০২:৩১ পি.এম
সারাদেশ যখন হামের টিকার সুফল পেতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও ডেঙ্গুর উপদ্রব চোখে পড়ছে। ডেঙ্গুর মৌসুম শুরুর আগেই হাসপাতালে ভর্তি হতে দেখা যাচ্ছে অনেক ডেঙ্গু রোগীকে। শিশু হাসপাতালে পাশাপাশি দুটি ওয়ার্ডে ভর্তি আছে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুরা।
হামের এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ প্রায় এক রকম হওয়ার পরও, ডেঙ্গুতে রক্তে প্লাটিলেড কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই কারণে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু নির্ণয়ের সাথে সাথে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে; অন্যথায় শক অবস্থায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
শরীরের দুর্বলতা, মুখে অরুচি, র্যাশসহ হাসপাতালের বিছানায় সজ্জাসায়ী শিশুরা দেখা যাচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে হামে আক্রান্ত মনে হলেও, পরীক্ষায় বেরিয়ে আসছে ডেঙ্গু রোগ।
আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে
এখনও ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু না হলেও, প্রতিদিনই হাসপাতালে দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু রোগী। হাম এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ এক হলেও, ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে শিশুরা অল্প সময়ের মধ্যে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা অভিভাবকদের মধ্যে দুঃশ্চিন্তা সৃষ্টি করছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বড় সংখ্যক এডিনো ভাইরাস, বোকা ভাইরাসসহ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টেও ভুগছেন।
এই ক্ষেত্রে, হামে প্রথমে মুখে র্যাশ শুরু হয়, আর ডেঙ্গুতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে র্যাশ হয়। এটি হাম এবং ডেঙ্গু নির্ণয়ের সহায়ক লক্ষণ হিসেবে কাজ করে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে শিশুর শক অবস্থায় চলে গেলে রোগীর শরীর সংকটাপন্ন হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে, চলতি বছর সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন