রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৬ পি.এম
বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর জানিয়েছেন, তার স্ত্রী সুনিতা কাপুরকে বিয়ের পর কখনো রান্নাঘরে যেতে হয়নি। সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া কে টপ ১ পারসেন্ট’ অনুষ্ঠানে নিজের দাম্পত্য জীবনের একটি ঘটনা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনিলের মতে, বিয়ের আগে সুনিতার একটি শর্ত তাকে আরো পরিশ্রম করে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।
অনুষ্ঠানের একটি পর্বে, যখন এক প্রতিযোগী ঘরের কাজ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছার কথা বলেন, তখন অনিল নিজের জীবনের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি জানান, বিয়ের আগে সুনিতা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, বিয়ের পর তিনি রান্নাঘরে ঢুকবেন না।
অনিল বলেন, সুনিতা তাকে জানিয়েছিলেন, রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হলে তবেই তিনি তাকে বিয়ে করবেন। স্ত্রীর এই শর্ত শোনার পর অনিল ঠিক করেন, তাকে আরো কঠোর পরিশ্রম করে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যাতে সুনিতাকে রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হয়।
অভিনেতার দাবি, তিনি সেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত সুনিতাকে রান্নাঘরে যেতে হয়নি। তার মতে, সুনিতার সেই শর্ত তার নিজের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও এক ধরনের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিল।
অনিল ও সুনিতার সম্পর্ক বিয়ের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। তাদের পরিচয় ঘটে ১৯৭৩ সালে। সেই সময় অনিল বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন, আর সুনিতা ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল। এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের পরিচয় ঘটে এবং পরে ফোনে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
অনিল জানিয়েছেন, ফোনে বন্ধুত্বের পর তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে পরিণত হয়। প্রায় ১১ বছর সম্পর্কের পর ১৯৮৪ সালে তারা বিয়ে করেন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সুনিতার সহযোগিতার কথা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন অনিল।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আর্থিকভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিলেন না অনিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় সুনিতা তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। এমনকি তারা যখন ডেট করতেন, তখন অনেক সময় রেস্তোরার বিলও সুনিতাই পরিশোধ করতেন। অনিলের মতে, সে সময় তারা একে অপরের সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন।
দাম্পত্য জীবনের ৪২ বছর পূর্তিতে সুনিতাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন অনিল। তিনি জানিয়েছেন, তাদের বিয়েটি ছিল খুবই সাধারণ। কোনো বড় আয়োজন বা জমকালো অনুষ্ঠান ছিল না। পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজনকে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিল।
অনিল ও সুনিতার দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তান—সোনাম কাপুর, রিয়া কাপুর ও হর্ষবর্ধন কাপুর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের নানা সময়ে সুনিতার অবদান ও তার পাশে থাকার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন অনিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩:০০ টায় শুরু হবে।
টি স্পোর্টস ও টফি এই ম্যাচটি সম্প্রচার করবে।
প্রথম ম্যাচের পরাজয়ের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে এবং টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটি লাল-সবুজ জার্সিধারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচ ও অধিনায়ক উভয়েই সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট অর্জনের ব্যাপারে আশাবাদী।
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজয় ঘটে। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরও তাদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ২-০ গোলে হার মানে। ফলে, উভয় দলের জন্যই এই ম্যাচটি ঘুরে দাঁড়ানোর একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অতীত রেকর্ড কিছুটা হতাশাজনক। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের গত দুটি ম্যাচে বাংলাদেশ যথাক্রমে ২-১ এবং ১-০ গোলে সিঙ্গাপুরের কাছে পরাজিত হয়েছিল।
দলের অন্যতম তারকা ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের হার ভুলে পুরো দল এখন সিঙ্গাপুর ম্যাচের জন্য নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং তাদের মূল লক্ষ্য হলো জয় অর্জন করা। মাঝমাঠের হামজা চৌধুরী এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার পারফরম্যান্স এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান বিদ্যমান। সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যে, সিঙ্গাপুর ১৪৬তম এবং বাংলাদেশ ১৮১তম স্থানে অবস্থান করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ে এই ব্যবধান কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে দুই দলের পারফরম্যান্সের ওপর।
বাংলাদেশের জন্য আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো নভেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফলাফল ছাড়াও দলের রক্ষণ, মাঝমাঠের সমন্বয় ও আক্রমণের কার্যকারিতা যাচাই করার সুযোগও থাকবে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে পরাজয় ভুলে সেই পরীক্ষায় নিজেদের উন্নতি প্রদর্শন করতে চাইবে বাংলাদেশ।
এই ম্যাচের পর, আগামী ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত, মানসম্মত ও যুগোপযোগী করার জন্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আহ্বান জানিয়েছেন, যিনি প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল। এই সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা কার্যক্রম, মিডিয়া সেন্টার, একাডেমিক স্কুল, স্টাডি সেন্টার, বহির্বিশ্বে পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রম, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রসহ অন্যান্য সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার জন্য।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, "দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা প্রান্তিক ও কর্মজীবী মানুষ, গৃহিণী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী এবং দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে হত্যার ঘটনায় ১৯ বছর পর রেজাউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে তার সাজা কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবির এই রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার অভিরাম নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আমিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ আশুলিয়ার বাসিন্দা ও পিতৃহারা এতিম স্কুলছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় রেজাউল ইসলাম। রক্সি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর রেজাউল তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করে।
এর কয়েক দিন পর, ২০০৭ সালের ২ এপ্রিল সকালে রক্সির ঘরে ঢুকে ধারালো শাবল দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে রেজাউল। গুরুতর আহত অবস্থায় রক্সিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতে তার মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় রক্সির খালাতো ভাই নুরুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৪ জুলাই আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক আব্দুল আলিম রেজাউল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন। ২০০৮ সালের ৪ মার্চ আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
জানা যায়, বিচার চলাকালে মামলার বাদী, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক, রেজাউলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীসহ মোট ১২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
মামলার বিচার চলাকালে জামিনে গিয়ে আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক রয়েছেন রেজাউল। রায় ঘোষণার সময় আদালত তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সাজা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার উদ্দেশ্যে ২৫টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের উদ্যোগে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবলসহ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আবদুল আলিম বছির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাবেক সভাপতি রেজা শরিফসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বিতরণ করা ক্রীড়া সামগ্রী শুধুমাত্র কিছু ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন র্যাকেট নয় — এটি তরুণ প্রজন্মকে মাদকের অন্ধকার থেকে ফিরিয়ে আনার একটি হাতিয়ার। খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শরীরকে সুস্থ রাখে, মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং তাকে মাদকের মতো ভয়ানক ব্যাধি থেকে দূরে রাখে।
মাদক ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি সকলকে একটি প্রতিজ্ঞা করতে বলব — আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও ক্রীড়ামুখী ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন কেবলই কিছু ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের অনুষ্ঠান নয়—এটি মাদকের কালো অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর এক মহাযুদ্ধের সূচনা। মাদক হলো ধ্বংসের অতল গহ্বর, আর খেলাধুলা হলো সৃষ্টির সিঁড়ি। মাদক একটি পরিবারের স্বপ্ন ভাঙে, একটি সমাজের শিকড় কেটে দেয়। আর এই বিষদাঁত ভাঙতে তরুণদের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল আর র্যাকেটের চেয়ে বড় অস্ত্র আর নেই।’
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে যে সামগ্রী তুলে দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল খেলনা নয়—এটি একটি আলোকবর্তিকা, যা তাদের মাদকের অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনবে। তাই মাঠে ফিরে যাও, ঘামে ভিজে যাও। তোমাদের সুস্থ দেহ আর প্রাণবন্ত মনই গড়ে দেবে একটি মাদকমুক্ত, স্বপ্নময় বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ