বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৩০ পি.এম
ভারতের অনুসন্ধানী সংবাদ ম্যাগাজিন ‘তেহেলকা’র সাবেক সম্পাদক তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে ধর্ষণের মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বোম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ। একই সময়ে ২০২১ সালে নিম্ন আদালতের দেওয়া খালাসের রায়টি বাতিল করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আদালত তেজপালকে নির্দেশ দেন যে দুই সপ্তাহের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। রায়ের পর, তিনি নিজেকে ‘রাজনীতির শিকার’ হিসেবে দাবি করে জানান যে, তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।
মামলাটি ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ায় অনুষ্ঠিত থিঙ্কফেস্ট অনুষ্ঠানের সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন কনিষ্ঠ এক নারী সহকর্মীকে একটি হোটেলের লিফটের ভেতরে যৌন নিপীড়নের পাশাপাশি ধর্ষণ করেন তেজপাল।
এ মামলায় ২০১৭ সালে মাপুসার সেশনস আদালতে বিচার শুরু হয়। পরে, ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তেজপালকে খালাস দিলে গোয়া সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে আপিল করে।
বিচারপতি ড. নীলা গোখলে এবং বিচারপতি অমিত জামসান্দেকরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে।
শুনানির সময় ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা রাজ্য সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং বলেন যে, যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির আচরণ নিয়ে পূর্বধারণার ভিত্তিতে নিম্ন আদালত গুরুতর ভুল করেছে। তার মতে, একজন ভুক্তভোগী কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন—এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বজনীন মানদণ্ড নেই; এটি ব্যক্তিভেদে, পরিস্থিতিভেদে এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
দণ্ড ঘোষণার পরে তুষার মেহতা আদালতে তেজপালের তাৎক্ষণিক গ্রেফতারের আবেদন জানান। তিনি বলেন, যখন কোনো নারী 'না' বলে, তখন তার অর্থ 'না' এবং সমাজের কাছে এই বার্তাটি পরিষ্কারভাবে পৌঁছে দিতে হবে।
অন্যদিকে, আদালতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ৬২ বছর বয়সী তেজপাল নিজের প্রতি দয়া প্রদর্শনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে একজন ভুক্তভোগী মনে করি। আমার একজন স্ত্রী আছেন। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।’ তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিনি যেন নিজের ভাগ্যকেই ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুই দিনের প্রচেষ্টায় তিনি ময়লার স্তূপ থেকে আবার ফিরিয়ে আনলেন ভাগ্যকে, যা তাকে মিলিওনিয়ার বানিয়ে দিয়েছে।
দক্ষিণ ইতালির বিটোন্তো শহরের ভাগ্যবতী এই মহিলা লটারিতে এক মিলিয়ন ইউরোর (১৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা) বাম্পার পুরস্কার জিতেছিলেন।
তবে তিনি দোকানে লটারির টিকিটটি পরীক্ষা করার সময় মেশিন জানায় যে এটি ‘নন-পেইয়নেবল’ (পরিশোধযোগ্য নয়)। জেতেননি মনে করে তিনি ফেরার পথে টিকিটটি ডাস্টবিনে ফেলে দেন। মূলত পুরস্কারের অঙ্ক এত বেশি হওয়ায় এটি স্থানীয় দোকান থেকে সরাসরি দেওয়া সম্ভব ছিল না।
এজন্য দোকানের মেশিন এই ‘নন-পেইয়েবল’ বার্তাটি দেখায়।
দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পর পরিবারের একজন সদস্য তাকে জানিয়ে দেন যে, তার নিয়মিত কেটে আসা ২, ৪, ৮, ১০ এবং ৫১ নম্বরগুলো এবারের লটারিতে বাম্পার প্রাইজ জিতেছে। স্মৃতির কারণে ওই নারী সবসময় একই নাম্বারের লটারির টিকিট কিনতেন। সেজন্য তার টিকিটের নাম্বার পরিবারের সকলের জানা।
বাম্পার প্রাইজ জেতার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ওই নারী দ্রুত ছুটে যান সেই দোকানে। কিন্তু গিয়ে জানতে পারেন, তখন পর্যন্ত ময়লার ঝুড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে এবং আবর্জনা সংগ্রহের গাড়িটি সেটি নিয়ে চলে গেছে।
টিকিটটি ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে ওই মহিলা ও তার পরিবার স্থানীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কম্পানির প্রশাসক রবার্তো নিকোলা তোসকানোর কাছে যান।
তোসকানো বলেন, ‘আমরা টিকিটটির যাত্রাপথ ট্র্যাক করার চেষ্টা করি। যদিও আমাদের মনে খুব একটা আশা ছিল না। কারণ ততক্ষণে একটি ময়লার ট্রাক আবর্জনাগুলো নিয়ে চলে গিয়েছিল।’
ভাগ্যক্রমে তোসকানো এবং তার দল সঠিক ট্রাকটি চিহ্নিত করে এবং সেটিকে থামাতে সক্ষম হন। তবে বর্জ্যের মধ্যে বিপজ্জনক উপাদান থাকার ঝুঁকির কারণে, গাড়িটিকে সরাসরি একটি বিশেষজ্ঞ কম্পানির কাছে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে এ ধরনের তল্লাশি চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
কর্মীরা এক দিনেরও বেশি সময় ধরে সেই ময়লার স্তূপ খুঁজে তল্লাশি চালান। একের পর এক বিভিন্ন টিকিট ও রসিদের টুকরোপরীক্ষা করার পর অবশেষে মিলিয়ন ইউরো মূল্যের কাঙ্ক্ষিত টিকিটটি খুঁজে পান।
তোসকানো বলেন, ‘সেগুলোর মধ্যে আমরা যে রসিদটি খুঁজছিলাম তা পাওয়া যায়। আশ্চর্যজনকভাবে সেটি তখনো একদম অক্ষত ছিল।’
টিকিটটি খুঁজে পাওয়ার খবর জানাতে তোসকানো যখন ওই নারীকে ফোন করেন, তখন ‘তিনি আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন’।
তোসকানো আরো বলেন, ‘আমি তখন তাকে জড়িয়ে ধরতাম। কিন্তু আমরা আসলে ফোনে কথা বলছিলাম।’
অবশ্য সেই নারীকে এখন ময়লার ট্রাক থামানো ও তল্লাশি অভিযানের সব অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে। তবে সেটাও তিনি নিশ্চয়ই হাসিমুখে করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি লিওনেল মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসির বার্সেলোনা যুব একাডেমিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তে খবরটি ভাইরাল হয়ে যায়। ছড়িয়ে পড়া এই গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন দাবি করে ‘লা মাসিয়া’য় যোগ দেওয়ার গুঞ্জন সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন বাবা আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার দাবি, থিয়াগো বর্তমানে ইন্টার মায়ামি একাডেমিতে বেশ ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছে। আসন্ন নভেম্বরে ১৪ বছর বয়সে পদার্পণ করবে থিয়াগো মেসি। তখন বার্সেলোনার অনূর্ধ্ব-১৪ দলে যোগ দিয়ে লা মাসিয়া-তে তার ফুটবল প্রশিক্ষণ শুরু করবে। হঠাৎ এমন একটি খবর চাউর হয়। তবে এই বিষয়ে মেসি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনো চুক্তির খবর নিশ্চিত করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, একা একা এত কম বয়সে স্পেনে চলে যাওয়ার জন্য থিয়াগো এখনো বেশ ছোট। মরিসিও পচেত্তিনোতে ভরসা রাখল যুক্তরাষ্ট্র। থিয়াগো মেসি এবং মেসির বাকি সন্তানরা বর্তমানে তাদের পরিবারের সাথে মায়ামিতেই বসবাস করছে। সেখানে ইন্টার মায়ামি সিএফের যুব একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল খেলছে। আপাতত মায়ামি ছেড়ে অন্য কোনো ক্লাবে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ আট বছরের বিরতি কাটিয়ে, অবশেষে ক্যামেরার সামনে ফিরে আসলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। তবে, বিখ্যাত এই অভিনেত্রী প্রথম দিনের শুটিং সেটে গিয়ে রীতিমতো নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন।
‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার প্রথম দিনের শুটিংয়ে পরিচালকের রাজকুমার সন্তোষী তার হাতে দৃশ্যের সবচেয়ে কঠিন অংশটি তুলে দেওয়ার পর, তিনি ভয়ে এবং উদ্বেগে কাঁপছিলেন বলে এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন।
এর এমন চরম মুহূর্তে, তার সহ-অভিনেতা সানি দেওলের সদয় ও আন্তরিক সমর্থন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে সাহায্য করে বলে জানিয়েছেন।
এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জানান, এত দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের জগতে ফিরে আসা খুব একটা সহজ কাজ ছিল না তার। বিশেষ করে, পরিচালক সন্তোষী তার প্রথম দিনের কর্মে ছবির সবচেয়ে জটিল এবং কঠিন দৃশ্যটির চিত্রগ্রহণের কথা বলার পর ঠিকভাবে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
তিনি জানান, দৃশ্যটি করার সময় অভিনয়ের আগে যখন তিনি ভয়ে কাঁপছিলেন, তখন সানি দেওল তার পাশে ছিলেন, যিনি পরম ভরসা হয়ে দাঁড়ান। সানি তাকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, চিন্তার কিছু নেই, কারণ পরিচালক বরাবরই রিটেক নিতে পছন্দ করেন। সেটে সানির উদার এবং ভালো মনের মানবিক উপস্থিতি তার উদ্বেগ অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। একটানা সারা রাত ধরে শুটিং করার পর ধীরে ধীরে সব কিছু সহজ হয়ে আসে।
দীর্ঘ সময় চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও, প্রীতি জানান, তিনি মন থেকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর জন্য তাগিদ অনুভব করেননি। ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছিল তার শেষ সিনেমা, যাতে তার বিপরীতে ছিলেন সানি দেওল।
প্রীতি বলেন, দীর্ঘ আট বছরে তিনি চলচ্চিত্রজীবনকে মিস করেননি, কারণ সময়টা তিনি তার পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। জীবনের জন্য অনেক পেশাদার সাফল্যের পর, সন্তান জন্ম দেওয়া ও তাদের বড় করে তোলার বিষয়টিকে জীবনের সবচেয়ে বড় এবং সেরা মাইলফলক বলে মনে করেন।
প্রীতি জানান, একজন মা হওয়ার সেই অনুভূতি মূলত ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার তার চরিত্রটির গভীরতা বুঝতে সাহায্য করেছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই সিনেমায়, প্রীতি এক মুসলিম নারীর চরিত্র এবং সানি দেওল তার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
গল্পে দেখা যাবে, দেশভাগের চরম বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে লাহোরে নিজেদের বাড়িতে এক হিন্দু নারীর আশ্রয় দেয় এই দম্পতি। প্রীতি বিশ্বাস করেন, বিশ্বায়নের এই যুগেও পরিবার তার কাছে প্রথম অগ্রাধিকার, এবং ১৯৪৭ সালের সময় একজন নারীর নিজের পরিবার ও নীতিকে রক্ষা করার মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য তার মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা দারুণ ভূমিকা রেখেছে।
আমির খান প্রোডাকশনস এবং রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত এই বিগ বাজেট সিনেমায় সানি দেওল ও প্রীতি জিনতা ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাবানা আজমি, করণ দেওল, আলি ফজল, অভিমন্যু সিং, খুশি হাজারে এবং কানিকা কাপুর। প্রখ্যাত সুরকার এ আর রহমান সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন এবং কালজয়ী গীতিকার জাভেদ আখতার এতে গান লিখেছেন। সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে কোনোরকম কাটছাঁট ছাড়াই সরাসরি ছাড়পত্র পাওয়া সিনেমাটি আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর গোপন তৎপরতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোনো শিক্ষক জড়িত রয়েছে কিনা, তা যাচাই করার জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সই করা অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে উল্লিখিত হয়েছে, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী দাবি করা হয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতায় যুক্ত রয়েছেন। এ ধরনের তৎপরতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক জড়িত কিনা, তা যাচাই ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এই কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিউল ইসলাম জীবনকে কমিটির আহ্বায়ক নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এতে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হারুন আল-রশিদ এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার রেহেনা আক্তার মনি।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেলিগ্রামভিত্তিক একটি গোপন গ্রুপের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতায় যুক্ত রয়েছেন। সেখানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ