০৯:৩২ এম
ইতালির দক্ষিণ উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
এই ভূমিকম্পের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোন হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের কাছে গত সোমবার (১ জুন) গভীর রাতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এই ভূমিকম্পটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরেও তাৎক্ষণিকভাবে কোন হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফক্স ওয়েদারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে দক্ষিণ ইতালির বাসিন্দারা এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন। ইউএসজিএস জানায়, ইতালির সারাসেনা শহরের প্রায় ১০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থানীয় সময়ে মঙ্গলবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫৩ মাইলের বেশি এবং এটি কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ২৩ মাইল দূরে ছিল।
ইউএসজিএসের তথ্যমতে, মডিফায়েড মারকেলি ইনটেনসিটি স্কেলে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার। যদিও এই মাত্রার কম্পনকে তুলনামূলকভাবে হালকা ধরা হলেও ঘরের ভেতর অবস্থানরত অনেক মানুষ তা অনুভব করতে সক্ষম হন এবং ঘুমন্ত অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যায়।
আরও পড়ুন: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধনকুবেরদের শত শত কোটি ডলার দানের কারণ
এ ধরনের কম্পনে বাসাবাড়ির থালা-বাসন, জানালা ও দরজা কেঁপে উঠতে পারে, এবং দেয়াল থেকে খটখট শব্দও শোনা যেতে পারে। পার্ক করে রাখা যানবাহনও দুলে উঠতে পারে। তবে খোলা জায়গায় অবস্থানরত অনেক মানুষ হয়তো কম্পনটি অনুভব নাও করতে পারেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা আহত হওয়ার ঘটনা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা এলাকাটিতে পরবর্তী কোনো ভূকম্পন ঘটে কি না তা পর্যবেক্ষণ করছেন।
অবশ্য ইতালিতে ভূমিকম্প নতুন কোন ঘটনা নয়। আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইতালি ডট কম-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায়ই ছোট-বড় ভূমিকম্প হয়ে থাকে। কখনও তা হালকা কম্পন, আবার কখনও শক্তিশালী ভূমিকম্পে রূপ নেয়।
গত মাসেও ইতালির বাকোলি এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। এদিকে, জুন মাস থেকে ইতালিতে গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুম শুরু হয় এবং এ সময় দেশটিতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন