রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৭ পি.এম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার উদ্দেশ্যে ২৫টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের উদ্যোগে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবলসহ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আবদুল আলিম বছির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাবেক সভাপতি রেজা শরিফসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বিতরণ করা ক্রীড়া সামগ্রী শুধুমাত্র কিছু ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন র্যাকেট নয় — এটি তরুণ প্রজন্মকে মাদকের অন্ধকার থেকে ফিরিয়ে আনার একটি হাতিয়ার। খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শরীরকে সুস্থ রাখে, মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং তাকে মাদকের মতো ভয়ানক ব্যাধি থেকে দূরে রাখে।
মাদক ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি সকলকে একটি প্রতিজ্ঞা করতে বলব — আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও ক্রীড়ামুখী ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন কেবলই কিছু ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের অনুষ্ঠান নয়—এটি মাদকের কালো অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর এক মহাযুদ্ধের সূচনা। মাদক হলো ধ্বংসের অতল গহ্বর, আর খেলাধুলা হলো সৃষ্টির সিঁড়ি। মাদক একটি পরিবারের স্বপ্ন ভাঙে, একটি সমাজের শিকড় কেটে দেয়। আর এই বিষদাঁত ভাঙতে তরুণদের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল আর র্যাকেটের চেয়ে বড় অস্ত্র আর নেই।’
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে যে সামগ্রী তুলে দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল খেলনা নয়—এটি একটি আলোকবর্তিকা, যা তাদের মাদকের অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনবে। তাই মাঠে ফিরে যাও, ঘামে ভিজে যাও। তোমাদের সুস্থ দেহ আর প্রাণবন্ত মনই গড়ে দেবে একটি মাদকমুক্ত, স্বপ্নময় বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। হামলার ফলে তার ছেলে মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন এবং তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ফের হামলার শিকার হন। পরে তাকে হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য মহসেন হায়দারি এই তথ্য জানান। নিউইয়র্ক পোস্টের একটি প্রতিবেদনে এই সাক্ষাৎকারের উল্লেখ করা হয়েছে।
হায়দারি সাক্ষাৎকারে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তেহরানের তিনটি হাসপাতালে পরপর বোমা হামলা চালানো হয়। মোজতবা খামেনি তৃতীয় হাসপাতালে ছিলেন। পরে তাকে হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।
যেভাবে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হলেন?
মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন হায়দারি। তার দাবি, গত ৮ মার্চ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের সময় কোম শহরের বিশেষজ্ঞ পরিষদে বোমা হামলা হয়। এতে ৮ জন নিহত হন এবং নির্বাচনের নথিপত্র ধ্বংস হয়।
তিনি আরো জানান, পরবর্তীতে সদস্যরা গোপন কক্ষে কাগজের ব্যালটে ভোট দেন। সেখানে ৫৯টি ভোটের মধ্যে ৫০টি ভোট পেয়ে মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হন। আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান ৮ ভোট এবং একজন সদস্য ভোটদানে বিরত ছিলেন।
হায়দারি বলেন, শত্রুদের অবস্থান বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি ছাড়া অন্য কাউকেই নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হবে না।
মোজতবা খামেনি কোথায়?
নির্বাচিত হলেও মোজতবা খামেনি এখনও প্রকাশ্যে আসেননি এবং তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন। এমনকি তিনি বাবার জানাজাতেও অংশ নেননি।
সম্প্রতি তিনি আহত বা বিকলাঙ্গ হয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে গুঞ্জন রটে। মাসুদ পেজেশকিয়ান এক্সে নিশ্চিত করেন যে তিনি নতুন নেতার সঙ্গে আড়াই ঘণ্টা এক আন্তরিক পরিবেশে বৈঠক করেছেন।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজতবা খামেনির ভাগ্য নিয়ে মন্তব্য করেন, "আমি মনে করি না তিনি মারা গেছেন। তিনি খুব গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। তার শরীরের বাঁ পাশ, হাত, পা পুরোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তিনি মারা গেছেন বলে আমি মনে করি না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় অস্ত্র ও সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের রুবালির ছেলে মো. উসমান বেলাল, একই ক্যাম্পের ইউনুসের ছেলে মো. আনসার আলী ও টেকনাফের মোচনি ক্যাম্পের ফয়েজ আহমদের ছেলে মো. মুসলিম।
বিজিবি জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সন্দেহজনকভাবে একটি ইজিবাইক লেদা বাজার এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবি সদস্যরা সেটি থামান। মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে ইজিবাইকে থাকা বস্তার ভেতরে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। পরে ইজিবাইকসহ তিনজনকে লেদা বিওপিতে নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আলুর বস্তার ভেতর লুকানো অবস্থায় অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২ রাউন্ড গুলি, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি সেট, একটি ম্যাগাজিন, চার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ২৫টি জর্দার কৌটা, ২৫টি লাল স্কচটেপ, দুটি অ্যান্ড্রয়েড ও একটি বাটন মোবাইল ফোন। এ ছাড়া অস্ত্র পরিবহনে ব্যবহৃত ইজিবাইকটিও জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে একটি অস্ত্র-গোলাবারুদ চালান হস্তান্তরের সময় তিনজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গত সপ্তাহের জাঁকালো আমেরিকা সফরের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভেম্বরে চীনের শেনঝেনে অনুষ্ঠিতব্য অ্যাপেক শীর্ষ সম্মেলনে এমন এক শি’র মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন, যিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং বৈশি^ক প্রভাব অর্জন করেছেন। চীনের কৌশলগত স্থিতিশীলতার উন্নত কাঠামো, ট্রাম্পের চীন সফরের পরবর্তী সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উষ্ণতার বহিঃপ্রকাশ এবং আয়োজক দেশ হিসেবে চীনের বাড়তি প্রভাব এর পেছনে ভূমিকা রাখছে।
হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার অন কনটেম্পরারি চায়না অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর ঝাং চি এই উন্নত সম্পর্ককে একটি অত্যন্ত সফল কৌশলগত মেলবন্ধন হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, আমেরিকার সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়েছে এবং উল্টো লাগামহীন সমস্যার সৃষ্টি করেছে। একই সময়ে, চীনের প্রযুক্তি সক্ষমতা, বৈশি^ক দক্ষিণের ওপর এর আধিপত্য এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ অংশীদারিত্ব দেশটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে।
সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর ইউএস-চায়না রিলেশনস’-এর পরিচালক চেন চি বলেন, “অ্যাপেক সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে ওয়াশিংটন সম্মেলনের তুলনায় আলোচ্যসূচি নির্ধারণ, বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং প্রস্তুতির ক্ষেত্রে চীনের হাতে নিঃসন্দেহে অনেক বেশি স্বাধীনতা থাকবে।” মার্কিন সরকারের শনিবারের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ট্রাম্প এতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যার ফলে এ বছর শি-র সঙ্গে তাঁর তৃতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ডিসেম্বরে মায়ামিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে চতুর্থ বৈঠকটিও ঘটতে পারে। এর আগে, মে’তে ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় তাঁদের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল। চীনা বিশেষজ্ঞদের মতে, আট মাসের মধ্যে চারটি অভূতপূর্ব শীর্ষ সম্মেলন এমন একটি স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়, যা বেইজিংকে আমেরিকার একতরফা পদক্ষেপের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের আলি ওয়াইন বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য ক্ষতির পর অ্যাপেক সম্মেলন শি’কে মার্কিন মিত্রদেশগুলোর ওপরও চীনের প্রভাব তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে। আমেরিকা চীন পরস্পরের ওপর কঠোর বানিজ্য নিষেধাজ্ঞা স্থহিত করার পর, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, উভয় পক্ষই উভয়মুখী বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ৩হাজার কোটি ডলার মূল্যের ‘অ-সংবেদনশীল’ পণ্যের ওপর পারস্পরিক শুল্ক ছাড়ের সুপারিশ করেছে।
আমেরিকার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছেÑকৃষিপণ্য, সামুদ্রিক খাবার, কাঠ, প্রসাধনী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম; অন্যদিকে চীনের তালিকায় রয়েছে ছোট গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, খেলনা, উৎসবের সাজসজ্জার সামগ্রী এবং শিশুদের গাড়ির আসন। তবে, মধ্যবর্তী নির্বাচন ও ইরান-সংকট নিয়ে ব্যস্ততার মাঝে ট্রাম্প তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন কি না এবং ওয়াশিংটন তাইওয়ানের কাছে উসকানিমূলকভাবে অস্ত্র বিক্রি করবে কি না, সে বিষয়ে ঝাং সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। মে’র সম্মেলনের পর ট্রাম্প এই সংক্রান্ত ১৪শ’ কোটি ডলারের একটি চুক্তিস্থগিত করেছেন।
‘পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকা বছরের শেষ সময় পর্যন্ত এ সংক্রান্ত ঘোষণা বিলম্বিত করার বিবেচনা করছে। বেইজিং তাইওয়ানকে চীনের অংশ বলে মনে করে এবং বলে থাকে যে, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তারা এর পুনরেকত্রীকরণ ঘটাবে। চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের মা বো বলেছেন, ওয়াশিংটন যখন বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব প্রদর্শন করছিল, ঠিক তখনই তাদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থা ও মিত্ররা নিজেদের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছিল। ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিন চিয়াংবলেন, চীনা-মার্কিন সম্পর্ক স্থিতিশীল হলে টোকিও থেকে ম্যানিলা পর্যন্ত আমেরিকার যে সমর্থন রয়েছে, তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ঝাং-এর মতে, পরিস্থিতির উন্নতি হলে বেইজিংয়ের ওপর ইউরোপের বাণিজ্য-সংক্রান্ত চাপকে বেমানান মনে হতে পারে; পাশাপাশি, ট্রাম্পের কাছে নতি স্বীকার করে কোনো লাভদেখছে না, এমন দেশগুলো বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ