মো. হুমায়ুন কবির- গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
০৮:৪৮ পি.এম
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় নির্বাচন অফিসে ভোটার হতে এসে মোহাম্মদ মাসুদ (১৯) নামে একজন রোহিঙ্গা যুবক আটক হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে তিনি ভোটার নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে আসলে তার দেওয়া তথ্য ও কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়ার কারণে তাকে আটক করা হয়।
অটকে কর্মকর্তাদের কাছে জানা গেছে, মোহাম্মদ মাসুদ ২০১৭ সাল থেকে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ই-তে বসবাস করছেন। তার বাবার নাম হচ্ছে মো. জোবায়ের এবং মায়ের নাম শাকিলা খাতুন। তাদের বাড়ি মিয়ানমারের মংডু অঞ্চলে অবস্থিত। জানা যায়, তিনি ছয় ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়।
নির্বাচন অফিস সূত্র থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার হওয়ার জন্য জমা দেওয়া কাগজপত্রে তার নাম মোহাম্মদ মাসুদ থাকলেও বাবার নাম উল্লেখ রয়েছে মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন এবং মায়ের নাম শান্তনা আক্তার। পাশাপাশি ঠিকানা হিসেবে গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের দৌলতাবাদ গ্রাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথে সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরসহ নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ, খোদেজা খাতুন দারুস-সুন্নাহ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রত্যয়নপত্র এবং মা ডেন্টাল কেয়ার অ্যান্ড আইমিত্র নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফাওজুল কবীর খান জানিয়েছেন, আবেদনকারীর কথাবার্তায় প্রাথমিকভাবে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তিনি বাংলা বলতে পারেন, কিন্তু বাংলা লিখতে পারেন না। পরে দেওয়া ঠিকানায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই এলাকায় এ নামে কোনো লোক নেই। একইভাবে তিনি যে মাদ্রাসার প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সেখানে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, মোহাম্মদ মাসুদ নামে কোনো শিক্ষার্থী কখনো উপস্থিত ছিল না।
আবেদনকারী বলেছেন, "প্রাথমিক যাচাইয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে একটি দালাল চক্রের মাধ্যমে তিনি ভোটার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। পরে তাকে আটক করা হয়েছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
আটক মোহাম্মদ মাসুদ জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কদ্দুছ অথবা কবীর নামের এক দালাল তাকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ জন্য তিনি আগাম ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে তাকে গৌরীপুরে এনে একটি হোটেলে রাখা হয়েছিল। পরে সাগর নামে একজন তাকে নির্বাচন অফিসে নিয়ে আসে। আটক হওয়ার পর তারা পালিয়ে যায়।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আটক রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমীন পাপ্পা বলেছেন, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপিল আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে নারী সাংবাদিক ই জিন ক্যারলকে পাঁচ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১ কোটি ৬২ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তাকে।
সোমবার, সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের সেই আবেদন শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেয়, যেখানে তিনি যৌন নিপীড়ন ও মানহানির অভিযোগে ক্যারলের পক্ষে দেওয়া নিম্ন আদালতের রায় চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ২০২৩ সালে দেওয়া পাঁচ মিলিয়ন ডলারের রায় কার্যকর থাকছে।
ক্যারল ২০১৯ সালে প্রথম ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পরবর্তীতে, ২০২২ সালে নিউইয়র্কে একটি নতুন আইন কার্যকর করার পর তিনি আবার মামলা করেন। এই আইনের মাধ্যমে যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিরা পুরোনো ঘটনার জন্যও দেওয়ানি মামলা করার সুযোগ পান।
অদ্ভুত আইনি পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালের মামলা আগে আদালতে যায়। সেই মামলায় জুরি বোর্ড ক্যারলের পক্ষে রায় দিয়ে ট্রাম্পকে পাঁচ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
পরবর্তীতে ২০১৯ সালের মানহানির মামলার বিচারও হয় এবং সেই মামলায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৮৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণরায় দেওয়া হয়। সুদসহ ক্যারলকে ট্রাম্পের মোট পাওনা ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বলে জানানো হয়েছে।
ক্যারলের ২০২২ সালের মামলায় অভিযোগ ছিল, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউইয়র্কের একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেন এবং পরে ঘটনাটি অস্বীকার করে তার মানহানি করেন।
ট্রাম্প এই অভিযোগগুলি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। তিনি দাবি করেছেন, মামলার বিচারক যুক্তরাষ্ট্রের জেলা বিচারক লুইস কাপলান বিচারপ্রক্রিয়ায় একাধিক ভুল করেছেন।
ট্রাম্পের আইনজীবীদের অভিযোগ ছিল, বিচারক এমন দুই নারীর সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি দিয়েছেন যারা অতীতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছিলেন। পাশাপাশি ২০০৫ সালের ‘অ্যাকসেস হলিউড’ টেপ জুরিদের দেখানোর অনুমতিকেও তারা প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
ওই অডিও রেকর্ডিংয়ে ট্রাম্পকে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শোনা যায়, যা মামলায় প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সার্কিট কোর্ট অব আপিলস জুরির দেওয়া পাঁচ মিলিয়ন ডলারের রায় বহাল রেখেছে। আদালত জানায়, বিচারক এমন কোনও ভুল করেননি যার কারণে নতুন করে বিচার প্রয়োজন।
২০২৫ সালের জুনে ট্রাম্প পূর্ণ বেঞ্চে মামলাটি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেও ব্যর্থ হন। এরপর তিনি সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।
ট্রাম্পের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে যুক্তি দেন, একজন দায়িত্বরত প্রেসিডেন্টকে পুরোনো অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে মনোযোগ সরাতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং এটি প্রেসিডেন্ট পদের প্রতি ক্ষতিকর।
তবে ক্যারলের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, দ্বিতীয় সার্কিট আদালতের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং জুরি যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই রায় দিয়েছে।
জুরি রায় দেওয়ার পর ২০২৩ সালে ট্রাম্প ৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আদালতের নিয়ন্ত্রিত একটি হিসাবে জমা করেছিলেন। ফলে ক্যারল তুলনামূলক দ্রুত এই অর্থ পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেওয়া ৮৩ মিলিয়ন ডলারের রায়ের বিষয়টি এখনও সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীরা শিগগিরই ওই রায়ের বিরুদ্ধেও আপিল করতে পারেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেসরকারি খাতের ঋণ এবং বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি পর্যায়ক্রমে ১০ শতাংশে উন্নীত করার জন্য ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী, গভীর এবং গতিশীল পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, পিএলসি (সিএসই)-এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিএসই’র চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গভর্নর উল্লেখ করেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন হলে উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইকুইটি অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভরতার পরিমাণ কমবে এবং বেসরকারি খাতের ক্রমবর্ধমান অর্থায়নের চাহিদা সম্পূর্ণ করতে কার্যকর বিকল্প উৎস তৈরি হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে এবং পরবর্তী বছরগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে পুঁজিবাজার বেসরকারি খাতের অর্থায়নের একটি শক্তিশালী উৎস হয়ে উঠবে। এর ফলে ব্যাংক ঋণের উপর চাপ কমবে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সুবিধা হবে।
বৈঠকে গভর্নর উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালের ২০ মে জারি করা এফইআইডি সার্কুলার নং-০২ এর মাধ্যমে 'নন-রেসিডেন্ট ইনভেস্টরস' টাকা অ্যাকাউন্ট (নিটা) পরিচালনার বিধিমালা সংশোধন করেছে।
তিনি জানান, সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট নিটা হিসাবে জমা হবে এবং অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো প্রযোজ্য মূলধনী মুনাফা কর কর্তন করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে নিশ্চিত করবে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থ প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং খরচ সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে।
সিএসই প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, মহাব্যবস্থাপক মোর্তূজা আলম এবং মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনিরুল হক।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার শার্শায় তিনশ গ্রাম হেরোইন রাখার দায়ে জামাল হোসেন (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এই রায় প্রদান করেন।
দ-প্রাপ্ত জামাল হোসেন শার্শা উপজেলার বেনাপোলের স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ শার্শার বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড়ে অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেনকে আটক করা হয়।
এসময় তার কাছ থেকে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা তিনশ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামি জামাল হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামাল হোসেন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রানে অলআউট হয়েছে। প্রথম ইনিংস থেকে তারা ২৭০ রানের লিড পেয়ে গেছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১৪০ রান করে সব উইকেট হারায়।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টেস্টের প্রথম দিনই বাংলাদেশ অলআউট হয়। দিন শেষে তারা ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেটে ১৩৬ রান করেছিল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ইনোসেন্ট কাইয়া ৭৬ রান ও ব্রেন্ডন টেইলর ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া তার সেঞ্চুরি তুলে ১৪০ রানে আউট হয়েছেন। এছাড়া ওয়েসলি মাধভেরে অপরাজিত ৭৭, ক্রেইগ আরভিন ৬০ এবং ব্রায়ান বেনেট ৫৯ রান করেছেন।
বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম ১৩৮ রানে ৭ উইকেট নেন। খালেদ আহমেদ ২ উইকেট শিকার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ