বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৮:০৩ এম
ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি, এই ঘটনা ঘটে তিন বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ৭ ঘণ্টা পরে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল পৌনে ৮টার সময় পর্যন্ত পরিস্থিতির শেষ খবর পাওয়া গেছে যে, ওই রুটে এখনও ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, ২৪ জুন রাত পৌনে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, জামালপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা আন্তঃনগর বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনটি গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশনে পৌঁছায় সোয়া ১০টার দিকে। পরে, সেখানে ইঞ্জিনের দিক পরিবর্তন শেষে ১১টার কাছাকাছি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়ার চেষ্টা করলে স্টেশন এলাকাতেই তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন জানিয়েছেন, ‘ট্রেনটির তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে কোনো হতাহত হয়নি। কেওয়াটখালি লোকোসেড থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন সেখানে গিয়ে কাজ করছে। উদ্ধার করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে উদ্ধার কাজ শেষ হওয়ার পরেই ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেক্সিকোর তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ছবি : সংগৃহীত
মেক্সিকোর তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন ইতিহাস গড়লেন। তিনি চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে জায়গা করে নিয়ে দেশের ফুটবল ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি স্থাপন করেছেন।
মোরা ১৭ বছর ২৫৩ দিন বয়সে বিশ্বকাপের ম্যাচে মেক্সিকোর হয়ে শুরুর একাদশে নামেন। ১৯৫৪ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেক্সিকোর কোনো খেলোয়াড় এত কম বয়সে প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পাননি।
মেক্সিকো ছাড়াও, চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবেও শুরুর একাদশে মাঠে নামার রেকর্ড গড়েছেন এই তরুণ।
একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সী শুরুর একাদশের খেলোয়াড় হিসেবে নাইজেরিয়ার ফেমি ওপাবুনমি ছিলেন আগে। তিনি ২০০২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭ বছর ১০১ দিন বয়সে মাঠে নেমেছিলেন।
এই বড় আসরে গিলবার্তো মোরাকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া মেক্সিকো দলের কোচিং স্টাফের আস্থার প্রতিফলন হিসাবে দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সুযোগ তরুণ মিডফিল্ডারের ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে উঠতে পারে।
নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনায় উঠে আসা মোরা বিশ্বকাপের মঞ্চে আরও বড় কিছু করার জন্য অপেক্ষায়। বয়স মাত্র ১৭ হলেও ভবিষ্যতে মেক্সিকান ফুটবলের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন অনেকেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্র এবং মেক্সিকো। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুদলই কয়েকটি আক্রমণাত্মক সুযোগ তৈরি করলেও, কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। তাই হলো ০-০ গোলে সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে প্রধান দুটি দল।
আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করা মেক্সিকো কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামলেও, বলের দখল ও আক্রমণে তারা যথেষ্ট সক্রিয় ছিল।
অন্যদিকে, শেষ ষোলোতে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে চেক প্রজাতন্ত্রের জয়ের বিকল্প নেই। এ কারণে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে তারা। তবে দুই দলের ফরোয়ার্ডরা সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়ে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য অবস্থায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষভাবে চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য এই ম্যাচের ফল নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে ০-০ গোলে সমতায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ কোরিয়া। দুই দলের জন্য এই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য, শুরু থেকেই মাঠে সতর্ক ও সংগঠিত ফুটবল দেখা গেছে।
প্রথমার্ধে বল দখল নিয়ে লড়াইয়ে দুই দলই চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ পুরোপুরি ভাঙতে পারে নি কোনো দলই। দক্ষিণ কোরিয়া কিছুটা আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ়। অন্যদিকে, দ্রুত পাল্টা আক্রমণের প্রচেষ্টা চালিয়েও দক্ষিণ আফ্রিকা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।
মাঝমাঠের লড়াইয়ে দুই দল সমানতালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা করেছে। কিছু গোলের সুযোগ তৈরি হলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে। ফলে, কোনো দলই এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা না দেখাতে পারায় গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় ম্যাচটি।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই জয়ের লক্ষ্যে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়ে মাঠে নামবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত কোন দল হাসবে, তা জানতে শেষ বাঁশির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মহাসড়কে পরিচালিত রাত্রীকালীন টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি টহলরত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন, যানবাহন তল্লাশি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি এবং মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
একই সঙ্গে তিনি রাণীনগর থানা-এর আওতাধীন একঢালা পুলিশ ক্যাম্প আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডিউটি ব্যবস্থাপনা এবং উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি ক্যাম্পে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জনগণের জানমাল রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে সর্বদা সজাগ থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সকল ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তদারকি ও পরিদর্শন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ