ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুন্সীগঞ্জে কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া খেলার মাঠের উদ্বোধন


মুন্সীগঞ্জে কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া খেলার মাঠের উদ্বোধন

মুন্সীগঞ্জে কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া খেলার মাঠের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলায় কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া খেলার মাঠ উদ্বোধন করা হয়। শনিবার (১৮ জুলাই) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী তরুণ।

প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুস সালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসন-২৮-এর সংসদ সদস্য মমতাজ আলো এবং মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।

আরও পড়ুন: ঢাকার ধামরাইয়ে আজ সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যারা

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ, টংগিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসীফ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই যুবসমাজকে খেলাধুলামুখী করতে এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া খেলার মাঠে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন করেন। মাঠের উদ্বোধনকে ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

আরও পড়ুন: বীরাঙ্গনা ও যুদ্ধশিশুর বিরুদ্ধে মামলা, মব আতঙ্কে বাড়িছাড়া মা-মেয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা হারালেন টোটা রায়চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


বাবা হারালেন টোটা রায়চৌধুরী

টালিউড অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরীর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অভিনেতার বাবা বিপ্লবাঙ্কুর রায়চৌধুরী আর থাকলেন না।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৪ বছর।

তবে পরিবারের ইচ্ছার কারণে মৃত্যুর খবরটি এত দিন প্রকাশ করা হয়নি। প্রায় এক সপ্তাহের পরে বিষয়টি সামনে এসেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ জুলাই ছিল টোটা রায়চৌধুরীর জন্মদিন। তার ঠিক পর দিন, ১০ জুলাই হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, বিপ্লবাঙ্কুর রায়চৌধুরী ফুসফুসে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় তাঁর শরীরে তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। হঠাৎ পিঠে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে, তাঁকে হাসপাতাল নেওয়া হয়।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের দ্বারা জানানো হয়, তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন।

টোটা রায়চৌধুরীর স্ত্রী শর্মিলি রায়চৌধুরী বলেন, ‘দিন তিনেক মাত্র কষ্ট পেয়েছেন বাবা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। গত সপ্তাহে ছিল টোটার জন্মদিন। আশীর্বাদ নিয়ে হাসপাতালে বাবার কাছে গিয়েছিলেন অভিনেতা।

তখন বিপ্লবাঙ্কুরবাবুর মুখ ঢাকা ছিল মাস্কে। নাকেমুখে নল। তাই কথা বলতে পারেননি। শুধু ছেলে টোটার গায়ে হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করেন। তার পরের দিনই সব শেষ!’

পিতৃবিয়োগের কারণে ভেঙে পড়েছেন টোটা রায়চৌধুরী। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি এখন শোকাহত এবং কথা বলার মতো মানসিক অবস্থায় নেই। আগামী ২২ জুলাই তাঁর বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখেন টোটা রায়চৌধুরী। তাই বাবার মৃত্যুর খবরও পরিবারের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল কয়েকদিন। খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর অভিনেতার প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তাঁর ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘খেলতে না চাওয়া’ ম্যাচেই রেকর্ডের হাতছানি এমবাপ্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


‘খেলতে না চাওয়া’ ম্যাচেই রেকর্ডের হাতছানি এমবাপ্পের

এখন মায়ামিতে তাদের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। পাওয়ার কিছু না থাকায়, কেউই এই ম্যাচটি খেলতে চায় না। তবে নিয়ম রক্ষার্থে খেলতেই হবে।

যদিও দলের পাওয়ার শূন্য, খেলোয়াড়দের মধ্যে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

নাম উল্লেখ করলে কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮), জুড বেলিংহাম (৬), হ্যারি কেইন (৬) ও উসমান দেম্বেলের (৫)। তাদের মধ্যে চারজনেরই ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের সুযোগ রয়েছে।

এমবাপ্পে অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন। লিওনেল মেসির সাথে যৌথভাবে ৮ গোল করে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় শীর্ষে আছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক।

এতে তার জন্য একটি নতুন রেকর্ড ডাকছে। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোন খেলোয়াড় ২ বার ‘গোল্ডেন বুট’ জিততে পারেননি। এমবাপ্পে, রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার হিসেবে, টানা দ্বিতীয়বার ব্যক্তিগত মর্যাদার এই পুরস্কারটি জয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।

২০২২ বিশ্বকাপেও ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছিলেন এমবাপ্পে। সে সময় তিনি ৮ গোল করে পুরস্কারটি পান।

টানা দ্বিতীয়বার পুরস্কারটি জিততে হলে অবশ্যই মেসিকে পেছনে ফেলতে হবে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েই তার শেষ সুযোগ থাকতে হবে। অন্যথা, যদি মেসি স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে গোল করেন এবং এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলেন, তাহলে পুরস্কারটি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের হাতে চলে যাবে। সুতরাং, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচটির গুরুত্ব ফ্রান্সের জন্য না থাকলেও, এমবাপ্পের জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধ থাকা রেল স্টেশন এখন গোয়ালঘর-মুরগির ফার্ম!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


বন্ধ থাকা রেল স্টেশন এখন গোয়ালঘর-মুরগির ফার্ম!

দেশের পূর্বাঞ্চলের ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের অধীনে চলাচলকারী আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত ১৭০ কিলোমিটার রেলপথে মোট ৬ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করলেও এই পথে সব ধরনের লোকাল ট্রেন বন্ধ রয়েছে।

ফলে, আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর প্রতি স্থানীয় যাত্রীদের নির্ভরশীলতা বেড়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে লোকাল ট্রেনের চলাচল বন্ধ থাকায় মোট ৬টি রেলওয়ে স্টেশন বর্তমানে বন্ধ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের মতে, যদি লোকাল ট্রেন ও স্টেশনগুলো আবারও চালু করা যায়, তাহলে গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নত হবে। বিনা টিকেটে আন্তঃনগর ট্রেন ভ্রমণের সংখ্যা কমবে, যা সরকারের রাজস্ব বাড়াতে সহায়ক হবে। এতে সঙ্গে এসে যাবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর চলাচলের জন্য বিরতি কমানোর বিষয়টিও।

সরেজমিনে অনুসন্ধান জানায়, ঢাকা-সিলেট রেলপথে আখাউড়া হয়ে চলাচলকারী চার জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে, যা আজমপুর, জয়ন্তিকা, কালনি, উপবন ও পারাবত ট্রেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের পথে উদয়ন ও পাহাড়িকা নামের দুই জোড়া ট্রেনও চালাচ্ছে। সব মিলিয়ে, মোট ৬ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে। কিন্তু ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে কোনো লোকাল ট্রেন চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে না।

এ অবস্থায়, এই পথে যাত্রীদের জন্য আন্তঃনগর ট্রেনগুলো একমাত্র নির্ভরতার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যে, আখাউড়া থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার এলাকায়, বাল্লা, কুশিয়ারা ও সুরমা মেইলসহ বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন চলাচল করত। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ট্রেনগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেয়। ফলে মেরাশানী, সিঙ্গারবিল, কাশিমনগর, ইটাখোলা, লস্করপুর ও ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে, এই বন্ধ স্টেশনগুলো মুরগির ফার্ম অথবা গোয়াল ঘরে পরিণত হয়েছে। এ কারণে, বিনাটিকিটে আন্তঃনগর ট্রেন ভ্রমণের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনিভাবে বিপুল পরিমাণে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্থানীয়রা আবারও দাবি করেছেন, লোকাল ট্রেনগুলোর পুনরায় চালু হলে গ্রামাঞ্চলে উৎপাদিত কৃষিপণ্যগুলো সহজে বাজারজাত করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে, সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে, আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুর এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম ভূঁইয়া জানান, একসময় এই রেলপথে বাল্লা, কুশিয়ারা ও সুরমা মেইলসহ বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন চলাচল করত। ফলে, স্থানীয় কৃষকরা উৎপাদিত কৃষি পণ্য নিয়ে সহজে চলাচল করতে পারতেন। তবে লোকাল ট্রেনগুলো বন্ধ হওয়ায়, স্থানীয় যাত্রীদের জন্য আন্তঃনগর ট্রেন একমাত্র ভরসার জায়গা।

তিনি বলেন, ‘লোকাল ট্রেন বন্ধ, এবং লোকাল স্টেশনগুলোও বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা টিকিট কাটতে পারছেন না। তারা বাধ্য হচ্ছে বিনা পয়সায় ট্রেন ভ্রমণ করতে। আমরা এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাই।’

বন্ধ হওয়া ভারত সীমান্তবর্তী সিঙ্গারবিল রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত স্থানীয় অধ্যাপক মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘এক সময় আমরা সিঙ্গারবিল স্টেশন থেকে ৫ টাকা ভাড়া দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে যাতায়াত করতাম। এখন এগুলো শুধু স্মৃতি।’

তিনি জানান, লোকাল ট্রেনগুলো বন্ধ থাকায় বিজয়নগর উপজেলার সাধারণ মানুষের উৎপাদিত ফল, সবজি ও কৃষি পণ্য বাড়তি ভাড়ায় পরিবহন করতে হচ্ছে। যদি লোকাল ট্রেনগুলো চালু হতো, তবে স্থানীয় কৃষকেরা অনেক বেশি উপকৃত হতেন। এ ছাড়া বন্ধ স্টেশনগুলো চালু থাকলে সাধারণ মানুষও টিকিট কেটে রেল ভ্রমণ করতে পারতেন। এভাবে সরকারের রাজস্বের পরিমাণ বাড়তো।

মেরেশানি রেল স্টেশন এলাকার বাসিন্দা কাহার ভূঁইয়া জানান, ট্রেন এবং স্টেশনগুলো বন্ধ থাকার কারণে গ্রাম অঞ্চলের যাত্রীদের এখন আন্তঃনগর ট্রেনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীরা আন্তঃনগর ট্রেনে বিনা পয়সায় ভ্রমণ করেই চলছেন। দক্ষিণবঙ্গের শিল্প ও কৃষির জন্য যা ক্ষতিকর বলেও দাবি করেন তিনি।

কাহার ভূঁইয়া আরও জানান, এক সময় তিনি মেরাসানী থেকে বিভিন্ন ফল বিক্রি করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, আশুগঞ্জ যেতেন। কিন্তু এখন তিনি পিকআপ এবং সিএনজি ব্যবহার করে ফল ও সবজির ব্যবসা করছেন। ট্রেনগুলো যাতে চালু হয়, তার জন্য তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

এদিকে, ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ফারজানা ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ট্রেনটি স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আজমপুর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে থাকে যা আশপাশের অন্তত পাঁচটি স্টেশনে ঘন ঘন যাত্রা বিরতি দেয়। এতে যাত্রা করার সময় যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনই যাত্রা অভিজ্ঞতা আঘাতহীন হয়ে পড়ছে।

ফারজানা বলেন, ‘এই পথে যদি লোকাল ট্রেনগুলো চালু থাকে, তাহলে ঘন ঘন এত যাত্রা বিরতি দিতে হতো না। স্থানীয় বাসিন্দারা লোকাল ট্রেন না থাকার কারণে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর যাত্রাবিরতি দাবি করছে। আমি মনে করি, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে এজন্য সরেজমিন অনুসন্ধান করা উচিত।’

ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত ট্রেনের যাত্রী লাবিব হাসান চৌধুরী জানান, আজমপুর থেকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত মাত্র ৬০ কিলোমিটার অংশে অন্তত পাঁচটি স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিচ্ছে ট্রেনগুলো। এতে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর গতি যেমন কমছে, তেমনিভাবে তারা লোকাল ট্রেনের মতো হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে যাত্রী কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খান সাদাত বলেন, ‘সারা পৃথিবীর মধ্যে ট্রেন হচ্ছে নিরাপদ পরিবহন। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে আমরা দেখছি, নিয়মিত ট্রেন পরিষেবা অবনতির দিকে যাচ্ছে। আখাউড়া সিলেট রেলপথে লোকাল ট্রেনগুলোর বন্ধ হওয়ার ফলে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। পাশাপাশি, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম থেকে আসা আন্তঃনগর ট্রেনযাত্রীদের ঘন ঘন যাত্রা বিরতির ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


শেরপুর পৌরসভার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

শনিবার শেরপুর পৌরসভা দ্বারা পরিচালিত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার দুপুরে শেরপুর পৌর শহরের চকপাঠক মহল্লায় অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

এ সময় জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের সমন্বিত উদ্যোগ একটি স্বাস্থ্যকর, নান্দনিক ও টেকসই শেরপুর বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবু লায়েজ মো. বজলুল করিম, শেরপুর পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরিফ উদ্দিন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল এবং পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%