বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:০১ এম
অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশীয় সুতা ও তাঁতবস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এবং দেশের বস্ত্রশিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সরকার একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এমন তথ্য উল্লেখ করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১)-এর টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানালেন।
মন্ত্রী আরো জানান, ‘দেশীয় সুতা ও তাঁতবস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিন সুতা প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড়ের পুনরুজ্জীবন’ শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের আওতায় সুতা কাটা, ফুটি কার্পাস তুলার জাত উন্নয়ন এবং এর চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশীয় সুতা উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
তিনি সরকারের নতুন উদ্যোগগুলোর মধ্যে ‘কুমিল্লার খাদি শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে খাদি পল্লী স্থাপন’ এবং ‘জামালপুরের নকশি শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে নকশি পল্লী স্থাপন’ শীর্ষক দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েও আলোকপাত করেছেন। তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অননুমোদিত প্রকল্প তালিকার গ্রিন পেজে এ দুটি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হতে পারলে দেশের বস্ত্র উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
রাষ্ট্রায়ত্ত বস্ত্রকল পুনরুজ্জীবনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত বস্ত্রকলের মধ্যে ১৫টি পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচিত বেসরকারি অংশীদারদের কাছে চারটি মিল হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এর মধ্যে দুটি মিলে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী এ তথ্যও ভাগাভাগি করেন যে, লিজ পদ্ধতিতে আরও দুটি মিল পরিচালনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর ও হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, অবশিষ্ট মিলগুলোকে পিপিপি কাঠামোর আওতায় আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। নারায়ণগঞ্জে বিটিএমসি নিয়ন্ত্রিত চিত্তরঞ্জন কটন মিলসের জায়গায় প্রস্তাবিত টেক্সটাইল ভিলেজের ২২টি শিল্প প্লটের মধ্যে ইতোমধ্যে ১০টি প্লট বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে প্লটগুলোতে বস্ত্রশিল্প স্থাপন করে রফতানিমুখী উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে।
দেশীয় সুতা ও বস্ত্রশিল্প সুরক্ষার বিষয়ে বক্তব্য রাখাকালে মন্ত্রী বাংলাদেশের তাঁত বোর্ডের অধীনে বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি বেসিক সেন্টারে পাঁচটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, একটি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট, দুটি মার্কেট প্রমোশন সেন্টার স্থাপনের দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্প, জামদানি পল্লী প্রকল্প, ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং মসলিন সুতা প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুজ্জীবন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও টেকসই উন্নয়ন আরও জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি অজ্ঞাত যাত্রীবাহী বাসের চাপায় আবদুস ছাত্তার (৫০) নামে এক নাইটগার্ড নিহত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলা চণ্ডীপুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন মহাসড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুস ছাত্তার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পূর্ব ধনমুড়ি গ্রামের আবদুস ছালামের ছেলে হিসেবে পরিচিত। তিনি নানকরা জিল ওয়্যার্স ফ্যাক্টরিতে নাইটগার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বুধবার সন্ধ্যায় সাইকেলযোগে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ি থেকে বের হন আবদুস ছাত্তার। যখন তিনি চণ্ডীপুর রাস্তার মাথার এলাকায় পৌঁছান, তখন চট্টগ্রামগামী একটি অজ্ঞান যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এই ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আবুল হাশেম জানিয়েছেন, বাসের ধাক্কায় সম্ভবত ঘটনাস্থলেই আবদুস ছাত্তার মারা গেছেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, দুর্ঘটনার খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের কয়েকটি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। একইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ রয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব অঞ্চলের জন্য মারাত্মক বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সুতরাং এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনই রাজধানীবাসী কিছু না কিছু কেনাকাটার জন্য মার্কেট কিংবা বাজারে যায়। এইসঙ্গে তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতেও যান। কিন্তু যদি প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে গিয়ে দেখা যায় যে ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে সময় নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে মনটাও খারাপ হয়ে যায়।
এজন্য বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন যে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকায় দোকানপাট বন্ধ থাকবে:
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
মার্কেটগুলো যেগুলোর বন্ধ থাকবে:
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার ক-অপারারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সরকারের তরফ থেকে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে খেলাফত মজলিসের সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই পাট ও পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এসব উদ্যোগের বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম মোড়কের কারণে উদ্ভূত পরিবেশ দূষণ রোধে, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ বাস্তবায়নে সরকার নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে।
পাট খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে পাট আইন, ২০১৭, জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮ এবং চারকোল নীতি, ২০২২ প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এছাড়াও, পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে রফতানিকারকদের নগদ প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার পিএলসি (জেডিপিসি)-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
শিল্পের জন্য উন্নতমানের পাট আঁশ উৎপাদন বাড়াতে সরকার 'উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ' প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, পাটপণ্যের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে ‘জুট প্রোডাক্ট কর্নার’ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, পাট অধিদপ্তর এবং জেডিপিসি মিলিতভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাটপণ্যের মেলার আয়োজন করছে, যাতে দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হয়।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ বিতরণের পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে জানিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলোর পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২০ সালে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দেয়া হয়। এর মধ্যে ১৪টি পাটকল ইতিমধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ইজারা দেয়া হয়েছে। ইজারা দেয়া মিলগুলোর মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে উৎপাদনে ফিরেছে এবং অবশিষ্ট মিলগুলো পর্যায়ক্রমে ইজারা দেয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ