ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং
বিশ্বকাপ ফুটবল

কেন ৮ দেশ বারবার ট্রফি জেতে, জানা গেল ‘গোপন সূত্র’


কেন ৮ দেশ বারবার ট্রফি জেতে, জানা গেল ‘গোপন সূত্র’

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর শুরু হতে যাচ্ছে। ১৯৩০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ফুটবলের ২২টি বিশ্বকাপে ৮০টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। এতসব দেশের মাঝে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সৌভাগ্য হয়েছে মাত্র ৮টি দেশের। কিন্তু কেন? কী সেই ‘গোপন সূত্র’, যার জন্য ঘুরেফিরে এই আট দেশই বিশ্বকাপ (FIFA World Cup) জেতে? কেন হাতেগোনা কয়েকটি দেশ বছরের পর বছর ফুটবলে রাজত্ব করে যাচ্ছে?

এই প্রশ্নটি শুধু ফুটবলপ্রেমীদেরই নয়, ভাবিয়ে তুলেছে বিশ্বনেতাদেরও। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং থেকে শুরু করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান—সবাই ফুটবলের এই বৈশ্বিক গৌরব পেতে মরিয়া। কারণ, মাঠের সাফল্য কেবল খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি দেশের মানুষের মনস্তত্ত্ব বদলে দেয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে এই গৌরব অর্জন করা মোটেও সহজ নয়।

বিশ্বকাপ ২০২৬: তিন দেশে কখন কোথায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান?

আরও পড়ুন: তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট সম্প্রতি একটি গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে ফুটবলের এই সাফল্যের সূত্র খোঁজার চেষ্টা করেছে। দলগুলোর পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য তারা দাবা খেলা থেকে অনুপ্রাণিত ‘এলো রেটিং’ (Elo rating) পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। একটি দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর শক্তি থেকে শুরু করে সে দেশের পুরুষদের গড় উচ্চতা—নানা চলক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ফুটবল সাফল্যের পেছনে মূলত চারটি বড় কারণ কাজ করে।

সাফল্যের চার ভিত্তি হচ্ছে অর্থ, জনসংখ্যা, উচ্চতা ও ভূগোল।

দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একটি দেশের ফুটবল শক্তির ৭০ শতাংশই নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জনসংখ্যা, খেলোয়াড়দের উচ্চতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর।

ধনী দেশগুলো কোচিং, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং যুব একাডেমি উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করতে পারে। তবে শুধু অর্থই শেষ কথা নয়। যুক্তরাষ্ট্র (USA) অত্যন্ত ধনী দেশ হলেও তাদের বিনিয়োগের বড় অংশ চলে যায় বাস্কেটবল বা আমেরিকান ফুটবলের মতো অন্য খেলায়। আবার মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো ফুটবল-পাগল হওয়া সত্ত্বেও মাঠে আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারছে না।

আরও পড়ুন: রাজশাহী রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হিসেবে মনোনীত মীর আশরাফ আলী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬০ নিত্যপণ্যে কর ছাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


৬০ নিত্যপণ্যে কর ছাড়

দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য প্রদান করেন।

বাজেট বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে করের পরিমাণ কমানো হবে। মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য যেমন- ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব মন্ত্রী দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল, তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ জনজীবনে স্বস্তি আনবে।

এ সময় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদের প্রথম বাজেট। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে তাসকিন-মুস্তাফিজের তোপে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া, বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


মিরপুরে তাসকিন-মুস্তাফিজের তোপে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া, বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

মিরপুরে তাসকিন আহমেদ এবং মুস্তাফিজুর রহমানের চমৎকার বোলিংয়ের ফলে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সফরকারীরা ওয়ানডে ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছে। যদিও তারা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে, মিরপুরের আকাশে বৃষ্টির হানা দেয় এবং খেলা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ৪২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই তাসকিন আহমেদ ম্যাথিউ শর্টকে বোল্ড করে বাংলাদেশের সাফল্যের সূচনা দেন। এরপর মুস্তাফিজুর রহমান পরের ওভারে হাজির হয়ে আরও কঠোর প্রদর্শন করেন। তিনি ওভারের প্রথম বলে কুপার কনোলি এবং শেষ বলে ম্যাট রেনশকে আউট করেন।

ফলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এটি ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথম, যেখানে অস্ট্রেলিয়া কোনো রান না করেই প্রথম তিন উইকেট হারায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি মাত্র চতুর্থ ঘটনা যেখানে এর আগেও ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটারকে পরপর তিন বলে আউট করেছিলেন পেসার চামিন্দা ভাস।

শুরুর ধাক্কা মেনে নেওয়ার আগেই মুস্তাফিজ এবং তানভীর ইসলামের আক্রমণে অস্ট্রেলিয়া ৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে তাদের একশ রানের নিচে অলআউট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। তবে মার্নাস লাবুশেন এবং জেভিয়ার বার্টলেট ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১০৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে বাংলাদেশী বোলারদের চাপের মধ্যে ফেলে।

বার্টলেট ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৫২ রান করে অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত করার চেষ্টা করলে তাসকিন আবারও আঘাত করেন। ৪১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বার্টলেটকে বোল্ড করেন এবং পরের বলেই অ্যাডাম জাম্পাকে শূন্য রানে ক্লিন বোল্ড করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন। জাম্পার বিদায়ের ফলে অস্ট্রেলিয়া ১৮৭ রানে আটকে যায়।

অন্যদিকে ৫৫ রান সংগ্রহ করে মার্নাস লাবুশেন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে তাসকিনের ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে ৪২ ওভার শেষে মিরপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি বেড়ে গেলে আম্পায়ার খেলা বন্ধ ঘোষণা করেন এবং খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরে নিয়ে যান।

যদি বৃষ্টি দ্রুত থেমে যায়, তাহলে ম্যাচ পুনরায় শুরু হওয়ার আশা রয়েছে। প্রথম ওয়ানডেতে জয় পাওয়া বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। অতএব, বৃষ্টি শেষে যদি তারা দ্রুত অস্ট্রেলিয়ার বাকি উইকেটগুলো তুলে নিতে পারে, তাহলে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে স্বাগতিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


বাজেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব

কর্মসংস্থানকে নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য বাজেটে সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে, সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটের কেন্দ্রে রয়েছে কর্মসংস্থান। আমরা করনীতিকে এমনভাবে সাজাতে চাই যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার পথ তৈরি হয়। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী এবং উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি রয়েছে।

এখন এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্যান্য সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে নিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ হবেন।

তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ দিতে পুরোপুরি সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। তারুণ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশে রাখা হবে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগের প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধাপে ধাপে ৫ বছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ধাপে ধাপে ৫ বছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাব করেছেন আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর। ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০-৩১ পর্যন্ত ৫ অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে সব পর্যায়ের ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আয়োজিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাবটি তুলে ধরেন।

সংসদে রাজস্ব সংক্রান্ত পরিকল্পনার সময় তিনি বলেছেন, বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যেখানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ৮৬ শতাংশ রাজস্ব আহরণ করে। বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতার মধ্যেও আমাদের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। রাজস্ব আহরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসার ক্ষেত্র বৃদ্ধি, দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করা। এটি অর্জনের জন্য ন্যায্য, প্রযুক্তিনির্ভর ও পূর্বানুমানযোগ্য রাজস্ব কাঠামো প্রয়োজন, যা ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সহযোগিতা করবে এবং বিনিয়োগ-উৎপাদন-কর্মসংস্থান-ভোগ-কর চক্রকে আরও গতিশীল করবে।

এরপর অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বিবেচনায় আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমার প্রস্তাব করেন।

২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমার পরিমাণ বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে এই করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকার প্রস্তাব দেন। পরিশেষে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা দাঁড়াবে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অর্থমন্ত্রী বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্য আলাদা সুবিধার প্রস্তাব রেখেছেন। অনুযায়ী, নারী করদাতা এবং ৬৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের সিনিয়র সিটিজেনরা ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা আয় পর্যন্ত করমুক্ত থাকবেন। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হবে ও ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করমুক্ত আয়সীমা হবে।

এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য আরও বেশি করমুক্ত আয়সীমার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত এই শ্রেণীর জন্য কর দিতে হবে না। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা হবে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হবে।

অর্থমন্ত্রী গেজেট করা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেট কৃত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা কর মুক্ত আয়সীমার প্রস্তাব দেন। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের জন্য সুবিধা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হবে। ২০৩০-৩১ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ হবে।

এদিকে, প্রতিবন্দী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবক প্রতি প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্যের জন্য ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত করমুক্ত আয়সীমা পাবেন।

বর্তমানে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা হিসেবে ধরা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বাজেট। মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে। বাজেট ঘাটতি হতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশের সমান।

এই বিশাল বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে।

বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%