১০:৪০ এম
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যখনই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে যায়, তখনই তাঁদের মহানায়ক লিওনেল মেসি ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর অসাধারণ একটি গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে নিজের দলের জয়ের নায়ক হন তিনি। এরপর, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের বয়স যখন ৮৫ মিনিট, তখন আলবিসেলেস্তার প্রচেষ্টা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকে। সেখান থেকে মাত্র আট মিনিটের মধ্যে জাদুকরী দুটি অ্যাসিস্ট করে মেসি ম্যাচটি ঘুরিয়ে দেন। প্রথমে তিনি এনজো ফার্নান্দেজ এবং পরে অতিরিক্ত সময়ে লাউতারো মার্টিনেজকে দিয়ে গোল করিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে ফাইনালে নিয়ে আসেন। তবে মহানাটকীয়ভাবে ফাইনালে উঠেও মেসির গোল্ডেন বুট জয় এখনো নিশ্চিত নয়, কারণ কাগজে-কলমে তা হারানোর সমীকরণ এখনও বিদ্যমান রয়েছে।
বর্তমানে আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলসংখ্যাও আটটি, কিন্তু আঁসিস্টের দিক থেকে মেসির চেয়ে একটি কম থাকায় তিনি আপাতত পিছিয়ে রয়েছেন। স্পেনের কাছে পরাজয়ের ফলে ফ্রান্সের ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে গেছে, কিন্তু এমবাপ্পের সামনে এখনো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি বাকি রয়েছে। সেই ম্যাচে যদি এমবাপ্পে অন্তত একটি গোল করতে সক্ষম হন এবং মেসি যদি স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে গোল করতে ব্যর্থ হন, তাহলে গোল্ডেন বুট চলে যাবে এমবাপ্পের দখলে।
এই সমীকরণ এখানেই শেষ নয়। মেসি এবং এমবাপ্পে দুজনকেই টেক্কা দিয়ে ট্রফিটি ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে স্পেনের মিকেল ওয়ারজাবালের সামনে। টুর্নামেন্টে তিনি এ পর্যন্ত পাঁচটি গোল করেছেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও মেসির বিপক্ষে ওয়ারজাবাল যদি একাই চারটি গোল করেন এবং অন্যদিকে মেসি ও এমবাপ্পে যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে গোল না করতে পারেন, তবে সবাইকে চমকে দিয়ে গোল্ডেন বুট নিজের করে নিতে পারেন এই স্প্যানিশ তারকা।
আরও পড়ুন: আকাশের ঝড়ো ফিফটিতে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে ফারইস্টের জয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন