এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০২:৪০ পি.এম
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বাগাট বাজারে পচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকার জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময়ে, দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই মণ পচা মাংস মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাগাট বাজারে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় জাকির কসাইয়ের দোকানে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা পচা গরুর মাংসের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। একইসাথে দোকান থেকে উদ্ধার করা প্রায় দুই মণ পচা মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া পচা মাংস ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযানের কাজ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতির বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সোহানা নাসরিন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মতবিনিময় করেন তিনি।
এসময় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী শবনম, জেলা থেকে আগত ৪ জন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহদাত হোসেন শাহ আলম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুলিয়ারচর উপজেলা শাখার নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুর রহমান আবেদী, সেক্রেটারি মাওলানা মশিউর রহমান মহসীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার, কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এসআরএমজি কিবরিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবা সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়াসিম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মো. আনিছুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মামুন মিয়া, বিআরডিবি'র চেয়ারম্যান হাজী হাফেজ মো. দ্বীন ইসলাম সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এর আগে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশের সাথে সাথে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপন করেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে তিনি সকালে কুলিয়ারচর থানা পরিদর্শন করে থানার পুলিশ সদস্যদের খোঁজ খবর নেন। এছাড়া তিনি উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস ও ছয়সূতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করে সেবার মান উন্ননে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও কুলিয়ারচর উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র, উপজেলার পপি এনজিও, ছয়সূতী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক দর্শন করেন।
প্রধান অতিথি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সোহানা নাসরিন কুলিয়ারচর আগমন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ও কুলিয়ারচর থানার পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর এলাকার আওতাধীন একটি নির্মাণাধীন ভবনের বিরুদ্ধে অনুমোদিত নকশার বাইরে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, ৬ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নিয়ে বর্তমানে ৯ তলা পর্যন্ত নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে, এবং ভবনটি ১০ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মধ্যে জননিরাপত্তা এবং বিল্ডিং কোডের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ভৈরব পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া এলাকায়, আনোয়ারা জেনারেল হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আমেরিকা প্রবাসী মো. ইকবাল মিয়ার নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে দেখা যায় যে, ভবনের ৯ম তলার নির্মাণকাজ চলমান অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ভবনটির জন্য ভৈরব পৌরসভা থেকে শুধুমাত্র ৬ তলা পর্যন্ত নির্মাণের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান যে, ভৈরব পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে অনুমোদনের অতিরিক্ত তলা নির্মাণের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ভবনেই ৬ বা ৭ তলার অনুমোদন নিয়ে ১০ থেকে ১১ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) এবং ফায়ার সার্ভিসের নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভবনের চারপাশে প্রয়োজনীয় খোলা জায়গা (সেটব্যাক) না রেখেই অনেক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এভাবে অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণ অব্যাহত থাকলে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড কিংবা অন্য কোনো দুর্যোগে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় এক ভবন মালিক বলেন, “প্রায় আড়াই বছর আগে ভবনটির ৬ তলার অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ৯ম তলার কাজ চলছে এবং ১০ম তলা পর্যন্ত নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।”
আরেক বাসিন্দার দাবি হচ্ছে যে, ভৈরব পৌর এলাকায় আরও বেশ কয়েকটি ভবনেও অনুমোদনের অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে ভিআইপি প্লাজার পেছনে অবস্থিত কয়েকটি বহুতল ভবনের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট ভবনটির সামনে সড়ক খোলা থাকলেও বাকি তিন পাশে বিল্ডিং কোড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খোলা জায়গা রাখা হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ভবনের মালিক আমেরিকা প্রবাসী মো. ইকবাল মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “অভিযোগটি তদন্তের জন্য লোক পাঠানো হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) অনুযায়ী অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ আইনসম্মত নয়। এছাড়া, ভবনের চারপাশে নির্ধারিত সেটব্যাক বা খোলা জায়গা রাখা, অগ্নিনিরাপত্তা, কাঠামোগত নিরাপত্তা এবং ভূমিকম্প সহনশীলতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। অনুমোদিত নকশায় কোনো পরিবর্তন আনতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিতে হয়। সচেতন নাগরিকদের দাবি, বিল্ডিং কোড লঙ্ঘনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বিবেচনা না করে সবার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। তাদের মতে, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমেই ভৈরবকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বর্তমানে সফররত আছেন। তিনি যে হোটেলে অবস্থান করছিলেন, তার নিকটে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এই ঘটনার وقوع ঘটে। একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে যে, এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, এলিসি প্রাসাদ থেকে জানানো হয়েছে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট বিস্ফোরণের কোন শব্দই শুনতে পাননি এবং এর পরপরই তিনি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সম্পন্ন করেন।
এই বিস্ফোরণগুলো সিরিয়ার গুরুতর নিরাপত্তা সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শারার নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ম্যাক্রোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান যিনি সিরিয়া সফর করছেন।
রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে যে, রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
এলিসি প্রাসাদ আরও জানায়, রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়নি এবং ম্যাক্রোঁর সফরসঙ্গী প্রেস গ্রুপের একজন রয়টার্সের সাংবাদিক, ফরাসি রাষ্ট্রপতির সকালের কর্মসূচির সময় বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি বা কোনো ধরনের হট্টগোলও দেখেননি।
পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ম্যাক্রোঁ এবং শারা সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাৎ করেছেন।
ম্যাক্রোঁর এই সফর শারার অধীনে সিরিয়ার ভূ-রাজনৈতিক রূপান্তরকে তুলে ধরেছে। আল-কায়েদার সাবেক এই কমান্ডার আসাদকে বর্জনকারী পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং ১৩ বছরের যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটি দেশকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।
সিরীয় সংঘাত চলাকালে ইসলামিক স্টেট সহ বিভিন্ন ‘জঙ্গি গোষ্ঠী’ দেশটিতে নিজেদের ঘাঁটি গেড়েছিল।
আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের কঠোর শাসনের অবসান ঘটানোর পর থেকে সিরিয়ার সুন্নি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের সদস্য শারা, সিরিয়ায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা বর্ষণের কারণে এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে উৎপাদন পূর্বের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টার পরিমাপ অনুযায়ী কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টি ইউনিটই সচল রয়েছে। এই ৪টি ইউনিট থেকে বর্তমানে মোট ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক আহমেদ জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের ৫টির মধ্যে ৪টি ইউনিট সচল রয়েছে। এর মধ্যে ১নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৩৪ মেগাওয়াট, ৪নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াট এবং ৫নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াটসহ মোট ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, 'বর্তমানে রুলকার্ভ (পানির পরিমাপক নির্দেশিকা) অনুযায়ী কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর রয়েছে ৭৯ দশমিক ৯ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। বৃষ্টিপাত এভাবে অব্যাহত থাকলে এবং হ্রদের পানির স্তর আরও বৃদ্ধি পেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।'
উলেখ্য, সম্পূর্ণ পানির ওপর নির্ভরশীল কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে পানির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকলেও বর্ষা শুরু হওয়ায় কেন্দ্রটিতে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ