ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঝালকাঠিতে যুবককে তুলে নিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি শাহজাহান গ্রেফতার


ঝালকাঠিতে যুবককে তুলে নিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি শাহজাহান গ্রেফতার

ঝালকাঠির রাজাপুরে নুরে আলম নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ প্রধান আসামি মো. শাহজাহান হাওলাদারকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারটি সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া এলাকা থেকে করা হয়। পরবর্তী সময়ে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলার মধ্য কবুতরখালী এলাকা থেকে শাহজাহানকে আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া শাহজাহান হাওলাদার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মৃত আব্দুল ছত্তার হাওলাদারের ছেলে।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। শাহজাহানের বিরুদ্ধে কাউখালী থানায় এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, ‘নুরে আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার করতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এর আগে, গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজাপুরের নৈকাঠি এলাকার বাসিন্দা নুরে আলমকে ভাড়া বাসা থেকে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে কাঠিপাড়া এলাকার একটি নালার মধ্যে মরদেহ ফেলে রাখা হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মাহে আলম বাদী হয়ে ওই দিনই রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলায় শাহজাহান হাওলাদারকে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: সিলেটে প্রেমের টানে চীনা নাগরিকের বিয়ে, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ হেফাজতে নেয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের উদ্যোগে একাডেমিক নিরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ এম


বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের উদ্যোগে একাডেমিক নিরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের উদ্যোগে একাডেমিক নিরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩ নভেম্বর মঙ্গলবার, রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাউন্সিলের ৯২ জন একাডেমিক নিরীক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহিঃস্থ গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য একাডেমিক নিরীক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, স্বার্থের সংঘাত ও গোপনীয়তা রক্ষা নীতির যথাযথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং নিরীক্ষকদের সঙ্গে কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা।

কর্মশালাটি সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সচিব অধ্যাপক এ কে এম মনিরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রশিক্ষণে স্বার্থের সংঘাত ও গোপনীয়তা ব্যবস্থাপনা নীতিমালা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্সিলের গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান। অন্যদিকে, সরেজমিন পরিদর্শনের সময় বহিঃস্থ গুণগত মান মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত নিশ্চয়তা ও জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কাউন্সিলের বহিঃসম্পর্ক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল এবং প্রশাসন, অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য মো. এমদাদুল হক।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। এই সময় একাডেমিক নিরীক্ষকরা অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। চেয়ারম্যান তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে নিরীক্ষকদের পর্যবেক্ষণ লিখিতভাবে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

চেয়ারম্যান বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গুণগত মান উন্নয়ন ও তা ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে একাডেমিক নিরীক্ষকদের বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পরিবারের সম্মানিত সদস্য হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া, নিরীক্ষকদের নিজ নিজ কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাক্রমকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান চেয়ারম্যান।

কর্মশালায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত নিশ্চয়তা ও জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বিভাগের উপপরিচালক ড. ফারজানা শারমিন।

এতে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গুণগত মান নিশ্চায়ন বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ এম


তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার

ঢাকার পল্লবী থেকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে ফায়েক শেখকে (৪৩), যিনি খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা থানার রায়েমহল এলাকার চাঞ্চল্যকর তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৭টা ৫০ মিনিটে এসআরবি-৬ এবং এসআরবি-৪-এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানার সেকশন-১২-এর ব্লক-ই, রোড নম্বর ৮/৭৭ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফায়েক শেখকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ফায়েক শেখ খুলনার খালিশপুর থানাধীন রায়েরমহল পশ্চিমপাড়ার শেখ ইদ্রিস আলীর পুত্র।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নিহত হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর তাঁতিদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিন নামের ফাস্টফুডের দোকানে বসে ছিলেন। এসময় পূর্ব শত্রুতার কারণে ফায়েক শেখসহ অন্যান্য আসামিরা ধারাল চাপাতি ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর নিহতের ছেলে সৈয়দ নূর আমিন খুলনার আড়ংঘাটা থানায় ফায়েক শেখসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেএমপির আড়ংঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ঘটনাস্থল কেএমপির আড়ংঘাটা থানার অন্তর্ভুক্ত হলেও আসামিদের বাড়ি খালিশপুর থানার এলাকায়। তবে পুরো রায়ের মহল এলাকা দুই থানার আওতাধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী সেলিম মিয়ার ফের নির্বাচনী প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো: হারুন মিয়া :

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ এম


তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী সেলিম মিয়ার ফের নির্বাচনী প্রস্তুতি

জনসেবাই যার লক্ষ্য, ন্যায়বিচার যার অঙ্গীকার-এমন একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। মাদক, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অনিয়মমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে আবারও জনগণের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন তিনি।

মো: হারুন মিয়া : ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে তিনি একজন পরিচিত মুখ।

স্থানীয়দের কাছে সেলিম মেম্বার ও আজিম মামা নামে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ইতিপূর্বে তিনবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, মানুষের আস্থার প্রতীক:

একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থকদের মতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। কেউ বিপদে পড়লে কিংবা সামাজিক কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে তাঁর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রেখেছেন। রাস্তাঘাটসহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। তাঁদের মতে, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, নানা ধরনের হয়রানি, লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার ঘনিষ্ঠজন ও সমর্থকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

তাঁর অনুসারীদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় কঠিন সময়ে। সুসময় ও দুঃসময়—উভয় সময়েই যিনি মানুষের পাশে থাকেন, সাধারণ মানুষ তাঁকেই আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সেলিম মিয়া।

মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা:

বর্তমান সমাজের অন্যতম বড় সমস্যা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর অপরাধ। এসব সামাজিক ব্যাধি থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।

হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, তাঁরা ৯ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা হিসেবে দেখতে চান। তাঁদের বক্তব্য, সেলিম মিয়া এ ধরনের সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।

তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে তিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং অপরাধ প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

বিচার-সালিশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রশংসিত:

হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার জনপ্রিয়তার অন্যতম আলোচিত দিক হলো সামাজিক বিচার-সালিশে তাঁর ভূমিকা। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা নিয়ে বিরোধ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যায় মানুষ তাঁর কাছে গেলে তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার চেষ্টা করেন।

তাঁদের ভাষ্যমতে, বিচার-সালিশে ধনী-গরিবের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ বা অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ নেই বলেও তাঁর সমর্থকদের বক্তব্য। তাঁদের কাছে একজন জনপ্রতিনিধির বড় গুণ হলো নিরপেক্ষতা, সততা ও মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মানসিকতা।

তাঁদের মতে, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিহিংসা নয়, প্রয়োজন ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মান। আর এই জায়গায় হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন।

মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার প্রত্যাশা:

এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার বিষয়টি তাঁর সমর্থকরা বিশেষভাবে তুলে ধরছেন। তাঁদের বক্তব্য, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়; বরং সারা বছর মানুষের পাশে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতে, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। পদ-পদবি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে মানুষের আস্থা অনেক বেশি মূল্যবান। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া অতীতের জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আবারও এলাকার মানুষের সেবা করতে চান।

আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা:

বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা করছেন। এ লক্ষ্যে তিনি এলাকার জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।

তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, অতীতের অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাঁরা মনে করেন, জনগণ যদি তাঁকে আবারও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন, তাহলে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি আরও বেশি সময় দিতে পারবেন।

জনগণের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় অর্জন:
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও শুভাকাঙ্ক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, আদর্শবান ও সমাজসেবামূলক মানসিকতার মানুষ। মানুষের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের প্রত্যাশায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত সফলতা শুধু নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে পারাই তাঁর বড় অর্জন। সেই জায়গা থেকেই তাঁরা হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়াকে আবারও জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান। শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকার মানুষের প্রত্যাশা-এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, মাদক ও চাঁদাবাজির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকুক এবং সাধারণ মানুষ যেন ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর আগামী দিনের পথচলার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। তাঁদের আশা, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি আবারও নির্বাচিত হয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার সুযোগ পাবেন।

জনগণের প্রত্যাশা, জনসেবার অঙ্গীকার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার আগামী নির্বাচনী পথচলা কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ফারুক আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ফারুক আহমেদ

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) ফারুক আহমেদ। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ।

এদিকে, এসআরবি মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশকে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ফারুক আহমেদ ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ তারিখে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি গত ৪ জুন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর ৭ জুলাই তিনি হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%