০৬:০৮ পি.এম
আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সারা দেশে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা ২৬ হাজারেরও বেশি।
আজ বেলা ১২টায় ঢাকা, ১ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) অনুযায়ী, সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিনও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সচিব আবদুল খালেক লিখিত বক্তব্যে জানান, মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী
এবারের পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন এবং ছাত্রের সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন। অর্থাৎ, এবারে ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী অংশ নিচ্ছেন।
সচিব আরও জানান, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় ‘সিসিটিভি ক্যামরা মনিটরিং সেল’ খোলা হয়েছে, যা দেশের যেকোনো কেন্দ্রে পরিস্থিতি মনিটর করতে সক্ষম। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের কর্মকর্তাদের কাছে ‘বডি অন ক্যামেরা’ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। ঢাকা বোর্ডে ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ বিহীন দিনগুলোর মধ্যে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
এছাড়াও, সচিব জানালেন, পরীক্ষার্থীদের সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নকলের জন্য কুখ্যাত সব ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে, তবে কিছু ভেন্যুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, প্রশ্নপত্র সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ালে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে যেকোনো অনিয়মের জন্য কেন্দ্র সচিবকে দায়ী করা হবে। কোনো শিক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ ডিজিটাল ডিভাইস এনে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন