেলায় বিসিআইসির ডিলার ১২ জন, বিএডিসির ডিলার ১৭ জন এবং খুচরা সার বিক্রেতা ৬৯ জন। অভিযোগ রয়েছে, এঁদের অধিকাংশই সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। এতে কৃষকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে চাটমোহরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৭৬০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৭৭৫ হেক্টর। চলতি অক্টোবর মাসে উপজেলায় ইউরিয়া ৪৬৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ৫৪০ মেট্রিক টন, টিএসপি ১৫০ মেট্রিক টন এবং পটাশ ২৮৫ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি বরাদ্দের সার ছাড়াও ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে কালোবাজারে সার কিনে গুদামজাত করছেন।

তারা কৃষকদের কাছে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন খুচরা সার বিক্রেতা জানান, ডিলাররা সরকারি দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন। ফলে বিভিন্ন বাজারের খুচরা বিক্রেতারা সার পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ বলেন, বেশি দামে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রির বিষয়টি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দিয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার খালিদ হাসান বলেন, প্রতিটি সার বিক্রেতাকে মূল্যতালিকা টাঙাতেই হবে। সারের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষম বণ্টনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং অভিযোগ পেলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

Ñএমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%