ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক


টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতি, যা সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের বিষয়ে দেওয়া হয়েছে, তা বিভ্রান্তিমূলক। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, দলের সেক্রেটারি জেনারেল গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সত্যের অপলাপ করছে। টিআইবি বলছে, নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে দলের সর্বস্তরে নারীর অন্তর্ভুক্তি দাবি করা হচ্ছে, যা আসলে শুভঙ্করের ফাঁকি। মঙ্গলবার টিআইবি এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানায়। এতে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গবেষণা তথ্যকে ‘অসত্য’ আখ্যায়িত করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে টিআইবি।

টিআইবি তাদের গবেষণায় উল্লেখ করেছে, আরপিও, ১৯৭২ এর ধারা ৯০খ(১)(খ)(আ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ সদস্যপদ নারীদের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আইনটির এই ধারা পরিপালনে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি বলতে কেন্দ্রীয় বা জাতীয় নির্বাহী কমিটি বা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ বোঝানো হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২০২৩-২৫ সময়কালের ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য নেই, যা আরপিওর বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাদের দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় ১২২ জন নারী সদস্য রয়েছেন। এছাড়া, দলের সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ নারী। গবেষণায় শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটির নারীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো দলের জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কাউন্সিল বা সম্মেলন বা মজলিশে শুরায় নারীদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। আরপিও, ১৯৭২-এ একটি দলে কতজন নারী সদস্য থাকবে, সে বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং নারী কর্মীদের মধ্যে থেকে কমিটিগুলোতে কতজন নারী সদস্য অন্তর্ভুক্ত হবে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেক্রেটারি জেনারেলের অপ্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্তের উল্লেখ সত্যের অপলাপ ছাড়া কিছু নয়।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

টিআইবি জানায়, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সকল স্তরে একটি করে কমিটি রয়েছে, যেখানে নারীদের অন্তর্ভুক্তি বিভিন্ন হারে লক্ষ করা যায়। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রে নারীদের জন্য প্রতিটি স্তরে স্বতন্ত্র কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরুষদের জন্য একটি কমিটি এবং নারীদের জন্য স্বতন্ত্র একটি কমিটি রয়েছে। যদিও নারীদের জন্য পৃথক কোনো কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ নেই এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী কর্মী নেই। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বের পদে নারীদের অন্তর্ভুক্তি না করার চর্চা লক্ষ্য করা যায়। নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে দলীয় কার্যক্রমে নারীদের প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি বোঝানো হয় না। বরং নারীদের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নারীদের এই স্বতন্ত্র কমিটিগুলোকে দলে নারীর অন্তর্ভুক্তি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, যা এক ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি। অন্যদিকে, গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী থেকে কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। জামায়াতে ইসলামী দাবি করছে তাদের দলের ৪৩ শতাংশ নারী সদস্য রয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে থেকে একজন নারী সদস্যকেও নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। জামায়াতে ইসলামী এ বিষয়ে তাদের বিবৃতিতে কোনো মন্তব্য করেনি।

টিআইবি আরও বলছে, জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও চেতনার ভিত্তিতে সমাজ গঠন এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মেনে না নেয়া, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য সকল নিয়মনীতি ও পন্থাকে প্রত্যাখ্যান করা, ইসলামী আকিদা পরিপন্থী প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক না রাখা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির সাথে একমত পোষণ সাপেক্ষে অমুসলিম নাগরিকদের জন্য সহযোগী সদস্য বা সদস্যপদ দেওয়া, মুসলিম ও অমুসলিম নাগরিকদের জন্য ‘সদস্য বা সহযোগী সদস্য’ পদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পৃথক শর্ত আরোপ, নারীকর্মীদের জন্য পৃথক বিভাগ বা কমিটি ও পৃথক কার্যক্রম পরিচালনা করা ইত্যাদি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

টিআইবি জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদের অন্তর্ভুক্তি-বিষয়ক টিআইবির গবেষণালব্ধ তথ্যকে ‘অসত্য’ বা ‘বিভ্রান্তিমূলক’ বলে দাবি করার কোনো সুযোগ নেই। বরং টিআইবি মনে করে, জামায়াতে ইসলামী গবেষণা তথ্যকে অস্বীকার করছে এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে দলের মধ্যকার প্রকৃত রাজনৈতিক চর্চাকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। টিআইবি জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফলকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে উত্থাপিত সুপারিশ অনুযায়ী নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিআইবির প্রতিটি গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সমাজবিজ্ঞানে অনুসৃত গবেষণাপদ্ধতি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত তথ্য বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্যতা বিধান, বিভিন্ন স্তর ও পর্যায়ে ক্রস চেকিংসহ সম্ভাব্য সকল সূত্র থেকে যাচাই-বাছাই করে গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আলোচ্য গবেষণায় রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বা মনোনীত প্রতিনিধি ও দলের নেতা-কর্মী, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, শিক্ষক ও গবেষকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ও দলীয় দপ্তর থেকে সংগৃহীত তথ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, গবেষণা প্রবন্ধ ও পুস্তক থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীলার মৃত্যুর মামলার প্রধান আসামি স্বামী রাসেল গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ্যাঙ্কর ইন

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


শীলার মৃত্যুর মামলার প্রধান আসামি স্বামী রাসেল গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ফারহানা ইয়াসমিন শীলার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি স্বামী রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন—এসআরবি।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভয়েস ওভার:
এসআরবি-১০-এর একটি দল সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে রাঙ্গাবালী থানায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশের একটি বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সামিউল ইসলাম জানান, এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গত শুক্রবার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের বাহেরচর বাজার এলাকার নিজ বসতঘর থেকে ফারহানা ইয়াসমিন শীলার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রতিনিধি
মোঃ আসাদ মিয়া,,

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে ভুয়া রায় দিয়ে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা: বাদীর ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে ভুয়া রায় দিয়ে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা: বাদীর ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে আদালতের ভুয়া রায় ও ডিক্রির কপি দাখিল করে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টার অপরাধে মো. রফিকুল ইসলাম (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড ও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে সালমা রুমা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারәয় এই দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের আখতার উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ ৩ নভেম্বর ভূমি অফিসে একটি বিবিধ কেসের শুনানির সময় বাদীপক্ষের লোকজন বিজ্ঞ আদালতের একটি রায় ও ডিক্রির আলোকে ১৪৩ ধারামতে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন জানান। তবে দাখিলকৃত কাগজপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে সহকারী কমিশনারের কাছে রায় ও ডিক্রির ফটোকপিগুলো সন্দেহজনক মনে হয়। বিশেষ করে বিচারকের স্বাক্ষর নকল বলে প্রতীয়মান হলে মামলার বাদী মো. রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, তার দাখিল করা রায় ও ডিক্রির কপিটি সঠিক নয়।

পরবর্তীতে মামলার বিবাদী পক্ষের দাখিল করা আদালতের আসল রায় ও ডিক্রি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিজ্ঞ আদালত মূল মামলাটি ডিসচার্জ (খারিজ) করেছিলেন। অথচ বাদী প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সম্পূর্ণ নিজের তৈরি একটি একতরফা ভুয়া রায়ের কপি প্রস্তুত করে তা আদালতের রায় বলে চালিয়ে দেন এবং রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করেন। শুনানિકালে দোষ স্বীকার করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

প্রশাসনের কঠোর বার্তা
রায় ঘোষণার পর ভূমি অফিসে উপস্থিত অন্যান্য সেবাগ্রহীতাদের সতর্ক করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো অবস্থাতেই যেন কেউ ভুয়া বা নকল কাগজপত্র দিয়ে নামজারি কিংবা মিস কেসের আবেদন না করেন। এ ধরনের অনিয়ম ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা গণমাধ্যমকে বলেন, ভূমি সেবা সহজীকরণ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে ভূমি অফিসের নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে তরুণ-তরুণীদের আত্মরক্ষায় চার দিনব্যাপী ‘প্রজেক্ট নির্ভয়’ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


ফেনীতে তরুণ-তরুণীদের আত্মরক্ষায় চার দিনব্যাপী ‘প্রজেক্ট নির্ভয়’ সম্পন্ন

ই-ল্যার্নিং ইয়ুথ ফোরামের এবং ফেনী ড্রাগন কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এই প্রকল্পে ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবকের অংশগ্রহণে, আত্মরক্ষার বিভিন্ন কৌশল ও প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ই-ল্যার্নিং ইয়ুথ ফোরামের পরিচালক মো. নুরুল হক শুভ'র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব ফেনী অপূর্ব'র প্রাক্তন সভাপতি সাইদুল মিল্লাত মুক্তা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ড্রাগন কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ইমন উল হক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য শরিফুল ইসলাম অপু, স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আনোয়ার জাকি এবং সংগঠক, আরাফাতুল মিল্লাত দিপু, মোহাম্মদ জহিরুল আলম ফরহাদ, উপদেষ্টা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠক, প্রশিক্ষক ও উপদেষ্টা মহিম উদ্দিন পৃথিবী।

চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে মোট ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। ফেনী ড্রাগন কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

আয়োজকরা জানান, নারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, আত্মরক্ষার কৌশল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে নিজেদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করাই ‘প্রজেক্ট নির্ভয়’-এর মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও তরুণ সমাজের দক্ষতা উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে ই-ল্যার্নিং ইয়ুথ ফোরাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে তরুণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেন,১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


শেরপুরে তরুণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেন,১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ,

 

শেরপুর সদর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. আকমল আলী (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁর পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সদর উপজেলার চাপাতলী এতিমখানা মোড় এলাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের সামনে এঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আকমল আলী। অভিযোগে মো. বাবু মিয়া (৩০) নামে একজনকে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাবু মিয়া শেরপুর শহরের চাপাতলী এলাকার হাবিবুল্লাহ ড্রাইভারের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকমল আলী শেরপুর সদর উপজেলার মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বাবু মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় চাপাতলী এতিমখানা মোড় থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাবু মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে প্রধান অভিযুক্ত বাবু মিয়া তাঁর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আকমল আলীর মাথায় আঘাত করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, রক্তাক্ত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মামলা-মোকদ্দমা করলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতপরিচয় এক অটোরিকশাচালকের অটোরিকশায় করে তাঁকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%