ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
গ্রামীণ সহিংসতা মাদক নিরসন

পারিবারিক বিরোধ নিরসনে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই: ইউএনও


পারিবারিক বিরোধ নিরসনে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই: ইউএনও

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ বলেছেন, ‘গ্রামীণ সহিংসতা, নারীর প্রতি সহিংসতা, মাদক নিরসনে ও পারিবারকি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে কিংবা জমিজমার অধিকাংশ বিরোধ নিরসনে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই। গ্রামীণ জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালতের ভূমিকা অত্যন্ত বেশি। একজন জনপ্রতিনিধি ইচ্ছা করলে তার ইউনিয়নের ৯০ ভাগ সমস্যা অসঙ্গতি গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে পারেন।’ তবে তিনি মন্তব্য করেছেন যে এটি যথাযথভাবে করা হচ্ছে না।

আজ রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব মন্তব্য করেছেন।

এ সময় পাওয়ার পয়েন্টে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক। স্থানীয় সরকার বিভাগ বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রেখেছেন উপজেলা সমন্বয়কারী রাশেদ খান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গ্রাম আদালত উপজেলা সমন্বয়কারী ইয়াসমিন।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ৩৩

অন্যান্যদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন, সিপিপির সহকারী পরিচালক আছাদুজ্জামান খান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্বাস আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকসেদুল আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজর মো. মনিরুজ্জামান খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু প্রমুখ।

বক্তারা বলেছেন, গ্রাম আদালতে যেটা হওয়ার কথা সেটা হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিরা দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। ফলে মধ্যস্বত্ত্বভোগী চক্র সালিশ বাণিজ্য করতে সুযোগ পাচ্ছে। এ ছাড়া যেটা গ্রামীণ আদালতের বিচার্য্য বিষয় তা নিরসনের জন্যে মানুষ সত্যিকারের আইনি প্রতিকার পাচ্ছেন না। কর্মশালায় প্রত্যেকেই যে যার জায়গা থেকে করণীয় বিষয়ে রিখিত সুপারিশ তুলে ধরেন এবং গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলাপাড়ায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

তরুণদের শৃঙ্খলায় আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


তরুণদের শৃঙ্খলায় আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় “কলাপাড়ার উন্নয়ন; কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি প্রতিরোধে” এই শিরোনামে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এটি শনিবার বিকালে কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়র তৌহীদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: মুতাসিম বিল্লাহ।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গণঅধিকার পরিষদ কলাপাড়ার সদস্য সচিব গাজী আব্বাস উদ্দিন বাচ্চু, গণমাধ্যম কর্মী মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া পরিবেশ ও জনসুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি মনোয়ারা বেগম, স্থপতি ইয়াকুব খান, কলাপাড়া উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান সমিতির সভাপতি মাওলানা মাসুম বিল্লাহ রুমী,

জামায়াত ইসলামি উপজেলা জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মুর্শিদুল আলম, কলাপাড়া বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাজমুল ইসলাম, শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র, সাংস্কৃতিক সংগঠক মোস্তফা জামান সুজন, কল্লোল বিশ্বাস, যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান লিটু, গাজী মো. সুমন, প্রভাষক নাজমুল আলম বাদল মাতুব্বর,

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল করিম কাজল মৃধা, উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক কাজী ইয়াদুল ইসলাম, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির কলাপাড়া উপজেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম,

গণমাধ্যম কর্মী তানজিল জামান জয়, সরকারি মোজাহারউদ্দিন কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন, কলেজ ছাত্রদল সাবেক আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম দিপু, ইসলামি ছাত্র শিবির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম,

ইসলামি ছাত্র আন্দোলন নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশ সংগঠক নাজমুস সাকিব।

আঞ্চলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোজেন রিসার্চ এই গোলটেবিল বৈঠকটি আয়োজন করে। আলোচকগণ কিশোর অপরাধের প্রধান কারণ হিসেবে মাদকের ব্যবসা উল্লেখ করেন এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিমুখ হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

মাদক ও বখাটেপনার দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রথমে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার পরামর্শ দেন। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের ও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আগামির সুন্দর কলাপাড়া গঠনের লক্ষ্যে সকলের একসাথে কাজ করার প্রয়োজন মনে করছেন সকল বক্তা। তারা বক্তব্য রাখেন যে, মাদকের দৌরাত্ম বন্ধ করতে না পারলে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম মেয়াদীভাবে বন্ধ করা যাবে না।

কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, মাদকসেবী কিশোররা এখন কলাপাড়ার সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বিনাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল বক্তব্যে জনাব মুতাসিম বিল্লাহ নাসিম বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব যে দিকে যাচ্ছে, আমরা সেদিকে থাকতে পারছি না।

তিনি বলেন, কিশোর তরুণরা ভুল পথে হাঁটছে। কলাপাড়ার কিশোর তরুণদের শৃঙ্খলায় ফেরাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে করণীয় বিষয়ে উঠান বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে করণীয় বিষয়ে উঠান বৈঠক

“সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” এই মূলভাবে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে করণীয় শীর্ষক একটি কমিউনিটি ভিত্তিক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে নারীদের জন্য শান্তি সহায়তাকারী দল (ওয়েভ)-এর উদ্যোগে এই বৈঠকটির আয়োজন করা হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুদরত পাশা। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এবং এফসিডিও’র অর্থায়নে, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী নেত্রী অংশগ্রহণ করেন।

শান্তিগঞ্জ ওয়েভ-এর সদস্য নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং সীশার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, পিএফজির সমন্বয়কারী দোলন রানী তালুকদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াসমিন আক্তার এবং পিএফজির পিস এম্বাসেডর জিয়াউর রহমান জিয়া।

বক্তারা বলেন, নারী পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। কিন্তু আজও অনেক নারী পারিবারিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, যেগুলো এবং তারা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করছে। বক্তার বক্তব্য অনুযায়ী, নারীর প্রতি সহিংসতা শুধু একজন নারীর ক্ষতিই প্রচণ্ড আঘাত করে না, বরং একটি পরিবার, সমাজ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করে। এ কারণে সামাজিক সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিতভাবে কাজ করাটা অত্যন্ত জরুরি। নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে বক্তারা বলেন, পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীর অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং ছেলে-মেয়েদের সমান মর্যাদা দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধির প্রতিরোধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনকে অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তারা বলেন, পরিবার থেকেই সন্তানদের মানবিকতা, সম্মানবোধ ও নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণের শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ আইনগত সহায়তার বিষয়ে জনগণকে অবহিত করা এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারী নিজের অধিকার রক্ষায় অধিক সক্ষম হন। এ সময় সহিংসতার ঘটনা দেখে নীরব না থেকে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও যুবসমাজের সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়।

বক্তারা বলেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শিউলী পাল, রোকসানা বেগম, লিজ, জুঁই, নাহিদা, জহুরাসহ অন্যান্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু, পাঁচ দিন পরই দেশে ফেরার কথা ছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু, পাঁচ দিন পরই দেশে ফেরার কথা ছিল

প্রবাসজীবনের দীর্ঘ সময় শেষে দেশে ফিরে আসার জন্য ছুটি নিয়ে ফেরার প্রস্তুতি চলছিল। পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর স্বপ্ন নিয়ে বিমানের টিকিটসহ সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবারে ফেরার মাত্র পাঁচদিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার শহীদুল ইসলাম (৪০), যিনি স্থানীয়ভাবে শহীদুল্লাহ নামে পরিচিত ছিলেন।

শুক্রবার রাতের দিকে ওমানের বেরুমি এলাকায় রাস্তা পার হতে গিয়ে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু ঘটে। বর্তমানে তাঁর মরদেহ বেরুমি হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে।

নিহত শহীদুল ইসলাম মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়ন এর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জমাদারগ্রাম এলাকার আস্কর আলী বৈদ্দ্য বাড়ির মৃত মোহাম্মদ মেস্ত্রীর চতুর্থ পুত্র।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু শাহাদাত সায়েম স্বজনদের বরাতে জানান, শহীদুল ইসলাম পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির জন্য গত ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে ওমানে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি এমব্রয়ডারির কাজ করতেন। আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার কথা ছিল। এই জন্য তিনি বিমানের টিকিটসহ সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছিলেন।

সায়েম জানান, রাতের ঘটনার সময় শহীদুল ইসলাম স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিভিন্ন উপহারসামগ্রী কিনে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে আবেগ-বিহ্বল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে সায়েম বলেন, “তিনি দেশে আসবে বলে খুবই আনন্দিত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সেই আনন্দের মুহূর্তটিও মুহূর্তেই শোকে পরিণত হলো। অল্প বয়সেই তার সন্তানরা পিতৃহারা হয়ে গেল।”

এদিকে, ওমানে অবস্থানরত প্রবাসী সংগঠনের নেতারা শহীদুল ইসলামের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মো. আবু নছর রিয়াদ বলেন, “আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।” ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নুরুল আবছার।

শহীদুল ইসলামের অকাল মৃত্যুর ফলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে নদীভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে নদীভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা ও দক্ষিণ ধলডাঙ্গা, কালজানি নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক জনাব অন্নপূর্ণা দেবনাথ। এ সময়, তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম বেনজির রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুর রহমান তারেক এবং চর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

শনিবার (৬ জুন) ভারত থেকে প্রবাহিত কালজানি নদীর ভাঙনের শিকার, উত্তর ধলডাঙ্গা, দক্ষিণ ধলডাঙ্গাসহ নদী ভাঙন কবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক স্থানীয় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

এ সময় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক গোলাম ইয়াছিন কালজানির ও দুধকুমর নদীর ভাঙনে শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা, দক্ষিণ ধলডাঙ্গা, তিলাই ইউনিয়নের খোচাবাড়ীর চর, সদর ইউনিয়নের নলেয়ার চর ও বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের চর বলদিয়া কালিরহাটের বিভিন্ন পয়েন্টে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের পূর্বেই কাজ শুরু করার দাবি জানান। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে নদী ভাঙনের কারণে প্রায় ১৩০ থেকে ১৪০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।

এসব পরিবারকে দ্রুত সরকারের সহায়তায় বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া সহ জীবিকা নির্বাহে পুনর্বাসনের দাবী জানালে জেলা প্রশাসক ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত নদীতীরে জিও ব্যাগ ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এছাড়া, নদী ভাঙনে বসতভিটা হারানো পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তা এবং ঘর নির্মাণের লক্ষ্যে ঢেউটিন বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে নদী ভাঙন রোধে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম ইয়াছিন ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন ইউসুব কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের নিকট জিও ব্যাগের আবেদন করলে তিনি নদী ভাঙন রোধে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়ে ২ হাজার জিও ব্যাগ বরাদ্দ প্রদান করেন।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ইসমাইল হোসেন ইউসুব। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নদী ভাঙনের শিকার বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসকের এমন মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগে নদী ভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%