ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব


বাজেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব

কর্মসংস্থানকে নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য বাজেটে সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে, সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটের কেন্দ্রে রয়েছে কর্মসংস্থান। আমরা করনীতিকে এমনভাবে সাজাতে চাই যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার পথ তৈরি হয়। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী এবং উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী ৭টি সেনাবাহিনী ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন

এখন এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্যান্য সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে নিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ হবেন।

তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ দিতে পুরোপুরি সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। তারুণ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশে রাখা হবে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগের প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল মাঠে ট্রাক ঢুকে নিহত ২, আহত ১০

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধাপে ধাপে ৫ বছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ধাপে ধাপে ৫ বছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাব করেছেন আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর। ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০-৩১ পর্যন্ত ৫ অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে সব পর্যায়ের ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আয়োজিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাবটি তুলে ধরেন।

সংসদে রাজস্ব সংক্রান্ত পরিকল্পনার সময় তিনি বলেছেন, বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যেখানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ৮৬ শতাংশ রাজস্ব আহরণ করে। বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতার মধ্যেও আমাদের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। রাজস্ব আহরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসার ক্ষেত্র বৃদ্ধি, দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করা। এটি অর্জনের জন্য ন্যায্য, প্রযুক্তিনির্ভর ও পূর্বানুমানযোগ্য রাজস্ব কাঠামো প্রয়োজন, যা ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সহযোগিতা করবে এবং বিনিয়োগ-উৎপাদন-কর্মসংস্থান-ভোগ-কর চক্রকে আরও গতিশীল করবে।

এরপর অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বিবেচনায় আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমার প্রস্তাব করেন।

২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমার পরিমাণ বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে এই করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকার প্রস্তাব দেন। পরিশেষে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা দাঁড়াবে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অর্থমন্ত্রী বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্য আলাদা সুবিধার প্রস্তাব রেখেছেন। অনুযায়ী, নারী করদাতা এবং ৬৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের সিনিয়র সিটিজেনরা ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা আয় পর্যন্ত করমুক্ত থাকবেন। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হবে ও ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করমুক্ত আয়সীমা হবে।

এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য আরও বেশি করমুক্ত আয়সীমার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত এই শ্রেণীর জন্য কর দিতে হবে না। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা হবে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হবে।

অর্থমন্ত্রী গেজেট করা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেট কৃত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা কর মুক্ত আয়সীমার প্রস্তাব দেন। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তাদের জন্য সুবিধা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হবে। ২০৩০-৩১ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ হবে।

এদিকে, প্রতিবন্দী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবক প্রতি প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্যের জন্য ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত করমুক্ত আয়সীমা পাবেন।

বর্তমানে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা হিসেবে ধরা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বাজেট। মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে। বাজেট ঘাটতি হতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশের সমান।

এই বিশাল বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে।

বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


কাউখালীতে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

 
পিরোজপুরের কাউখালীতে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে ‘সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ কর্মশালার আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মতিউর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার অমল চন্দ্র শীল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, ব্র্যাকের লিগ্যাল এইড প্রতিনিধি মিঠুন দত্ত, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিনিধি শিমুল চক্রবর্তী সহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ গ্রাম আদালত কাউখালী উপজেলা শাখার সমন্বয়কারী পারভিন আক্তার।
কর্মশালায় পারভিন আক্তার গ্রাম আদালতের কার্যক্রম বিষয়ে তথ্য তুলে ধরে জানান, কাউখালীতে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত মোট ৫০৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদে সরাসরি মামলা হয়েছে ৪২৯টি এবং উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলা রয়েছে ৬৪টি। এ সময়ের মধ্যে ৪৬৯টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে ৩৯টি মামলা। এছাড়া ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় করা হয়েছে ১৭ কোটি ৪৩ লাখ ২৪৩ টাকা।
অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনমুখী করতে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। কর্মশালায় স্থানীয় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,
গ্রাম আদালত হলো সাধারণ মানুষের জন্য দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা। গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমরা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করেছি।
তিনি আরও বলেন,
স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ অস্থিতিশীল করলে পুরো অঞ্চলকে ‘নরকে পরিণত করবে’ ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


হরমুজ অস্থিতিশীল করলে পুরো অঞ্চলকে ‘নরকে পরিণত করবে’ ইরান

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি যুক্তরাষ্ট্রকে একটি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি এ কথা বলেছেন যে, যদি ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তাহলে পুরো অঞ্চলকে ‘নরকে’ পরিণত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মুসাভি বলেন, “তোমরা কি পবিত্র হরমুজ প্রণালিকে অনিরাপদ করতে চাও? তাহলে আমরা ইরানের সর্বত্র থেকে পুরো অঞ্চলকে তোমাদের জন্য নরকে পরিণত করব। ইনশাআল্লাহ, এটাই হবে অঞ্চলে আমেরিকার দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের জবাব।’

এ হুঁশিয়ারি এসেছে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্তৃপক্ষ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে তাসনিম। উল্লেখযোগ্য যে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করে।

পৃথক আরেক বিবৃতিতে, মুসাভি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের বিভিন্ন উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা নিয়েছ। বিশ্ব আবারও দেখেছে, তারাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছে এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার আর ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতি থাকবে না। অপেক্ষা করুন, দেখবেন কী হয়। আমেরিকা ও জায়নিস্ট শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা নিজেদের জীবন রক্ষায় দ্রুত কর্মস্থল ত্যাগ করুন।’

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরপর আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ও নৌবাহিনী যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।

আইআরজিসির দাবি, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি ছিল।

এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের বাহিনী আত্মরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে ইরানের সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে যাদের জন্য রেল টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


বাজেটে যাদের জন্য রেল টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড়

বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীসেবাকে আরও জনবান্ধব, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার উদ্দেশ্যে সরকার ৬৫ বছর বা তার অধিক বয়সী প্রবীণ নাগরিক এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য রেলভাড়ায় বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে।

সম্প্রতি রেলপথ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি পরিপত্র প্রকাশ করেছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী যাত্রীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণের সাপেক্ষে টিকিটের ভিত্তি মূল্যের ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।

বয়সের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে।

অন্যদিকে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সুবর্ণ’ পরিচয়পত্রধারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আন্তঃনগর ট্রেনের সুলভ বা শোভন শ্রেণিতে বিদ্যমান সুবিধা অনুযায়ী ৫০ শতাংশ রেয়াত পাবেন।

এছাড়া, নতুন করে সব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) শ্রেণির টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। তবে সার্ভিস চার্জ, ভ্যাটসহ অন্যান্য ফি বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য থাকবে।

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই সুবিধা অনলাইন ও কাউন্টার, উভয় মাধ্যমেই প্রযোজ্য হবে।

এজন্য যাত্রীকে বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিটিং সিস্টেমে নিবন্ধিত হতে হবে এবং এনআইডি যাচাইকরণ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, একজন প্রবীণ যাত্রী প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ দু’বার ২৫ শতাংশ ছাড় সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

যদি কোনো ডিসকাউন্টেড টিকেট ফেরত দেওয়া হয়, সেটি সাপ্তাহিক হিসাব থেকে বাদ যাবে এবং ওই সপ্তাহেই পুনরায় ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

এছাড়া, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি যদি সহযাত্রী নিয়ে ভ্রমণ করেন, তাহলে সহযাত্রীর জন্য নিয়মিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে।

তবে, সহযাত্রীও যদি ৬৫ বছর বা তার অধিক বয়সী হন, তাহলে প্রতি বুকিংয়ে সর্বাধিক একজন অতিরিক্ত প্রবীণ যাত্রীও ছাড় সুবিধা পাবেন।

এক্ষেত্রে, তাকে নিজস্ব নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পৃথকভাবে যাচাইকৃত হতে হবে।

প্রতিবন্ধী যাত্রীদের ক্ষেত্রে আপাতত শুধুমাত্র স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয়ের সময় এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

ভবিষ্যতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থাতেও এ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে জানানো হয়েছে, নতুন এই ভাড়া ছাড় সুবিধা গত ২৫ মে থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%