প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কর্মসংস্থানকে নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য বাজেটে সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে, সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটের কেন্দ্রে রয়েছে কর্মসংস্থান। আমরা করনীতিকে এমনভাবে সাজাতে চাই যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার পথ তৈরি হয়। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী এবং উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি রয়েছে।
এখন এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্যান্য সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে নিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ হবেন।
তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ দিতে পুরোপুরি সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। তারুণ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশে রাখা হবে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগের প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন