প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি পেলের ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের ঐতিহাসিক জার্সিটি এবার নিলামে ইতিহাস সৃষ্টি করল। আশ্চর্যজনকভাবে, জার্সিটি রেকর্ড ৪.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের দামে বিক্রি হয়েছে, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৫৭ কোটি টাকার সমান। পেলের বিক্রি হওয়া অন্যান্য স্মারক সামগ্রীর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ দাম হিসেবে নতুন একটি রেকর্ড গড়ল।
বিশ্বখ্যাত নিলাম কোম্পানি সোথবির তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত নিলামে জার্সিটি সংগ্রাহকদের মধ্যে লুফে নিতে তীব্র চাহিদা তৈরি করে, ফলে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। পাঁচজনেরও বেশি বিডারের কাছ থেকে মোট ১০টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। পেলে ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপের ফাইনালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে এই জার্সিটি গায়ে চাপিয়েই মাঠ কাঁপিয়েছিলেন। মূলত এই ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে জার্সিটির মূল্য আকাশ ছুঁয়েছে।
২০২২ সালে চিরবিদায় নেওয়া এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো বা পাবলিক নাম পেলের বিশ্বমঞ্চে অভিষেক হয়েছিল মাত্র সতেরো বছর বয়সে। তিনি নিজের প্রথম বিশ্বকাপে ৬টি গোল করে ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করে দিয়েছিলেন। বিশেষত, স্বাগতিক সুইডেনের বিপক্ষে সেই ফাইনালে পেলের করা জোড়া গোলের মাধ্যমে ৫-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছিল সেলেসাওরা এবং প্রথমবারের মতো সোনালী ট্রফি ঘরে নিয়ে গিয়েছিল।
বিশ্বমঞ্চের ফাইনালে গোল করার জন্য সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারের রেকর্ডটি আজও কেউ ভাঙতে সক্ষম হয়নি। নিলাম সংস্থা সোথবির মতে, ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের মুহূর্তগুলি ক্রীড়া ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি পুনর্মুদ্রিত ছবির মধ্যে একটি। এবং সেই অবিস্মরণীয় কীর্তির সময় ‘এই জার্সিটিই মাঠে পেলের গায়ে ছিল।’
মজার কথা হলো, ২০০৪ সালেও এই একই জার্সি নিলামে উঠেছিল। তবে সেবার এর দাম ছিল মাত্র ৭০ হাজার ৫০৫ পাউন্ড, যা প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলারের সমান। দুই দশকের ব্যবধানে ফুটবল সম্রাটের স্মৃতির মূল্য যে কতটা গগনচুম্বী হয়ে উঠেছে, এই নিলামই তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন