০৫:৩৯ পি.এম
বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের (ডিইডব্লিউ) তৈরি ৭০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন, বিএনএফসি বলীয়ান, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর লজিস্টিক, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেনটি বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওগণ, নৌবাহিনী ও ডিইডব্লিউ লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চলমান আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এবং ভবিষ্যৎ অপারেশনাল চাহিদা মেনে নিয়েই নৌবাহিনী পরিচালিত ডিইডব্লিউতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ফ্লোটিং ক্রেন বিএনএফসি বলীয়ান নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল।
গত ২০২৪ সালের ৩০ জুন কিল-লেয়িং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রেনটির নির্মাণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এই ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্য, ১৫ মিটার প্রস্থ এবং ৩ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট ফ্লোটিং ক্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫ মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম।
৭০ টন উত্তোলন ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্ল্যাটফর্মটি জেটি এবং সমুদ্রে অবস্থানরত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজসমূহের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে।
এছাড়া, ভারী যন্ত্রপাতি, যান্ত্রিক সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন নৌ-উপকরণ উত্তোলন, স্থানান্তর এবং প্রতিস্থাপনের মতো জটিল কারিগরি কার্যক্রম অধিক দক্ষতা ও নিরাপত্তার সাথে সম্পাদন করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
দেশীয় কারিগরি দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানদ- অনুসরণ করে নির্মিত এই ক্রেনটি দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।
আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিজস্ব সক্ষমতার মাধ্যমে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন বিএনএফসি বলীয়ান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অপারেশনাল ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এটির মাধ্যমে জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মনির্ভরতা অর্জন, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক সৃষ্টি হবে।
দেশীয় প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে ডিইডব্লিউ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন