মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৭:১৩ পি.এম
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় '৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ' শীর্ষক কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি।
এই কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে নারায়ণগঞ্জ জেলাসহ নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুরু করা হয়।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের '৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ' শীর্ষক কর্মসূচির মূল আয়োজন সোনারগাঁও উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচির উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি।
সোনারগাঁও উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মসূচির উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ; মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৩; পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সোনারগাঁও উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ; সহকারী কমিশনার (ভূমি), সোনারগাঁও; সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তা; সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ; বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ এলাকার জনসাধারণ।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আরেকটি '৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ' শীর্ষক কর্মসূচি নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের 'বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবনের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান ২০২৬' এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি।
উক্ত ভবন উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির।
এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ; মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৩; পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পানাম গ্রুপ; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সোনারগাঁও উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ; সহকারী কমিশনার (ভূমি), সোনারগাঁও; এবং সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ; বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ এলাকার জনসাধারণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময় বাঙালি সমাজে মা-বাবার সেবা করা ছিল পরম দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু আধুনিকতার প্রভাবে এই চিরায়ত মূল্যবোধে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।
বর্তমান সমাজে প্রবীণদের একাকীত্ব, অধিকার রক্ষা, এবং জীবনের কঠোর বাস্তবতা নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি আলাদা আলোচনা সভা ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রবীণদের দীর্ঘ বছরের সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘মহাত্মা গান্ধী প্রবীণ সেবা পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং জুরি বোর্ডের প্রধান হিসেবে ছিলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক মেহেদী। অনুষ্ঠানে গুণী ব্যক্তিত্ব জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়কে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা প্রবীণ জীবনের বিভিন্ন সংকট ও একাকীত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তাদের মতে, বর্তমান প্রজন্মের সাহিত্য ও ইতিহাসের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ফলেই এই নৈতিক পতন ঘটছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকরা বারবার মা-বাবার প্রতি কর্তব্যবোধের কথা বলেছেন, কিন্তু নতুন প্রজন্ম যেন সেই শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছে।
ফারুক মেহেদী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘উন্নত বিশ্বে প্রবীণ নিবাসকে ‘গোল্ডেন হোম’ বা সোনালী ঘর বলা হলেও, আমাদের দেশে প্রবীণ হওয়া মানে যেন নিঃসঙ্গ এবং ‘একা বোকা’ হয়ে যাওয়া। অথচ এই প্রবীণরাই সারাজীবন নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন পরিবারের সুখের জন্য। তিনি নেতিবাচকতা ঝেড়ে ফেলে প্রবীণদের অভ্যন্তরের ইতিবাচক শক্তিকে সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান করেন।
অনুষ্ঠানে প্রবীণদের নিরাপদ জীবন এবং তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের দায়বোধ নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাওয়ার জন্য গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান স্যার উইলিয়াম বিভারিজ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাসের পাশাপাশি প্রবীণ বিষয়ক সংগঠক ও লেখক হাসান আলীরকে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান নাঈমকে এ সময় বলেন, ‘চোখ নামিয়ে কথা বল’। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগে অংশগ্রহণের পর চট্টগ্রামে বিমানবন্দর থেকে সিএনজিতে বাড়ি ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে।
নাঈম হাসানের অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। যখন তিনি লালখানবাজার এলাকায় পৌঁছান, ডিবি পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তার গাড়ি রোধ করেন এবং তাকে নামিয়ে নেন জিজ্ঞাসাবাদের নামে।
তিনি আরো জানান, প্রথমে তার পরিচয়পত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করা হয়। এক পর্যায়ে, সাদা পোশাক পরা একজন ব্যক্তি এবং পুলিশের পোশাক পরিহিত দুই সদস্য তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে উঠানোর চেষ্টা করেন। এতে আপত্তি জানানোয় তাকে মারধর করা হয় এমনটাই অভিযোগ করেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।
নাঈম হাসান বলেন, গলা টিপে ধরে বলা হয়, তুই আসামি, কথা বলবি না। বারবার বলা সত্বেও তারা তার পরিচয় শুনতে চায়নি। তার দাবি, নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও হেনস্তা বন্ধ হয়নি এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন নাঈম হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা। চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর নাঈম বর্তমানে চট্টগ্রামে নিজ বাসায় রয়েছেন।
২৬ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি স্পিনার বলেন, প্রিমিয়ার লিগে খেলা চলছিল, তার ফ্লাইট বিলম্ব হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজি নিয়ে আসছিলেন তিনি, ১১টা ২৫ এর দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে তার সিএনজি দাঁড় করানো হয়, ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নেওয়া হয়। তিনি পুলিশকে বলেছিলেন, আপনি আমার ব্যাগ চেক করুন।
নাঈম বলেন, তাকে গলা চেপে ধরে বলা হয় তুই গাড়িতে উঠ। এই বলে তাকে গাড়িতে তোলা হয়। তিনি বলেন, পুলিশকে বললাম, আমার গলা টিপে ধরছেন কেন? বলে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যান। এরপর পুলিশ তাকে মারধর করে এবং হেনস্থা করে। তিনি জানান, পুলিশ সদস্য ছিলেন দুজন, অন্য একজন ছিল পাঞ্জাবি পরা। সে পরিচয় দেয়নি কিন্তু পাইপ দিয়ে মারছিল। পরে সেখানে ১০০-২০০ মানুষ উপস্থিত হয়, তারা তার পরিচয় দিয়েছে তাও সিরিজের পুলিশ মারছিল।
পরে নাঈমকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান তিনি। গাড়িতে থাকতেই ওসির সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, থানায় নেবার কথা বলা হয়। এরপর তাকে ব্যাগসহ থানায় নিয়ে এসে বলা হয় স্যার (ওসিকে) নিয়ে আসছি। তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত পুলিশ ও আর্মি আমাদের ডেকে নামলে তিনি নামেন, কিন্তু গায়ে হাত দেবে কেন? সোর্স তাকে মারছে, পুলিশও লাঠি দিয়ে মারছে। তিনি বলেন, তিনি সুষ্ঠু বিচার চান। এই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কোন কিছু নেই। তিনি বলেন, আজকে তাকে মারছে, অন্য দিন অন্য কাউকে মারলে তার জন্য কেউ আসবে?
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর এই ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় নাঈমকে। মোবাইল হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তামিম ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তিনি পরে ওসির সঙ্গে কথা বলছেন, বাবার সঙ্গে কথাও বলছিলেন। এটাকে বিচার হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার দাবি করেন, পুলিশের গাড়ি তো সেখানে ছিল। গাড়িতে না তুলে সিএনজিতে করে তাকে কোথায় নিয়ে যেতো? তার বিদ্যমান অবস্থানে যদি সাধারণ মানুষ থাকতো, তা হলে কেউ আসতেন না, একশ-দেড়শ মানুষ কেন কোশ্চেন করতো না। পুলিশ যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে তবে আর লাভ কী!
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, উনি (নাঈম হাসান) ন্যায় বিচার পাবেন। তারা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, এই ব্যাপারে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবেন। কারণ এটি পুলিশের ইমেজের সঙ্গে জড়িত। তারা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নের সঙ্গে কাজ করছেন এবং বর্তমানে কোনো কিছুই টলারেট করবেন না।
উল্লেখ্য, নাঈম হাসান জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন গত পাঁচ বছর ধরে। তিনি আসন্ন জিম্বাবুয়ে সফরের টেস্ট দলেও আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ জেলার পোরশা থানার পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে গত ১২/০৬/২০২৬ তারিখ রাতে দুটি আলাদা অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ০১ (এক) কেজি গাঁজা এবং ০৪ (চার) টি পূর্ণাঙ্গ গাঁজা গাছসহ ৪.৫ কেজি মাল উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন অফিসার ইনচার্জ, পোরশা থানার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়।
অভিযানের প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণ লক্ষীপুরের মোছাঃ পারুল বেগম(৪১), স্বামী- মোঃ নজরুল ইসলাম, সাং- দক্ষিণ লক্ষীপুর, থানার অধীনে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযানে পরে, দুই ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ লক্ষীপুর দীঘিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আসামী অনিল(৫০), পিতা- সমরা, সাং- দক্ষিণ লক্ষীপুর(দীঘিপাড়া) এর বাসার সামনে থেকে ০৪ (টি) পূর্ণাঙ্গ গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটির উচ্চতা ০৭ ফুট, অপরটির উচ্চতা ০৬ ফুট, আর দুটির উচ্চতা যথাক্রমে ০৪ ফুট ০৪ ইঞ্চি এবং ০২ ফুট ০৮ ইঞ্চি, যাদের মোট ওজন ছিল ৪.৫০(চার দশমিক পাঁচ শূণ্য) কেজি।
এখন গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদক নির্মূলে পোরশা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ