০৪:১২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর শুরু হতে যাচ্ছে। ১৯৩০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ফুটবলের ২২টি বিশ্বকাপে ৮০টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। এতসব দেশের মাঝে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সৌভাগ্য হয়েছে মাত্র ৮টি দেশের। কিন্তু কেন? কী সেই ‘গোপন সূত্র’, যার জন্য ঘুরেফিরে এই আট দেশই বিশ্বকাপ (FIFA World Cup) জেতে? কেন হাতেগোনা কয়েকটি দেশ বছরের পর বছর ফুটবলে রাজত্ব করে যাচ্ছে?
এই প্রশ্নটি শুধু ফুটবলপ্রেমীদেরই নয়, ভাবিয়ে তুলেছে বিশ্বনেতাদেরও। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং থেকে শুরু করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান—সবাই ফুটবলের এই বৈশ্বিক গৌরব পেতে মরিয়া। কারণ, মাঠের সাফল্য কেবল খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি দেশের মানুষের মনস্তত্ত্ব বদলে দেয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে এই গৌরব অর্জন করা মোটেও সহজ নয়।
বিশ্বকাপ ২০২৬: তিন দেশে কখন কোথায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান?
আরও পড়ুন: তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার
বিশ্বখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট সম্প্রতি একটি গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে ফুটবলের এই সাফল্যের সূত্র খোঁজার চেষ্টা করেছে। দলগুলোর পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য তারা দাবা খেলা থেকে অনুপ্রাণিত ‘এলো রেটিং’ (Elo rating) পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। একটি দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর শক্তি থেকে শুরু করে সে দেশের পুরুষদের গড় উচ্চতা—নানা চলক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ফুটবল সাফল্যের পেছনে মূলত চারটি বড় কারণ কাজ করে।
সাফল্যের চার ভিত্তি হচ্ছে অর্থ, জনসংখ্যা, উচ্চতা ও ভূগোল।
দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একটি দেশের ফুটবল শক্তির ৭০ শতাংশই নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জনসংখ্যা, খেলোয়াড়দের উচ্চতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর।
ধনী দেশগুলো কোচিং, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং যুব একাডেমি উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করতে পারে। তবে শুধু অর্থই শেষ কথা নয়। যুক্তরাষ্ট্র (USA) অত্যন্ত ধনী দেশ হলেও তাদের বিনিয়োগের বড় অংশ চলে যায় বাস্কেটবল বা আমেরিকান ফুটবলের মতো অন্য খেলায়। আবার মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো ফুটবল-পাগল হওয়া সত্ত্বেও মাঠে আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারছে না।
আরও পড়ুন: রাজশাহী রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হিসেবে মনোনীত মীর আশরাফ আলী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন