ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডন গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মা যা বললেন


ডন গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মা যা বললেন

চিত্রনায়ক সালমান শাহের হত্যা মামলায় পুলিশের পক্ষ থেকে খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরের সময় রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, যা সিআইডি হিসেবে পরিচিত, সেখানে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডনের গ্রেপ্তারের খবর গণমাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি ছেলে হত্যার সঙ্গে ডনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন এবং তাঁর গ্রেপ্তারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে দূতাবাসকে অবহিত করেনি

নীলা চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘সালমান আমার সন্তান। সে আমার বুকের মধ্যে আছে এবং থাকবে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। সালমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এই ডন ছিল। শুধু তা-ই নয়, সালমানের মৃত্যুর পর সে আমাকে নানা ভাবে অপমান করেছে এবং আমার ছেলের নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আজ সে গ্রেপ্তার হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব প্রমাণ একদিন সামনে আসবে।’

সালমান শাহর মা তার বক্তব্যে বলেন, ‘আল্লাহর কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং বর্তমান সরকারের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। সালমান হত্যার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করা হোক। আমি আশা করি, একদিন আমি আমার সন্তান হত্যার সুবিচার পাব।’

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন, যিনি সালমান শাহ নামে পরিচিত, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। তার মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা, প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে, ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই, সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। আদালত তার জন্য সিআইডিকে অপমৃত্যু ও হত্যার অভিযোগ একসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে প্রাণ গেল বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। সেখানে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে। তবে সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন সালমানের বাবা।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলাটি হত্যার মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর পরদিন, ২১ অক্টোবর, রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম হত্যা মামলা করেন। এতে সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি বলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুঁচি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে যুবকের লুঙ্গির গোছায় মিলল ওয়ান শুটার গান

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নীলা চৌধুরী, তার স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের কিছু হয়েছে বলে জানান। দ্রুত বাসায় ফিরে তারা সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। অভিযোগে বলা হয়েছে, তখন কয়েকজন নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন এবং পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন।

সালমানের মা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখা যায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছেলের মৃত্যুর আগেই ঘটানাটিকে হত্যা বলে সন্দেহ করেছিলেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এ কারণে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। তার মৃত্যুর পর সালমানের মামা মোহাম্মদ আলমগীর বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

আরও পড়ুন: সৌদীতে আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী দেশে ফিরেছেন

এদিকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ২০ মে সালমান শাহের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের আবেদন করা হয়। পরে ২৪ মে আদালত মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন। তবে বাদীপক্ষ ওই আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করলে তা নথিভুক্ত করেন আদালত।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপিও আদালতে দাখিল করে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

প্রায় তিন দশক পর সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যামামলা হিসাবে তদন্ত চলছে। সেক্ষেত্রে মামলার অন্যতম আসামি ডনের গ্রেপ্তারকে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেবী ও পুলিশ কর্মকর্তা, দুই রূপে নয়নতারা ‘মুকুথি আম্মান ২’-এ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার সংক্রান্ত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণের আওতায় বাণিজ্য পরিচালনা, নীতি প্রণয়ন, সরকারি নথি প্রস্তুত ও বিশ্লেষণ, আমদানি-রপ্তানি তথ্য বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি বিশ্লেষণে এআইয়ের ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

ইউকে ইন্টারন্যাশনাল, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একযোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। প্রথম ব্যাচে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৩০ জন কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকারি কাজে এআইয়ের ব্যবহার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, দক্ষ এবং তথ্যনির্ভর করাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, আমদানি-রপ্তানি তথ্য বিশ্লেষণ, বাজার পরিস্থিতি এবং পণ্যের চাহিদা-দর পর্যবেক্ষণসহ বাণিজ্যনীতির সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এর মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ জনগণকে আরও কার্যকর সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। তবে, তিনি জানান যে, এআই ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্যের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা এবং মানবিক তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি আধুনিক ও স্মার্ট বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতি মনোনিবেশ করেন।

প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্বে জেনারেটিভ এআইয়ের মৌলিক ধারণা ও বাণিজ্যে এর ব্যবহার, সরকারি নথি সংক্ষেপণ ও বিশ্লেষণ, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, চিঠি-মেমো, বক্তৃতা ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত, আমদানি-রপ্তানি ও বাজারদর বিশ্লেষণ, সাপ্লাই চেইন, ডব্লিউটিও চুক্তি এবং এফটিএ ও পিটিএ বিশ্লেষণে এআইয়ের প্রয়োগ শেখানো হবে। এছাড়াও, বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতি, নীতি প্রণয়ন এবং ই-গভর্নেন্সে এআইয়ের কৌশলগত ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হবে। শেষ দিনে ক্যাপস্টোন প্রকল্প ও সরাসরি উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।

অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির সিনিয়র ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ওয়াইস প্যারী এবং ট্রান্সফরমেটিভ ইকোনমিক পলিসি প্রোগ্রাম (টিইপিপি-২)-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মারুফ আজম বক্তব্য প্রদান করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ওয়াইস প্যারী বলেন, বিপুল পরিমাণ ডেটা, নথি ও তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে এআই নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজকে আরও সহজ ও দক্ষ করতে পারে। তিনি জানান, এতে কাজের চাপ কমার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও শিল্পনীতি প্রণয়নে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ হবে। তবে এআইয়ের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর না করে মানবিক বিচার-বিশ্লেষণ এবং তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বাণিজ্যভিত্তিক এআই মডেল নিয়ে ভবিষ্যতে আরও প্রশিক্ষণের আয়োজনের গুরুত্বারোপ করেন।

ইউএনডিপির অর্থায়নে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এআইভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি প্রণয়নে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা সীমান্তে মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ওষুধ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


সাতক্ষীরা সীমান্তে মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ওষুধ জব্দ

সাতক্ষীরা, ৯ আগস্ট ২০২৬ : আজ জেলা সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ এবং ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

জব্দকৃত এসব মালামালের মূল্য আনুমানিক ২৩ লাখ ৯০ হাজার পাঁচশ’ টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

আজ রোববার সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাঁকডাঙ্গা, চান্দুড়িয়া এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘেরের পাড় নামক স্থান হতে, এবং তলুইগাছা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার শালবাগান নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি নামক স্থান হতে ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে, মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার আম বাগান নামক স্থান হতে এবং চান্দুড়িয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কাঁদপুর নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেছে।

এছাড়া, বাঁকাল চেকপোষ্টের বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর হাটখোলা নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক ২২ লাখ ৯০ হাজার পাঁচশ’ টাকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের অভিভাবক সমাবেশে অংশ নিয়ে নাতির অভিভাবক হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোঃ শাহজাহান আলী (৬৫) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১২টার পর কলেজ ক্যাম্পাসে ঘটে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ মঞ্চে ঢলে পড়েন শাহজাহান আলী। উপস্থিত শিক্ষক ও অন্যান্য অভিভাবকরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহজাহান আলী বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতের সাবেক প্রকৌশলী ছিলেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায়। তিনি অবসর গ্রহণের পর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া এলাকায় নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করতেন। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও ঢাকা যাতায়াত করতেন।

শাহজাহান আলীর জামাতা ইমদাদুল হক জানান, তাঁর ছেলে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে পড়াশোনা করায় রাজশাহী শহরে একটি বাসা ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে শাহজাহান আলী ও তাঁর স্ত্রী থাকতেন এবং নাতির দেখাশোনা করতেন। নাতির অভিভাবক হিসেবে তিনি কলেজের অভিভাবক সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন।

ইমদাদুল হক, যিনি ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক, বলেন, "আমার শ্বশুর অনেক আগে পল্লী বিদ্যুৎ থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর আগে হার্টে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। রোববার অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।"

এ ঘটনায় কলেজজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উক্ত মৃত্যুর জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হারানো-চুরি যাওয়া ৬৯ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দিল এপিবিএন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


হারানো-চুরি যাওয়া ৬৯ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দিল এপিবিএন

 

বগুড়ায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সাইবার ক্রাইম সেলের তৎপরতায় উদ্ধার করা ৬৯টি হারানো ও চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ৪-এপিবিএন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা মালিকদের হাতে তুলে দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) শহীদ আবু সরোয়ার।

৪-এপিবিএনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত জুলাই মাসে বগুড়া ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হারানো ও চুরি যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৬৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সাইবার ক্রাইম সেল। এসব ফোনের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ ৭৪ হাজার ৭১৬ টাকা।

এ ছাড়া, বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দুটি ঘটনার তদন্ত করে মোট ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন ও অর্থ রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৪-এপিবিএনের সহঅধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মধুসুদন রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তৌফিকুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার নাসির উদ্দীন মন্ডলসহ ব্যাটালিয়নের অন্যান্য কর্মকর্তা।

দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারণার মাধ্যমে খোয়ানো টাকা ফেরত পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা।

৪-এপিবিএন বগুড়ার অধিনায়ক শহীদ আবু সরোয়ার বলেন, শুধু মোবাইল ফোন ও অর্থ উদ্ধার নয়, গত জুলাই মাসে সাইবার ক্রাইম সেল অপরাধের শিকার তিনজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও ইমো হ্যাকিংসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অপরাধের সমাধান এবং সাইবার বুলিং বা অনলাইন হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের আইনি ও প্রযুক্তিগত সেবা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধসংক্রান্ত যেকোনো সহযোগিতা ও পরামর্শের জন্য এপিবিএনের বগুড়া সাইবার ক্রাইম সেল সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%